সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৩:৩১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
দেশের অধিকাংশ সরকারি কর্মকর্তা চোর ও ঘুষখোর: স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ গাজীপুরে নিখোঁজ নারীর রহস্য উদ্ঘাটন: পিবিআইয়ের তদন্তে বেরিয়ে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য সৌদির প্রধান পাইপলাইনে হুতি হামলা: বিশ্ববাজারে ৪ শতাংশ তেল সরবরাহ হ্রাসের শঙ্কা মায়ের অটল বিশ্বাসে ইউএস ওপেন জয় আলেকজান্ডার জভেরেভের প্রেক্ষাপট: ওবায়দুল কাদেরসহ সাত নেতার মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার রায় কাল ব্রিকস সম্মেলনে নৈশভোজে নিরামিষ মেনু নিয়ে সরগরম ভারতীয় রাজনীতি রাষ্ট্রপতি হিসেবে প্রথম সিলেট সফরে আসছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর যাত্রাবাড়ীর দুই ঘটনায় সাবেক প্রধানমন্ত্রীসহ ৬৩ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র মহসিন নকভির হাত থেকে ট্রফি না নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করলেন বিসিসিআই সচিব কৃষিপণ্য আমদানি কমিয়ে উৎপাদন বাড়ানোর ওপর জোর দিলেন প্রধানমন্ত্রী

সৌদির প্রধান পাইপলাইনে হুতি হামলা: বিশ্ববাজারে ৪ শতাংশ তেল সরবরাহ হ্রাসের শঙ্কা

Reporter Name / ১৮ Time View
Update : সোমবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সৌদি আরবের তেল রপ্তানির প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ পূর্ব-পশ্চিম পাইপলাইনটি হুতি বিদ্রোহীদের ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। শুক্রবার থেকে বন্ধ থাকা এই পাইপলাইনটি দ্রুত সচল করা সম্ভব না হলে বিশ্ববাজারে তেলের সরবরাহ এক ধাক্কায় প্রায় চার শতাংশ কমে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, এই পরিস্থিতি বিশ্বজুড়ে বড় ধরনের জ্বালানি সংকটের ঝুঁকি তৈরি করেছে। পাইপলাইনের ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পাঁচ থেকে ছয় সপ্তাহ সময় লেগে যেতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো আভাস দিয়েছে, যদিও জরুরি ভিত্তিতে আংশিক সরবরাহ চালুর চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেল রপ্তানি বিঘ্নিত হওয়ার পর সৌদি আরব এই পাইপলাইনের ওপর ব্যাপকভাবে নির্ভরশীল হয়ে পড়েছিল। এর মাধ্যমে লোহিত সাগরের ইয়ানবু বন্দরে প্রতিদিন প্রায় ৪০ লাখ ব্যারেল তেল পৌঁছাত। বর্তমানে ইয়ানবু বন্দরে মাত্র পাঁচ থেকে সাত দিনের মজুত রয়েছে, যা শেষ হয়ে গেলে বড় ধরনের সংকটের মুখে পড়বে দেশটি। মিশরের দুটি বন্দর থেকে বর্তমানে কিছুটা সরবরাহ অব্যাহত থাকলেও পাইপলাইন পুরোপুরি সচল না হলে দীর্ঘমেয়াদে ঘাটতি মেটানো কঠিন হবে। উল্লেখ্য, রিয়াদ এখনো ক্ষয়ক্ষতির মাত্রা বা সংস্কারের সময়সীমা নিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত জানায়নি।

জ্বালানি তেলের এই অস্থিরতা বিশ্ববাজারে দামের ওপর তাৎক্ষণিক প্রভাব ফেলেছে। আন্তর্জাতিক জ্বালানি সংস্থার দেওয়া তথ্যমতে, আগস্ট মাসে সৌদি আরবের তেল সরবরাহ গত তিন দশকের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। যুদ্ধের আগে মধ্যপ্রাচ্য থেকে প্রতিদিন প্রায় দুই কোটি ২০ লাখ ব্যারেল তেল সরবরাহ হতো, কিন্তু বর্তমান উত্তেজনার কারণে হরমুজ প্রণালি দিয়ে সেই প্রবাহ ৬০ থেকে ৯০ লাখ ব্যারেলে নেমে এসেছে। সার্বিকভাবে সৌদি আরবের দৈনিক তেল উৎপাদনও উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। এই পরিস্থিতি যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে মূল্যস্ফীতি এবং বন্ডের সুদহার কয়েক বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ অবস্থানে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা