বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সুন্দরবনে দাদা ভাই বাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলি, জিম্মি ৫ জেলে উদ্ধার বাংলাদেশের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারত্ব বাড়াতে অঙ্গীকার জাপানের প্রধানমন্ত্রীর রিজভীর: আইজিপি সরকারের অংশ হয়ে ক্রসফায়ারের কথা সাগর-রুনি হত্যায় জিয়াউল ও রোকেয়া প্রাচীর সম্পৃক্ততার আভাস, মিলল বাড়তি সময় বকেয়া বেতনের দাবিতে উত্তাল চালডালের যশোর অফিস মাদুশাঙ্কার দুর্দান্ত বোলিংয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে শ্রীলঙ্কা আইজিপির বক্তব্য সরকারকে বিব্রত করবে: রুহুল কবির রিজভী নিয়মিত বাগান করলে কমে মৃত্যুঝুঁকি, বলছে নতুন গবেষণা দেশে ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১১ জনের মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৪০০ আইজিপির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: জাহেদ উর রহমান

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির নতুন নীতিমালা প্রকাশ

Reporter Name / ৪১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬

সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে নতুন নীতিমালা প্রকাশ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। মঙ্গলবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের উপসচিব তানিয়া ফেরদৌস স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই নির্দেশনার কথা জানানো হয়েছে। নতুন নীতিমালায় প্রথম থেকে নবম শ্রেণি পর্যন্ত ভর্তি প্রক্রিয়া পরিচালনার বিস্তারিত নিয়মাবলী নির্ধারণ করে দেওয়া হয়েছে।

প্রথম শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে ডিজিটাল লটারি পদ্ধতি অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। ভর্তিচ্ছুরা আবেদনের সময় পছন্দক্রম অনুযায়ী সর্বোচ্চ পাঁচটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বেছে নিতে পারবে। যদি কোনো বিদ্যালয়ে দুই পালা বা শিফট থাকে, তবে উভয় পালায় ভর্তির আগ্রহ জানালে সেটি দুটি প্রতিষ্ঠান পছন্দ করার সমতুল্য হিসেবে গণ্য হবে। তবে একই প্রতিষ্ঠানে একাধিকবার আবেদন করলে সেই সব আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে। পুরো ভর্তি প্রক্রিয়াটি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) কেন্দ্রীয়ভাবে ডিজিটাল লটারির মাধ্যমে পরিচালনা করবে এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ভর্তি কমিটির উপস্থিতিতে এই কার্যক্রম সম্পন্ন হবে।

লটারিতে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকার বাইরেও শূন্য আসনের সমসংখ্যক শিক্ষার্থী নিয়ে একটি অপেক্ষমাণ তালিকা তৈরি করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচিত কেউ ভর্তি না হলে অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে ক্রমানুসারে শূন্য আসন পূরণ করা হবে।

দ্বিতীয় থেকে নবম শ্রেণির ভর্তির ক্ষেত্রে লিখিত পরীক্ষার মাধ্যমে মেধাক্রম অনুসারে শিক্ষার্থী নির্বাচন করা হবে। এক্ষেত্রেও শূন্য আসনের সমসংখ্যক অপেক্ষমাণ তালিকা রাখা বাধ্যতামূলক। দ্বিতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষার পূর্ণমান নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ নম্বর, যেখানে বাংলায় ১৫, ইংরেজিতে ১৫ এবং গণিতে ২০ নম্বর থাকবে। এক ঘণ্টার এই পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে শিক্ষার্থীদের।

অন্যদিকে, ষষ্ঠ থেকে নবম শ্রেণির ভর্তি পরীক্ষা হবে ১০০ নম্বরের। এর মধ্যে বাংলায় ৩০, ইংরেজিতে ৩০ এবং গণিতে ৪০ নম্বর বরাদ্দ রাখা হয়েছে। এই পরীক্ষার সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে দুই ঘণ্টা।

নীতিমালা অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়ের প্রধানরা ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠানের শূন্য আসনের সঠিক সংখ্যা উল্লেখ করে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবেন। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সুবিধার্থে এই বিজ্ঞপ্তি জাতীয় ও স্থানীয় সংবাদপত্র এবং বিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে প্রচারের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা