বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে আফগানিস্তান ১৫ নভেম্বর থেকে দ্বিতীয় ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো’ আয়োজন করবে ইপিবি নারায়ণগঞ্জে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে বাবা ও ছেলে নিহত বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমল: প্রভাব ফেলছে জ্বালানি তেলের উত্তাপ ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট: ভোগান্তিতে রোগী ও স্বজন স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন নিহত ৩৬ দিন পর চুয়েটে সীমিত ক্লাসের সূচনা, সমাধানে ইউজিসির কমিটি রাঙ্গুনিয়ায় কৃষকের রহস্যজনক মৃত্যু: ঘটনার তদন্তে পুলিশ আইইডিসিআর পরিচালকের কার্যালয়ে ঢুকে মারধরের অভিযোগ ড্যাবের বিরুদ্ধে এলপিজির দাম ও চার্জ না বাড়াতে ক্যাবের দাবি

অভিনয়ের বাইরে জাফর ইকবালের সংগীতের ভুবন

Reporter Name / ৬৭ Time View
Update : শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ঢাকাই সিনেমার ড্যাশিং নায়ক জাফর ইকবালকে দর্শক মূলত তার স্টাইলিশ ও রোমান্টিক অভিনয়ের জন্য মনে রেখেছেন। তবে রুপালি পর্দার বাইরে সংগীতের সাথে তার ছিল গভীর সম্পর্ক। কেবল গিটার বাজানো নয়, আধুনিক গানের পাশাপাশি প্লেব্যাক শিল্পী হিসেবেও তিনি নিজের প্রতিভার স্বাক্ষর রেখেছেন। মাহফুজ আনামের কলাম / গণমাধ্যমকে সীমাবদ্ধ করবে খসড়া সাইবার আইন। অভিনয়ের পাশাপাশি গানও ছিল তার শিল্পীজীবনের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

১৯৫০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন এই শিল্পী। সংগীতের আবহ তিনি ছোটবেলা থেকেই পেয়েছেন তার বড় ভাই সংগীত পরিচালক আনোয়ার পারভেজ এবং বোন কণ্ঠশিল্পী শাহনাজ রহমত উল্লাহর কাছ থেকে। বাড়ির গানের আসরে তিনি বোনের সঙ্গে নিয়মিত তবলা বাজাতেন এবং গিটার হাতে সুর তুলতেন। ১৯৬৬ সালে সমমনা বন্ধুদের নিয়ে তিনি গঠন করেছিলেন ‘রোলিং স্টোন’ ব্যান্ড। পাশ্চাত্য সংগীতের কিংবদন্তি এলভিস প্রিসলি ছিলেন তার বড় অনুপ্রেরণা। এশিয়ান গেমসে আফগানিস্তানকে হারিয়ে নেপালের চমক। গিটার বাজিয়ে গান গাইতেন, ব্যান্ডও করেছিলেন। সংগীতের প্রতি তার আগ্রহ অবশ্য আরও আগে থেকেই।

১৯৬৯ সালে খান আতাউর রহমান পরিচালিত ‘আপন পর’ সিনেমার মাধ্যমে জাফর ইকবালের চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে। এরপর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে ১৯৭৮ সালে তিনি প্রথমবারের মতো নেপথ্য কণ্ঠশিল্পী হিসেবে যুক্ত হন দারশিকো পরিচালিত ‘ফকির মজনু শাহ’ সিনেমায়। রুনা লায়লার সঙ্গে গাওয়া ‘প্রেমের আগুনে জ্বলে গেলাম সজনী গো’ গানটির সুর করেছিলেন আলাউদ্দীন আলী এবং কথা লিখেছিলেন গাজী মাজহারুল আনোয়ার। বাংলাদেশের জার্সিতে অভিষেক হচ্ছে ফারহানের।

এর ছয় বছর পর ১৯৮৪ সালে নায়করাজ রাজ্জাক পরিচালিত ‘বদনাম’ সিনেমায় তিনি দ্বিতীয়বারের মতো প্লেব্যাক করেন। গাজী মাজহারুল আনোয়ারের কথায় গানটির সুর করেছিলেন আনোয়ার পারভেজ। এছাড়া বাংলাদেশ টেলিভিশনের ২৫ বছর পূর্তি অনুষ্ঠানে তিনি ‘এক হৃদয়হীনার কাছে হৃদয়ের দাম কি আছে’ গানটি পরিবেশন করেছিলেন, যা বেশ জনপ্রিয়তা পায়। আশির দশকে ‘কেন তুমি কাঁদালে’ শিরোনামে তার একটি অডিও অ্যালবামও প্রকাশিত হয়।

অভিনয় ক্যারিয়ারে জাফর ইকবাল প্রায় ১৫০টি সিনেমায় অভিনয় করেছেন। সত্তরের দশকে ‘সূর্য সংগ্রাম’ এবং ১৯৭৫ সালে মুক্তি পাওয়া ‘মাস্তান’ সিনেমার মাধ্যমে তিনি ড্যাশিং নায়ক হিসেবে জনপ্রিয়তা পান। এছাড়া ‘নয়নের আলো’, ‘অবুঝ হৃদয়’, ‘ভাই বন্ধু’, ‘অবদান’, ‘প্রেমিক’, ‘সাধারণ মেয়ে’, ‘দিনের পর দিন’, ‘বেদ্বীন’, ‘অংশীদার’, ‘মেঘ বিজলী বাদল’, ‘সাত রাজার ধন’, ‘আশীর্বাদ’, ‘অপমান’, ‘এক মুঠো ভাত’, ‘গৃহলক্ষ্মী’, ‘ওগো বিদেশিনী’, ‘নবাব’, ‘প্রতিরোধ’, ‘ফুলের মালা’, ‘সিআইডি’, ‘মর্যাদা’, ‘সন্ধি’, ‘বন্ধু আমার’ ও ‘উসিলা’র মতো অসংখ্য দর্শকনন্দিত সিনেমায় তিনি অভিনয় করেছেন।

তবে ব্যক্তিগত জীবনের শেষ দিকটা ছিল বিষাদময়। মাত্র ৪১ বছর বয়সে ১৯৯২ সালের ৮ জানুয়ারি মৃত্যুবরণ করেন এই গুণী শিল্পী। এছাড়াও সাম্প্রতিক এক আইনি ঘটনায় জানা যায়, মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় জাফর ইকবাল ও মাকসুদ কামালসহ ৫ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। এছাড়া বর্তমানে এসি বাসের ভাড়া ২০০ টাকা পর্যন্ত বাড়লেও বিআরটিএ সেই বিষয়ে কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পারছে না বলে খবর পাওয়া গেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা