রাজধানীর আদাবর ও মোহাম্মদপুরে পৃথক দুটি স্থানে বাড়ি ও জমি দখলের চেষ্টার ঘটনায় মোট ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া উইং থেকে পাঠানো দুটি পৃথক বার্তায় এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। শ্যামলী হাউজিংয়ের বাড়িতে হামলার ঘটনায় পাঁচজনকে এবং চাঁদ উদ্যানে জমি দখলের চেষ্টার ঘটনায় আটজনকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। বিশ্লেষণ / মধ্যপ্রাচ্যের তেল-গ্যাস বন্ধ হলে কোন পথে যাবে বিশ্ব। থাইল্যান্ডে বন্যায় মৃত ৮, ব্যাংকককে ‘দুর্যোগকবলিত’ ঘোষণা।
পুলিশ ও ভুক্তভোগী বাড়ির মালিকের ভাষ্যমতে, গত শনিবার সকাল সাড়ে ছয়টার দিকে ১৫ থেকে ২০ জনের একটি সশস্ত্র দল শ্যামলী হাউজিংয়ের ৬ নম্বর সড়কের ৪১ ও ৪২ নম্বর প্লটের বহুতল ভবনে হামলা চালায়। রামদাসহ বিভিন্ন দেশি অস্ত্র নিয়ে আসা হামলাকারীরা ভবনের মূল ফটক ও জানালায় ভাঙচুর চালায়। হামলার সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, ভবনের ভেতর থেকে লোকজন গেট খুলতে অস্বীকৃতি জানালে মুখোশধারী হামলাকারীরা ইট ও অস্ত্র দিয়ে হামলা করে। এর আগে গত দেড় বছর ধরে একই দখলদার গ্রুপ ভবনটি নিজেদের নিয়ন্ত্রণে রেখেছিল, যার পরিপ্রেক্ষিতে গত মার্চ মাসে পুলিশ অভিযান চালিয়ে মালিককে দখল বুঝিয়ে দিয়েছিল। এই ঘটনায় বাড়ির মালিক খুরশিদ আলম খানসহ সাতজনের নাম উল্লেখ করে এবং ১৫-২০ জনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করে আদাবর থানায় মামলা করেছেন।
অন্যদিকে, মোহাম্মদপুরের চাঁদ উদ্যানে শনিবার সকাল ১০টার দিকে কয়েকশ মানুষ একটি প্লটে ঢুকে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। তারা ওই জায়গা থেকে নগদ অর্থ ও বিভিন্ন যন্ত্রপাতি লুট করার পর জায়গাটি টিন দিয়ে ঘিরে ফেলে। জমির মালিকানা নিয়ে পাল্টাপাল্টি দাবির জেরে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র। এই ঘটনায় মোহাম্মদপুর থানায় দায়ের করা মামলায় পুলিশ প্রাথমিকভাবে দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে।