বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
জামায়াত আমির |: মাতারবাড়ী বন্দর নিয়ে সার্বভৌমত্বে আপস নয় ের জবাব -: তাহসিফ সৌরির মৃত অবস্থায় পাওয়ার ঘটনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী: যে যখনই আসুক, আইন অনুযায়ী হেফাজতে নেওয়া হবে জাপান সফর শেষে ঢাকার পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাহসিফ সাউরির মৃত্যু: ময়নাতদন্ত প্রতিবেদনের অপেক্ষায় পুলিশ প্রশাসন সুনামগঞ্জ শহরে অকেজো দেড় শতাধিক সিসি ক্যামেরা: বাড়ছে অপরাধের আতঙ্ক টাঙ্গাইলে নীলসাগর এক্সপ্রেসের বগি লাইনচ্যুত, বন্ধ উত্তরবঙ্গের ট্রেন চলাচল টাইব্রেকারে রুলির বীরত্বে ইএফএল কাপের শেষ আটে ম্যান সিটি মাহবুবউল আলম হানিফের মৃত্যুদণ্ড: জুলাইয়ে হত্যাযজ্ঞ তুরাগ নদে মিলল বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি

তৃণমূল গোছাতে ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে পরিবর্তনের লক্ষ্যে বিএনপির জাতীয় কাউন্সিলের তোড়জোড়

Reporter Name / ৫৭ Time View
Update : শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সাংগঠনিক কাঠামো ঢেলে সাজানো এবং তৃণমূল পর্যায়কে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত জাতীয় কাউন্সিলের সময়সূচি নিয়ে চলতি সপ্তাহেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারে বিএনপি। বিষয়টি নিয়ে আগামীকাল শনিবার দলের স্থায়ী কমিটির বৈঠকে বিস্তারিত আলোচনা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে। দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠেয় এই বৈঠকে কাউন্সিলের সম্ভাব্য সময়সূচি নির্ধারণের পাশাপাশি আয়োজনের প্রস্তুতি ও সক্ষমতা যাচাই করা হবে।

বিএনপির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী, প্রতি তিন বছর অন্তর জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। সর্বশেষ ২০১৬ সালের ১৯ মার্চ দলটির জাতীয় কাউন্সিল অনুষ্ঠিত হয়েছিল। সেই কাউন্সিলে খালেদা জিয়া চেয়ারপারসন এবং তারেক রহমান সিনিয়র ভাইস-চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পান। গঠনতন্ত্রের নিয়ম অনুযায়ী, দলের বিভিন্ন কমিটি ও অঙ্গসংগঠনের মেয়াদও তিন বছর। সেই হিসেবে দলটি এখন নির্ধারিত সময়ের চেয়ে বেশ কয়েক বছর পিছিয়ে রয়েছে। দলীয় নেতারা এই দীর্ঘ বিলম্বের জন্য বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে রাজনৈতিক বিধিনিষেধ, আইনি মামলা ও নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তারের মতো প্রতিকূল পরিস্থিতিকে দায়ী করেছেন।

তবে বর্তমান প্রেক্ষাপটে নতুন করে কাউন্সিল আয়োজনের তোড়জোড় শুরু হয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে দলের শীর্ষ নেতাদের অনেকে সরকারে যোগ দেওয়ার পর তৃণমূলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ডে কিছুটা স্থবিরতা দেখা দেয়। তাই মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের বাইরে নতুন নেতৃত্ব কাঠামো গড়ে তোলার সুযোগ হিসেবেই এই কাউন্সিলকে দেখছে দলটি। জাতীয় কাউন্সিল এমন একটি ফোরাম, যেখানে দলীয় নীতিমালা অনুমোদন, গুরুত্বপূর্ণ কমিটি নির্বাচন, গঠনতন্ত্র সংশোধন এবং সাংগঠনিক বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আগেই জাতীয় কাউন্সিল আয়োজন করা গেলে তা দলের জন্য সুফল বয়ে আনবে। তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচনের পর মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যরা দাপ্তরিক কাজে অত্যন্ত ব্যস্ত হয়ে পড়েছেন, যারা দলের গুরুত্বপূর্ণ পদেও রয়েছেন। জেলা পর্যায় থেকে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব পর্যন্ত সবার ক্ষেত্রেই একই অবস্থা বিরাজ করছে। তাই দলকে সামনে এগিয়ে নিতে সক্ষম এমন নেতৃত্বকে মূল্যায়নের বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে। শনিবারের বৈঠকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, বিরোধী দলের কর্মকাণ্ড এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের সংকটসহ দেশের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।

দলের নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বিএনপির ৮২টি জেলা ও মহানগর কমিটির মধ্যে ৭২টিরই মেয়াদ উত্তীর্ণ হয়ে গেছে। কাউন্সিলের আগে তৃণমূলের ইউনিটগুলোকে ঢেলে সাজাতে মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটিগুলো পরিবর্তন, আংশিক কমিটি পূর্ণাঙ্গ করা এবং জেলা সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কমিটি গঠনের ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। এছাড়া দলের ১১টি অঙ্গসংগঠনের মধ্যে ৯টিরই কমিটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় নিয়মিত রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনায় বাধার সৃষ্টি হচ্ছে। এর আগে মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটি পুনর্গঠনের ঘোষণা দেওয়া হয়েছিল, যার মধ্যে ছাত্রদলের নেতৃত্বে নিয়মিত শিক্ষার্থীদের নিয়ে আসার পরিকল্পনাও রয়েছে।

আসন্ন কাউন্সিলে দলের মহাসচিব পদটি আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর পদ থেকে সরে দাঁড়ালে রুহুল কবির রিজভী বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। সাংগঠনিক দক্ষতা, কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের ব্যবস্থাপনা এবং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার কারণে রিজভীর নাম মহাসচিব পদের জন্য জোরালোভাবে আলোচিত হচ্ছে। তিনি সংসদ সদস্য নন এবং বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন, ফলে তিনি দলের সাংগঠনিক কাজে বেশি সময় দিতে পারবেন বলে মনে করছেন নেতারা।

বিএনপি এমন নেতাদের সামনে নিয়ে আসার পরিকল্পনা করছে, যারা ক্ষমতার বাইরে থাকার দীর্ঘ বছরগুলোতে দলের কার্যক্রম সচল রেখেছিলেন। এক্ষেত্রে হাবিব উন নবী খান সোহেল, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, সুলতান সালাহউদ্দিন টুকু, রকিবুল ইসলাম বকুল এবং মিয়া নুরুদ্দিন আহমেদ অপুর মতো নেতাদের কাঁধে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব অর্পিত হতে পারে। এছাড়া ছাত্রদল, যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক ও বর্তমান নেতাদের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বে গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়ে আসার বিষয়েও চিন্তাভাবনা করছে দলটি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মাহফুজ আনামের কলাম / ফিলিস্তিনিদের ওপর গণহত্যার কথা কি আমরা ভুলে যাচ্ছি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: হুতিদের ওপর হামলা চালাতে সৌদি যুবরাজের ফোন, ট্রাম্পের প্রত্যাখ্যান। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সাগরে ৩ নম্বর সংকেত, লঘুচাপের প্রভাবে উপকূলীয় এলাকায় ঝড়ের শঙ্কা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিশ্লেষণ / টুইন টাওয়ার হামলার ২৫ বছর, বদলে যাওয়া পৃথিবী ও মামদানি বিতর্ক। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এসব দিক বিবেচনায় নিলে দলকে এগিয়ে নিতে এই কাউন্সিল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: বিশেষ করে কঠিন সময়ে দলের কার্যক্রম সমন্বয়ে তার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা তাকে এই পদের জন্য একজন উপযুক্ত প্রার্থী করে তুলেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: কেউ অরাজকতা করতে চাইলে তা নিয়ন্ত্রণের উপায় আইনে বলে দেওয়া আছে: প্রধানমন্ত্রী।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা