জ্ঞাত আয়ের উৎস বহির্ভূত ১৮০ কোটি ৮৬ লাখ টাকার সম্পদ অর্জন এবং ৭৩৭ কোটি ২৪ লাখ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগে সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুল হক ও তার তিন সহযোগীর বিরুদ্ধে চার্জশিট অনুমোদন করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। বুধবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে এই চার্জশিট অনুমোদন করা হয় বলে জানিয়েছেন দুদক সচিব মো. সাইদুর রহমান খান। দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা, দণ্ডবিধির ১০৯ ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারা এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২-এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় এই আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
মামলার মূল আসামি আনিসুল হক হলেও চার্জশিটে আরও তিনজনকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। তারা হলেন আনিসুল হকের আত্মীয় ও বিএইচআইএস অ্যাপারেলসের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইকবাল, ভাগনে শেখ মো. ইফতেখারুল ইসলাম এবং শ্যালিকা জেবুন্নেসা বেগম হক। প্রায় ১৫০ কোটি টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও ৭০০ কোটি টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের অভিযোগে ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি দুদক এই মামলাটি দায়ের করেছিল।
তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০০ সালের জুন থেকে ২০২৬ সালের জুলাই পর্যন্ত আনিসুল হক নিজের নামে ৯৬ কোটি ৭৯ লাখ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন করেছেন। তার গ্রহণযোগ্য আয় ১৩ কোটি ২৮ লাখ টাকা থেকে পারিবারিক ব্যয় ৪ কোটি ৬৬ লাখ টাকা বাদ দিলে নিট সঞ্চয় হওয়ার কথা ৮ কোটি ৬১ লাখ টাকা। তদন্তে তার আত্মীয়দের নামে থাকা সম্পদসহ মোট ১৮০ কোটি ৮৬ লাখ টাকার সম্পদের সন্ধান পাওয়া গেছে, যার মধ্যে ১৭২ কোটি ২৪ লাখ টাকাই জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ। এছাড়া তার ও সংশ্লিষ্ট ২৩টি ব্যাংক হিসাবে মোট ৭৩৭ কোটি ২৪ লাখ টাকার সন্দেহজনক লেনদেনের তথ্য পাওয়া গেছে। এর মধ্যে ৩৭৫ কোটি ৫১ লাখ টাকা জমা এবং ৩৬১ কোটি ৭৩ লাখ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, ২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট ঢাকার সদরঘাট এলাকা থেকে আনিসুল হককে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারেই রয়েছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ডেঙ্গুতে একদিনে হাসপাতালে ভর্তির রেকর্ড, মৃত্যু ৭। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: হামের উপসর্গে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু, মোট ১০৪৪। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আড়াই লাখ কোটি টাকার ৩ মেট্রোরেল প্রকল্প একনেকে অনুমোদন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মশা নিধন ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা: সিন্ডিকেট-চাঁদাবাজি-ঘুষ লেনেদেনের অভিযোগে ডিএসসিসিতে অভিযান। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর মধ্যে ৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকার স্থাবর সম্পদ এবং ৯১ কোটি ৯২ লাখ টাকার অস্থাবর সম্পদ রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ১৮১ কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ: সাবেক আইনমন্ত্রী আনিসুলের বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট।