বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম
জাপান সফরে চার সমঝোতা স্মারক ও দুই অনুদান চুক্তি সই জুলাইয়ের চেতনা বাঁচিয়ে রাখলে চাঁদাবাজি সম্ভব নয়: ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনতেই হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন দেশে ডেঙ্গুতে একদিনে ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ২ হাজার জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে আফগানিস্তান ১৫ নভেম্বর থেকে দ্বিতীয় ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো’ আয়োজন করবে ইপিবি নারায়ণগঞ্জে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে বাবা ও ছেলে নিহত বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমল: প্রভাব ফেলছে জ্বালানি তেলের উত্তাপ ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট: ভোগান্তিতে রোগী ও স্বজন স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন নিহত

মন্টিনেগ্রোতে প্রতি বছর ৫০ হাজার বাংলাদেশি কর্মীর সুযোগ

Reporter Name / ৪৯ Time View
Update : সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬

ইউরোপের দেশ মন্টিনেগ্রোতে বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর ৫০ হাজারেরও বেশি দক্ষ ও পেশাদার কর্মী নিয়োগের বিশাল সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। দেশটির পার্লামেন্ট সদস্য গোরদান স্তোয়োভিচ জানিয়েছেন, তাদের দেশে পর্যটন, নির্মাণকাজ, আতিথেয়তা এবং চিকিৎসাসেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে প্রচুর দক্ষ জনবলের প্রয়োজন রয়েছে। এই চাহিদা পূরণে বাংলাদেশ ও মন্টিনেগ্রো সরকারের মধ্যে একটি সরাসরি দ্বিপাক্ষিক (জি-টু-জি) চুক্তির মাধ্যমে কর্মী পাঠানোর বিষয়েও আশাবাদ প্রকাশ করেন তিনি।

গত ৫ অক্টোবর (সোমবার) বাংলাদেশের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে মন্টিনেগ্রোর সংসদ সদস্য এসব তথ্য তুলে ধরেন। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং জনশক্তি রপ্তানির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বৈঠকে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার বাংলাদেশ থেকে বৈধ উপায়ে দক্ষ ও পেশাজীবী জনশক্তি বিদেশে পাঠাতে বিশেষভাবে জোর দিচ্ছে। বাংলাদেশের এই লক্ষ্যকে স্বাগত জানিয়ে গোরদান স্তোয়োভিচ নিশ্চিত করেন যে, তার দেশে প্রতি বছর ৫০ হাজারের বেশি দক্ষ জনশক্তির কর্মসংস্থানের সুযোগ রয়েছে।

কর্মী নিয়োগের পাশাপাশি দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। গোরদান স্তোয়োভিচ উল্লেখ করেন যে, মন্টিনেগ্রো মূলত একটি আমদানিনির্ভর দেশ। বাংলাদেশ থেকে বর্তমানে তৈরি পোশাক রপ্তানি হলেও, দেশটিতে ওষুধ, চামড়া ও চামড়াজাত পণ্য, সিরামিক এবং পাট ও পাটজাত পণ্য আমদানির ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। এর পাশাপাশি, মন্টিনেগ্রোর পক্ষ থেকে বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বিভিন্ন লাভজনক খাতে বড় ধরনের বিনিয়োগের বিষয়েও ইতিবাচক আগ্রহ প্রকাশ করা হয়।

ভৌগোলিক ও আঞ্চলিক অবস্থানের কারণে ইউরোপের পর্যটন শিল্পে মন্টিনেগ্রো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি দেশ। এই বিষয়টিকে বিবেচনায় নিয়ে গোরদান স্তোয়োভিচ বাংলাদেশের পর্যটন খাতের সার্বিক উন্নয়নে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ এবং বিনিয়োগের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। দুই দেশের সরকারের মধ্যকার এই ফলপ্রসূ আলোচনার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য ইউরোপের শ্রমবাজারে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হতে যাচ্ছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা