বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতের মাধ্যমে টেকসই অর্থনীতি রূপান্তরের ডাক জাপান সফরে চার সমঝোতা স্মারক ও দুই অনুদান চুক্তি সই জুলাইয়ের চেতনা বাঁচিয়ে রাখলে চাঁদাবাজি সম্ভব নয়: ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনতেই হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন দেশে ডেঙ্গুতে একদিনে ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ২ হাজার জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে আফগানিস্তান ১৫ নভেম্বর থেকে দ্বিতীয় ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো’ আয়োজন করবে ইপিবি নারায়ণগঞ্জে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে বাবা ও ছেলে নিহত বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমল: প্রভাব ফেলছে জ্বালানি তেলের উত্তাপ ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট: ভোগান্তিতে রোগী ও স্বজন

রাজধানীর বাজারে সয়াবিন তেলের তীব্র সংকট অব্যাহত

Reporter Name / ৬৩ Time View
Update : শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রাজধানীর খুচরা বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেলের তীব্র সংকট এখনো কাটেনি। গত ১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে, অধিকাংশ মুদি দোকানে বোতলজাত তেলের সরবরাহ নেই বললেই চলে। যেসব দোকানে তেল পাওয়া যাচ্ছে, সেখানেও আধা লিটার বা এক লিটারের ছোট বোতলের দেখা মেলা ভার। মূলত ২ ও ৫ লিটারের বোতলই এখন বাজারে পাওয়া যাচ্ছে, যা সাধারণ ক্রেতাদের জন্য বড় ধরনের ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

খুচরা বিক্রেতা ও পাইকারি ব্যবসায়ীদের তথ্যানুযায়ী, গত ২ সেপ্টেম্বর ভোজ্যতেল পরিশোধনকারী কোম্পানিগুলো সয়াবিনের দাম বাড়িয়েছিল। কোম্পানিগুলো বাজারে পর্যাপ্ত তেল ছাড়ছে না বলে অভিযোগ বিক্রেতাদের। তারা জানিয়েছেন, পরিবেশকদের কাছে বারবার তাগাদা দেওয়া সত্ত্বেও চাহিদামতো সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে না। বর্তমানে গুটিকয়েক কোম্পানিই বোতলজাত সয়াবিন বাজারে সরবরাহ করছে, যা প্রয়োজনের তুলনায় অত্যন্ত অপ্রতুল।

নতুন দর অনুযায়ী, বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ৫ টাকা বাড়িয়ে ২০৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। সে হিসাবে বর্তমানে ২ লিটার তেল ৪০৮ টাকা এবং ৫ লিটার তেলের বোতল ১ হাজার ২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। দাম বাড়ার পাশাপাশি কমিশন কমানোর বিষয়টি নিয়ে ক্ষুব্ধ খুচরা ব্যবসায়ীরা। রামপুরার ‘ভাই ভাই স্টোর’-এর দোকানি আফজাল হোসেন জানান, বর্তমানে প্রতি লিটার তেলে মাত্র ১ টাকা কমিশন দেওয়া হচ্ছে। হাজার টাকা বিনিয়োগ করে ৫ টাকা মুনাফা করা ব্যবসায়ীদের জন্য কঠিন, অথচ কোম্পানিগুলো তেল সরবরাহ না করে বাজারে একপ্রকার জিম্মি পরিস্থিতি তৈরি করেছে।

বোতলজাত তেলের এই সংকটে অনেক ক্রেতা বাধ্য হয়ে খোলা সয়াবিন তেল কিনছেন, যা বাজারে বাড়তি দরে বিক্রি হচ্ছে। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে খোলা সয়াবিন তেল ২০৫ থেকে ২০৮ টাকা লিটার দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। সেই সাথে পাম তেলের দামও বেড়ে প্রতি লিটার ১৮০ থেকে ১৮৫ টাকায় দাঁড়িয়েছে। তেলের এই উচ্চমূল্য ও দুষ্প্রাপ্যতায় নিম্ন ও মধ্যবিত্ত আয়ের মানুষের নাভিশ্বাস উঠেছে।

বাজারে বোতলজাত তেল না পেয়ে ক্রেতাদের এক দোকান থেকে অন্য দোকানে ঘুরতে হচ্ছে। এমনকি অনেক দোকানে যাওয়ার পরও কাঙ্ক্ষিত পরিমাণ তেল না পাওয়ায় অনেকে খালি হাতেই ফিরছেন। কোম্পানিগুলোর সরবরাহ ব্যবস্থা স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতির উন্নতি হওয়ার সম্ভাবনা দেখছেন না বিক্রেতারা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: খুচরা বিক্রেতারা আরও জানান, তেল কোম্পানিগুলো তাদের বিক্রয় কমিশনও একবারে কমিয়ে দিয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: রামপুরা এলাকার ভাই ভাই স্টোরের দোকানি আফজাল হোসেন বলেন, ‘৫ লিটার তেল কিনলে এমনিতেই মানুষ ৫-১০ টাকা কম দিতে চায়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা