রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বাংলাদেশে নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধানে বিনিয়োগ করতে আগ্রহী শেভরন ঢাকার দুই সিটিতে নাসির ও আসিফকে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা এনসিপির ভারত নিয়ে সবসময় চিন্তার দরকার নেই, নিজেদের কথাও ভাবতে হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ফরিদপুরের ভাঙ্গায় বাস ও মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে সাংবাদিকের মৃত্যু প্রেক্ষাপট: সায়মা ওয়াজেদের ডব্লিউএইচওর পদে নিয়োগ সঠিক প্রক্রিয়ায় হয়নি জাতিসংঘ অধিবেশনে যোগ দিতে ২১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্র যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী ইয়েমেনের জনগণের বিজয় সুনিশ্চিত, হুথিদের সমর্থনে বার্তা ইরানি নেতৃত্বের আবারও বাংলাদেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করলো আদানির গোড্ডা কেন্দ্র তিন দশক পর কেন সক্রিয় হলো ট্রাম্প প্রশাসনের বিশেষ ‘এলিয়েন টেররিস্ট’ আদালত? সবজির পর ডিমের বাজারেও অস্থিরতা, চাপে নিম্ন আয়ের মানুষ

ভারত নিয়ে সবসময় চিন্তার দরকার নেই, নিজেদের কথাও ভাবতে হবে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

Reporter Name / ৩ Time View
Update : রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর কোনো বৈঠক হবে কি না—রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির কিছুটা রসিকতা করেই বলেন, ‘ব্রেকফাস্ট খাইতে ইন্ডিয়া, লাঞ্চ করতে ইন্ডিয়া, ডিনার করতে ইন্ডিয়া—তাহলে নিজের খাবার কখন খাবেন?’ তিনি স্পষ্টভাবে জানান, ভারতের বিষয়টি নিয়ে সবসময় আচ্ছন্ন হয়ে থাকা উচিত নয়। ভারত আমাদের প্রতিবেশী দেশ এবং তাদের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখা কাম্য, তবে কেবল তাদের নিয়েই ব্যস্ত থাকলে চলবে না।

প্রতিমন্ত্রী আরও যোগ করেন, দ্বিপাক্ষিক বা বহুপাক্ষিক প্রয়োজনে যার সঙ্গে যখন কথা বলার প্রয়োজন, বাংলাদেশ তা অবশ্যই করবে। তবে আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানের সাইডলাইনে সবার সঙ্গে বৈঠক করা বাস্তবসম্মত নয়, কারণ প্রধানমন্ত্রীর সামনে অনেক আমন্ত্রণ থাকে। সম্পর্কের পুনর্গঠন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, গত ১৫ বছর ধরে একটি স্বৈরাচারী, দুর্নীতিগ্রস্ত ও লুটেরা সরকারের সঙ্গে যে অস্বস্তিকর সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল, সেখান থেকে বেরিয়ে এসে বাংলাদেশ নতুন আঙ্গিকে সম্পর্ক সাজাতে চায়।

হুমায়ুন কবিরের মতে, এই সম্পর্ক পুনর্গঠনের কাজটি বহুপাক্ষিক ফোরামের বদলে সরাসরি দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে হওয়াই শ্রেয়। ভারতের সঙ্গে আলোচনার ক্ষেত্রে সরাসরি দ্বিপাক্ষিক সফরই সবচেয়ে ভালো মাধ্যম বলে তিনি উল্লেখ করেন। একইসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেছেন যে, বহুপাক্ষিক ফোরামে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করা যাবে না—এমন কোনো অবস্থান তার নেই। তার মন্তব্য কেবল ভারতের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য ছিল জানিয়ে তিনি আরও বলেন, ‘কোনো বহুপাক্ষিক অনুষ্ঠানে গেলে কারও সঙ্গে দেখা করা হবে না—এমন কথা কখনো বলা হয়নি।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা