রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:২২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
ঢাকায় প্রসূতির মৃত্যুতে চিকিৎসকের অবহেলার অভিযোগ, মিয়ামি কনস্যুলেটে প্রবাসীদের স্মারকলিপি সুনামগঞ্জের ধোপাজান নদীতে বালু লুট ঠেকাতে পুলিশের অভিনব সিসি ক্যামেরা নজরদারি আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশনে ৯ হাজার ৬৯৭ কোটি টাকার আর্থিক অনিয়মের সন্ধান লোহিত সাগরের উপকূলে হুতিদের আগ্রাসন: বাস্তুচ্যুত ৫০ হাজার ইয়েমেনি মধ্যপ্রাচ্যে চরম উত্তেজনা নিরসনে সর্বোচ্চ সংযমের আহ্বান ব্রিকস নেতাদের অন্যের স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ বন্ধের আহ্বান শি জিনপিংয়ের, ব্রিকস সম্মেলনে জোর মোদির বিএনপি স্বৈরতান্ত্রিক পথে হাঁটছে, কথা দিয়ে কথা রাখছে না: নাহিদ ইসলাম ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হলো ‘নয়াদিল্লি ঘোষণা আদাবরে উদ্ধার হওয়া নারীর পরিচয় শনাক্তে কাজ করছে সিআইডির ফরেনসিক দল জনগণের অধিকার আদায়ে রাজপথে নামতে হয়েছে: ডা. শফিকুর রহমান

সুনামগঞ্জের ধোপাজান নদীতে বালু লুট ঠেকাতে পুলিশের অভিনব সিসি ক্যামেরা নজরদারি

Reporter Name / ৩ Time View
Update : রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সুনামগঞ্জের ধোপাজান চলতি নদীতে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধে অভিনব উদ্যোগ নিয়েছে জেলা পুলিশ। নদীর কৌশলগত পয়েন্টগুলোতে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে, যা সরাসরি সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) মোবাইল ফোনে সংযুক্ত। এর ফলে অফিসে বসেই তিনি রিয়েল-টাইম মনিটরিং করতে পারছেন এবং রাতের অন্ধকারেও ড্রেজার দিয়ে বালু তোলার মতো অবৈধ কার্যক্রম সহজেই ধরা পড়ছে। পুলিশের এমন কঠোর নজরদারিতে বালু লুটের সঙ্গে জড়িত চক্রগুলো বেশ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে।

ধোপাজান চলতি নদী সুনামগঞ্জ সদর ও বিশ্বম্ভরপুর উপজেলাজুড়ে বিস্তৃত, যা দেশের অন্যতম প্রধান বালু ও পাথর মহাল হিসেবে পরিচিত। ২০১৮ সালে পরিবেশগত বিপর্যয় রোধ এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবন-জীবিকা সুরক্ষার লক্ষ্যে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এই নদী থেকে বালু উত্তোলন নিষিদ্ধ ঘোষণা করে। দীর্ঘ আট বছর ধরে ইজারাবিহীন অবস্থায় পড়ে থাকায় এখানে অবাধ লুটপাট চলছে। ড্রেজারের অত্যাচারে নদীপাড়ের বসতভিটা, মসজিদ, স্কুলসহ ফসলি জমি মারাত্মক ঝুঁকির মুখে পড়েছে।

গত বছরের ৫ আগস্টের পরবর্তী সময়ে এই মহাল থেকে কয়েকশ কোটি টাকার বালু লুট হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেনকে প্রত্যাহার করা হয়। পরবর্তীতে অক্টোবরে বিআইডব্লিউটিএ লিমপিড ইঞ্জিনিয়ারিং নামক একটি প্রতিষ্ঠানকে ১ কোটি ২১ লাখ ঘনফুট বিট বালু উত্তোলনের অনুমতি দেয়। অভিযোগ আছে, বিট বালুর আড়ালে ড্রেজার বসিয়ে সিলিকা বালু উত্তোলন করা হচ্ছিল। স্থানীয়দের আন্দোলনের মুখে লিমপিডের কার্যক্রম বন্ধ হলেও রাতের অন্ধকারে বালু চুরির ঘটনা চলতেই থাকে।

বর্তমান পুলিশ সুপার এবিএম জাকির হোসেন জানিয়েছেন, অবৈধ বালু উত্তোলনের অভিযোগে এখন পর্যন্ত ৬৬টি মামলা দায়ের করা হয়েছে, যেখানে ৭৪১ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ৬০ জনকে হাতেনাতে ধরা সম্ভব হয়েছে। তবে আইনি প্রক্রিয়ার ফাঁকফোকর দিয়ে অনেকেই বেরিয়ে যাচ্ছে। স্থানীয়দের মতে, কেবল সিসি ক্যামেরা নয়, নদী রক্ষা ও স্থায়ী সমাধানে একটি শক্তিশালী টাস্কফোর্স গঠন করে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা জরুরি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এতে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন বালু লুটের সঙ্গে জড়িতরা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ড্রেজার দিয়ে দিন-রাত বালু তোলায় ভেঙে গেছে বহু বসতভিটা, স্কুল, মসজিদ ও ফসলি জমি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: জানা গেছে, পরিবেশ বিপর্যয় ও স্থানীয়দের জীবন-জীবিকা রক্ষায় ২০১৮ সালে বালু উত্তোলন বন্ধের আদেশ দেয় জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা