বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দলের দীর্ঘদিনের ব্যর্থতার পেছনে বোর্ডের অস্বস্তিকর সিদ্ধান্তকে দায়ী করলেন বিদায়ী প্রধান কোচ সারওয়ার ইমরান। এশিয়া কাপের পর এশিয়ান গেমসেও আশানুরূপ ফলাফল করতে ব্যর্থ হয়েছে নিগার সুলতানা জ্যোতির নেতৃত্বাধীন দল। জাপানে অনুষ্ঠিত এশিয়ান গেমসে পাকিস্তানের বিপক্ষে ৩১ রানে হেরে খালি হাতে ফিরতে হয়েছে বাংলাদেশকে। এই ভরাডুবির কারণ বিশ্লেষণ করতে গিয়ে ইমরান সরাসরি বিসিবির দিকে আঙুল তুলেছেন।
টুর্নামেন্ট চলাকালীন সময়ে দলের অধিনায়ক ও কোচকে পরিবর্তনের খবর বা ইঙ্গিত খেলোয়াড়দের ওপর কতটা প্রভাব ফেলে, সেটি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ইমরান। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, একটি চলমান টুর্নামেন্টের মাঝে যখন প্রধান কোচ ও অধিনায়কের বিদায়ের খবর আসে, তখন দলের কাছে ভালো কিছু প্রত্যাশা করা কঠিন। এশিয়া কাপ ও এশিয়ান গেমসের ঠিক মধ্যবর্তী সময়ে জ্যোতির নেতৃত্ব ছাড়ার ঘোষণা এবং নিজের চুক্তি নবায়ন না হওয়ার গুঞ্জন দলকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করেছে বলে মনে করেন তিনি।
দলের বাজে পারফরম্যান্সের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে ইমরান বলেন, সমস্যার সূত্রপাত আসলে এশিয়া কাপ থেকেই হয়েছে। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে একটি ক্লোজ ম্যাচ হারার পর থেকেই দলের ভেতরে অস্থিরতা তৈরি হয়। এমনকি ইন্দোনেশিয়া ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মতো অপেক্ষাকৃত দুর্বল দলের বিপক্ষেও বাংলাদেশ ১২০-১৩০ রান করতে হিমশিম খেয়েছে। সেই ব্যর্থতার রেশ এশিয়ান গেমসেও বয়ে বেড়িয়েছে তারা।
এশিয়ান গেমসের ব্রোঞ্জ মেডেল ম্যাচে পাকিস্তানের দেওয়া ১৪৬ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ মাত্র ১১৪ রান তুলতে সক্ষম হয়। হারের কারণ হিসেবে ব্যাটিংয়ের পাওয়ার প্লেতে ব্যর্থতাকে চিহ্নিত করেন কোচ। ইমরান জানান, ১৪৫ রানের মতো লক্ষ্য তাড়া করতে পাওয়ার প্লেতে ৪০ থেকে ৪৫ রান দরকার ছিল, যা বাংলাদেশ করতে পারেনি। এই পাওয়ার প্লের রানই তাদের ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়েছে।
এদিকে, অধিনায়ক জ্যোতির পদত্যাগ এবং দলের সামগ্রিক পারফরম্যান্সের উন্নতি না হওয়ায় বিসিবি এখন দেশি কোচের বদলে বিদেশি কোচ নিয়োগের দিকে ঝুঁকছে। শোনা যাচ্ছে, নারী দলের পরবর্তী প্রধান কোচ হিসেবে ডেভিড হেম্পের নাম চূড়ান্ত করেছে বোর্ড। অথচ বিদায়ী কোচ মনে করছেন, সঠিক পরিকল্পনার অভাব এবং বোর্ডের অহেতুক সিদ্ধান্তে মাঠের খেলোয়াড়রাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পড়ে আছে মহেশখালীর ৮ হাজার কোটি টাকার পাইপলাইন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এমনকি আমরা ইন্দোনেশিয়া এবং ইউএই-র মতো টিমের সাথেও ১২০-১৩০ করতে আমরা পারিনি। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দেশজুড়ে লোডশেডিংয়ের সবচেয়ে বড় ধাক্কা ময়মনসিংহে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আশুলিয়ায় বিস্ফোরণ: সিএনজি সিলিন্ডারে অবৈধভাবে পরিবহন করা হচ্ছিল গ্যাস। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ‘সব ধরনের অন্যায় ও অবিচারের পরও ইরানের জনগণ তাদের অবস্থানে অটল রয়েছে’।