বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতের মাধ্যমে টেকসই অর্থনীতি রূপান্তরের ডাক জাপান সফরে চার সমঝোতা স্মারক ও দুই অনুদান চুক্তি সই জুলাইয়ের চেতনা বাঁচিয়ে রাখলে চাঁদাবাজি সম্ভব নয়: ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনতেই হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন দেশে ডেঙ্গুতে একদিনে ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ২ হাজার জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে আফগানিস্তান ১৫ নভেম্বর থেকে দ্বিতীয় ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো’ আয়োজন করবে ইপিবি নারায়ণগঞ্জে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে বাবা ও ছেলে নিহত বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমল: প্রভাব ফেলছে জ্বালানি তেলের উত্তাপ ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট: ভোগান্তিতে রোগী ও স্বজন

দণ্ডিত সাত আসামিকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হবে

Reporter Name / ৫৬ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ সাত আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নিজ কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম এই রায়ের বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন। তিনি জানিয়েছেন, দণ্ডিত আসামিদের বর্তমান অবস্থান সম্পর্কে সুনির্দিষ্ট তথ্য না থাকলেও, তাদের শনাক্ত করা গেলে গ্রেপ্তার করে দেশে ফিরিয়ে আনার মাধ্যমে আইনি প্রক্রিয়া অনুযায়ী ফাঁসির রায় কার্যকর করা হবে।

চিফ প্রসিকিউটর উল্লেখ করেন, মামলায় প্রত্যেক আসামির বিরুদ্ধে চারটি করে গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছিল, যার অধিকাংশই সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। রায়ে মৃত্যুদণ্ডের পাশাপাশি কিছু অভিযোগে আমৃত্যু কারাদণ্ডের বিধানও রাখা হয়েছে। এছাড়া পাঁচ আসামির অর্জিত স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির অর্ধেক রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দিয়েছেন আদালত। বাজেয়াপ্তকৃত এই সম্পদ জুলাই ফাউন্ডেশন বা অনুরূপ কোনো সংস্থার মাধ্যমে জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের পরিবারের মাঝে বিতরণের নির্দেশনা রয়েছে রায়ে।

আসামিদের পলাতক থাকা প্রসঙ্গে চিফ প্রসিকিউটর বলেন, বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে অবগত হওয়া সত্ত্বেও তারা স্বেচ্ছায় আত্মগোপনে আছেন, যা তাদের অপরাধের দায়বদ্ধতাকেই প্রমাণ করে। তিনি স্পষ্ট করেন যে, অপরাধী পলাতক থাকলে আইনি বিধি মেনেই বিচার কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে এবং এ বিষয়ে কোনো মানবাধিকার সংগঠনের মন্তব্যের সুযোগ নেই। মোহাম্মদ আলী আরাফাতসহ কয়েকজন পলাতক নেতার সোশ্যাল মিডিয়ায় দেওয়া মন্তব্যের কোনো আইনি গ্রহণযোগ্যতা নেই বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

আমিনুল ইসলাম আরও বলেন, ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই ১৪ দলীয় বৈঠকে কারফিউ এবং প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের যে সিদ্ধান্ত হয়েছিল, তাতেই ওবায়দুল কাদেরের ‘শুট অ্যাট সাইট’ নির্দেশের প্রেক্ষাপট তৈরি হয়। সাক্ষ্যপ্রমাণের ভিত্তিতে তাদের সুপিরিয়র কমান্ড রেসপনসিবিলিটি বা ব্যক্তিগত দায়বদ্ধতা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে আদালত পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন। এই রায়ে তিনি নিজের সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন।

সম্পদ বাজেয়াপ্ত ও আপিলের সময়সীমা নিয়ে প্রসিকিউটর বলেন, রায় ঘোষণার পর আইনি নিয়ম অনুযায়ী ৩০ দিন পর্যন্ত আপিলের সুযোগ থাকে। এই নির্ধারিত সময় পার হওয়ার আগে কোনো সম্পদ বাজেয়াপ্ত বা হস্তান্তর করা সম্ভব নয়। তবে ৩০ দিন অতিক্রান্ত হওয়ার পর রাষ্ট্র এ রায় বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কোনো আইনি জটিলতার মুখে পড়বে না। বর্তমান পরিস্থিতিতে আসামিদের গ্রেপ্তার এবং আইনি প্রক্রিয়ায় তাদের দেশে ফেরানোর বিষয়টি সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তবে আমরা আশ্বস্ত করতে পারি, যেহেতু তারা এখন দণ্ডপ্রাপ্ত, তাদের অবস্থান যদি আমরা শনাক্ত করতে পারি, তাহলে গ্রেপ্তার করে বাংলাদেশে আনার জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নেব।’। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এ ছাড়া পাঁচ আসামির স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির ৫০ শতাংশ রাষ্ট্রের অনুকূলে বাজেয়াপ্ত করার আদেশ দিয়েছেন আদালত। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তিনি বলেন, এতে পরিষ্কারভাবে বোঝা যায়, আসামিরা ইচ্ছাকৃতভাবে পলাতক। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তাই তাদের যেকোনো বক্তব্য আইনগতভাবে গ্রহণযোগ্য নয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এই ৩০ দিনের মধ্যে কোনো সম্পদ বাজেয়াপ্ত বা অন্য কোনো ব্যবস্থাপনায় দেওয়ার সুযোগ নেই।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা