বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতের মাধ্যমে টেকসই অর্থনীতি রূপান্তরের ডাক জাপান সফরে চার সমঝোতা স্মারক ও দুই অনুদান চুক্তি সই জুলাইয়ের চেতনা বাঁচিয়ে রাখলে চাঁদাবাজি সম্ভব নয়: ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনতেই হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন দেশে ডেঙ্গুতে একদিনে ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ২ হাজার জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে আফগানিস্তান ১৫ নভেম্বর থেকে দ্বিতীয় ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো’ আয়োজন করবে ইপিবি নারায়ণগঞ্জে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে বাবা ও ছেলে নিহত বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমল: প্রভাব ফেলছে জ্বালানি তেলের উত্তাপ ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট: ভোগান্তিতে রোগী ও স্বজন

মিরপুরে রাড্ডা এমসিএইচ ভাঙচুর: পুলিশের গাফিলতি খতিয়ে দেখছে কমিটি

Reporter Name / ৪৫ Time View
Update : রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রাজধানীর মিরপুর-১ এলাকায় অবস্থিত রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় পুলিশের দায়িত্ব পালনে কোনো গাফিলতি ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ এ তথ্য জানিয়েছেন। শনিবার বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করা পুলিশের দায়িত্বের অংশ। ঘটনার সময় পুলিশের ভূমিকা কী ছিল এবং থানা কাছে থাকা সত্ত্বেও কেন হামলা ঠেকানো সম্ভব হয়নি, তা তদন্ত প্রতিবেদনের মাধ্যমে বেরিয়ে আসবে। শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, এ ধরনের ঘটনা প্রতিরোধ করা পুলিশের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। ফলে পুরো ঘটনাটি কীভাবে ঘটেছে এবং ওই সময় পুলিশের ভূমিকা কী ছিল, তা পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

দারুসসালাম জোনের অতিরিক্ত উপকমিশনার সালেহ মুহম্মদ জাকারিয়াকে প্রধান করে গঠিত এই তদন্ত কমিটির রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ডিএমপি কমিশনার আরও জানান, ঘটনাস্থল দেখে মনে হয়েছে এত বড় পরিসরে ভাঙচুর ও স্থাপনা গুঁড়িয়ে দিতে বেশ সময়ের প্রয়োজন ছিল। এই দীর্ঘ সময়ে পুলিশের অনুপস্থিতি বা ভূমিকা নিয়ে যে প্রশ্ন উঠেছে, তার সুরাহা করাই এই কমিটির লক্ষ্য। অপরাধী কোনো নির্দিষ্ট দল বা মতের পরিচয়ে পার পাবে না, তাদের আইনের আওতায় আনাই পুলিশের প্রধান লক্ষ্য বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এদিকে, এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ইতোমধ্যে চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শাহ আলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জানিয়েছেন, গ্রেপ্তারকৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে অর্থের বিনিময়ে এ হামলায় অংশগ্রহণের তথ্য পাওয়া গেছে। তবে হামলা ও স্থাপনা ভাঙচুরের সময় পুলিশ কেন ঘটনাস্থলে থাকা সত্ত্বেও হামলাকারীদের প্রতিহত করেনি, তা নিয়ে স্পষ্ট ব্যাখ্যা মেলেনি। পলাতক অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে বর্তমানে অভিযান চলছে। তবে কেন তখন হামলাকারীদের থামানো বা আটক করা হয়নি, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে মিরপুর-১ এলাকার ওই স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রে মুখোশধারী একটি দল অতর্কিত হামলা চালায়। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, হামলাকারীরা নিরাপত্তাকর্মীদের জিম্মি করে ভেতরে প্রবেশ করে এবং ব্যাপক ভাঙচুরের পাশাপাশি বিভিন্ন সরঞ্জাম লুট করে নিয়ে যায়। এই ঘটনায় শাহ আলী থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা