বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সুন্দরবনে দাদা ভাই বাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলি, জিম্মি ৫ জেলে উদ্ধার বাংলাদেশের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারত্ব বাড়াতে অঙ্গীকার জাপানের প্রধানমন্ত্রীর রিজভীর: আইজিপি সরকারের অংশ হয়ে ক্রসফায়ারের কথা সাগর-রুনি হত্যায় জিয়াউল ও রোকেয়া প্রাচীর সম্পৃক্ততার আভাস, মিলল বাড়তি সময় বকেয়া বেতনের দাবিতে উত্তাল চালডালের যশোর অফিস মাদুশাঙ্কার দুর্দান্ত বোলিংয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে শ্রীলঙ্কা আইজিপির বক্তব্য সরকারকে বিব্রত করবে: রুহুল কবির রিজভী নিয়মিত বাগান করলে কমে মৃত্যুঝুঁকি, বলছে নতুন গবেষণা দেশে ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১১ জনের মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৪০০ আইজিপির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: জাহেদ উর রহমান

এস আলম গ্রুপের ১১ কারখানা বন্ধ, চাকরি হারালেন সাড়ে ৪ হাজার কর্মী।

অনলাইন ডেস্ক / ২১১ Time View
Update : শনিবার, ১ আগস্ট, ২০২৬

তীব্র তারল্য সংকট, ব্যাংক ঋণসংক্রান্ত জটিলতা এবং এলসি (ঋণপত্র) খুলতে না পারার কারণে চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলায় অবস্থিত শিল্প গোষ্ঠী এস আলম গ্রুপের মালিকানাধীন ১১টি ভারী শিল্প কারখানা অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) থেকে কারখানাগুলোতে কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিক ছাঁটাইয়ের নোটিশ দেওয়া শুরু হয়, যা আজ শনিবার (১ আগস্ট) থেকে কার্যকর হয়েছে।  

এই কারখানাগুলো বন্ধ হওয়ার ফলে প্রায় সাড়ে চার হাজার কর্মী চাকরি হারিয়ে বেকার হয়ে পড়েছেন। তবে কারখানার সার্বিক নিরাপত্তার স্বার্থে সিকিউরিটি ও বৈদ্যুতিক বিভাগের কিছু কর্মীকে চাকরিতে বহাল রাখা হয়েছে।  

বন্ধ ঘোষণা করা যেসব কারখানা:

এস আলম গ্রুপের যে ১১টি কারখানা আনুষ্ঠানিকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—

১. এস আলম রিফাইন্ড সুগার ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড

২. এস আলম সিমেন্ট

৩. এস আলম অয়েল

৪. এস আলম ভেজিটেবল অয়েল

৫. এস আলম ব্যাগ ফ্যাক্টরি

৬. চেমন ইস্পাত লিমিটেড

৭. এস আলম কোল্ড রোল্ড স্টিলস লিমিটেড

৮. এস আলম স্টিল

৯. এস আলম পাওয়ার প্ল্যান্ট লিমিটেড

১০. এস আলম পাওয়ার জেনারেশন লিমিটেড এবং

১১. পশু খাদ্যের একটি কারখানা।  

তবে এর বাইরে চট্টগ্রামের বাঁশখালীতে এস আলম গ্রুপের মালিকانাধীন এস এস পাওয়ার প্ল্যান্ট নামের কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রটির কার্যক্রম বর্তমানে চালু রয়েছে।

ছাঁটাই ও কারখানার বর্তমান পরিস্থিতি:

ব্যবস্থাপনা কর্তৃপক্ষের নির্দেশনার আলোকে দেওয়া নোটিশে জানানো হয়েছে, তালিকাভুক্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের চাকরি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে যা ১ আগস্ট থেকে কার্যকর বলে গণ্য হবে। তবে কারখানা কর্তৃপক্ষের দাবি, ছাঁটাইকৃত কর্মীদের বকেয়া বেতন ও আইন অনুযায়ী অন্যান্য পাওনা বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছে।  

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, গত দুই বছর ধরে ব্যাংক থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা না পাওয়ায় এবং নতুন করে এলসি খুলতে ব্যর্থ হওয়ায় কারখানাগুলো কাঁচামাল সংকটে রুগ্ন প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিল। এতদিন গুদামে মজুত থাকা সীমিত কাঁচামাল দিয়ে কোনো রকমে উৎপাদন চালিয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত মূলধন ও তারল্য সংকটের কারণে পুরো শিল্পযজ্ঞ বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয় কর্তৃপক্ষ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা