বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে আফগানিস্তান ১৫ নভেম্বর থেকে দ্বিতীয় ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো’ আয়োজন করবে ইপিবি নারায়ণগঞ্জে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে বাবা ও ছেলে নিহত বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমল: প্রভাব ফেলছে জ্বালানি তেলের উত্তাপ ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট: ভোগান্তিতে রোগী ও স্বজন স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন নিহত ৩৬ দিন পর চুয়েটে সীমিত ক্লাসের সূচনা, সমাধানে ইউজিসির কমিটি রাঙ্গুনিয়ায় কৃষকের রহস্যজনক মৃত্যু: ঘটনার তদন্তে পুলিশ আইইডিসিআর পরিচালকের কার্যালয়ে ঢুকে মারধরের অভিযোগ ড্যাবের বিরুদ্ধে এলপিজির দাম ও চার্জ না বাড়াতে ক্যাবের দাবি

এআই প্রযুক্তি অপব্যবহার নিয়ে সরব অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী

Reporter Name / ২৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-এর অপব্যবহার করে কারও নামে মিথ্যা ও বানোয়াট কনটেন্ট তৈরি করার প্রবণতা নিয়ে কঠোর প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন যে, কাউকে হেয়প্রতিপন্ন করার উদ্দেশ্যে এ ধরনের ভুয়া কনটেন্ট ছড়ানো কেবল বিনোদন হতে পারে না; এটি প্রকৃতপক্ষে একটি জঘন্য অপরাধ। প্রযুক্তিকে সৃজনশীল কাজের পরিবর্তে অন্যের সম্মানহানির কাজে ব্যবহার করার বিষয়টি অত্যন্ত নিন্দনীয় বলে মনে করেন তিনি।

মেহজাবীন তার বক্তব্যে মানুষের প্রতি পারস্পরিক সম্মানবোধের গুরুত্বের ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, কাউকে মানুষ হিসেবে যথাযথ সম্মান দেওয়ার জন্য কেন পরিবারের সদস্য হওয়ার বা ব্যক্তিগত সম্পর্কের প্রয়োজন পড়ে? কারো মা কিংবা বোন আক্রান্ত হলে খারাপ লাগবে—এই সাধারণ যুক্তির গণ্ডি ছাড়িয়ে প্রতিটি মানুষের মানবিক অস্তিত্বের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন এই অভিনেত্রী। তিনি মনে করেন, ব্যক্তিগত সম্পর্ক নির্বিশেষে প্রতিটি মানুষের মর্যাদাকে সমান গুরুত্ব দেওয়া উচিত।

এআই প্রযুক্তির অপব্যবহার এখন ব্যাপক রূপ নিয়েছে বলে পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে মেহজাবীনের আলোচনায়। তার মতে, এই ক্ষতিকর প্রবণতা এখন শুধু নারী বা পুরুষের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। বর্তমানে ইন্টারনেটে ভিউ, এনগেজমেন্ট কিংবা কোনো ট্রেন্ডিং বিষয়ের প্রতিযোগিতায় মেতে ওঠা যেকোনো ব্যক্তিই এমন অপরাধমূলক কনটেন্ট তৈরির বা ছড়ানোর মাধ্যমে এর অংশ হয়ে পড়তে পারেন। আবার একইভাবে যেকোনো মানুষই যে কোনো সময় এই প্রযুক্তির মাধ্যমে তৈরি করা কুৎসা বা মিথ্যাচারের শিকার হতে পারেন।

নিজের উদ্বেগের কথা ব্যক্ত করে মেহজাবীন লিখেছেন, কোনো অপরাধীর অপরাধের সঙ্গী হয়ে নিজের বিবেকহীনতা ও নৈতিক অবক্ষয়ের পরিচয় দেওয়ার আগে প্রত্যেককে একবার ভেবে দেখা প্রয়োজন। তিনি এই ধরনের অনৈতিক চর্চা থেকে বেরিয়ে আসার জন্য সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন এবং সকলকে প্রযুক্তির ব্যবহারে আরও সতর্ক ও মানবিক হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা