বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৫২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতের মাধ্যমে টেকসই অর্থনীতি রূপান্তরের ডাক জাপান সফরে চার সমঝোতা স্মারক ও দুই অনুদান চুক্তি সই জুলাইয়ের চেতনা বাঁচিয়ে রাখলে চাঁদাবাজি সম্ভব নয়: ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনতেই হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন দেশে ডেঙ্গুতে একদিনে ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ২ হাজার জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে আফগানিস্তান ১৫ নভেম্বর থেকে দ্বিতীয় ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো’ আয়োজন করবে ইপিবি নারায়ণগঞ্জে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে বাবা ও ছেলে নিহত বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমল: প্রভাব ফেলছে জ্বালানি তেলের উত্তাপ ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট: ভোগান্তিতে রোগী ও স্বজন

প্রবীণদের মর্যাদা ও আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিতে বদ্ধপরিকর সরকার: প্রধানমন্ত্রী

Reporter Name / ৪৮ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬

আগামী ১ অক্টোবর ‘আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস ২০২৬’ উদযাপিত হতে যাচ্ছে। এই দিবসটি উপলক্ষে বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের প্রবীণ নাগরিকদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এবারের আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে— ‘দীর্ঘায়ুর যুগ: দীর্ঘ জীবন নিশ্চিত করতে ব্যবস্থাপনায় নতুন ভাবনা’।

বাণীতে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, চিকিৎসাবিজ্ঞানের অভূতপূর্ব উন্নতি ও মানুষের স্বাস্থ্যসচেতনতা বৃদ্ধির ফলে বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই দীর্ঘায়ু জীবনের নতুন সম্ভাবনা তৈরির পাশাপাশি প্রবীণদের স্বাস্থ্য সুরক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তা এবং পারিবারিক সহায়তার মতো বিষয়গুলোকে আরও আধুনিক ও সময়োপযোগী করার প্রয়োজনীয়তা তৈরি করেছে।

তারেক রহমান বলেন, প্রবীণদের স্বার্থরক্ষায় বর্তমান সরকার অত্যন্ত সচেতন এবং সতর্ক রয়েছে। একটি কল্যাণমুখী ও মানবিক রাষ্ট্র গড়ার লক্ষ্য নিয়ে সরকার প্রবীণদের সামাজিক নিরাপত্তা, আর্থিক সুরক্ষা এবং মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপন নিশ্চিত করতে বহুমুখী কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারে উল্লিখিত কল্যাণমুখী রাষ্ট্রের ধারণার আলোকেই দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীর সামাজিক সুরক্ষা জোরদার করা হচ্ছে।

প্রবীণ জনগোষ্ঠীর আর্থিক নিরাপত্তা প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী জানান, বয়স্ক ভাতার পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে এবং উপকারভোগীর সংখ্যাও সম্প্রসারণ করা হয়েছে। এছাড়া সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকারের অংশ হিসেবে ‘ফ্যামিলি কার্ড’-এর মাধ্যমে আর্থিক সহায়তা প্রদান, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবার পরিধি বাড়ানো এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনীকে সুসংহত করার কার্যক্রম নিরবচ্ছিন্নভাবে এগিয়ে চলছে। সরকার চায় বয়সে তরুণ বা প্রবীণ—প্রতিটি নাগরিক যেন তাদের সর্বোচ্চ সম্ভাবনাকে কাজে লাগিয়ে সমাজে মর্যাদার সঙ্গে বেঁচে থাকতে পারে।

দেশের ভিত্তিপ্রস্তর হিসেবে প্রবীণদের অবদানের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজকের বাংলাদেশ মূলত প্রবীণদের ত্যাগ, অভিজ্ঞতা ও প্রজ্ঞার ওপর ভিত্তি করেই দাঁড়িয়ে আছে। তাই একটি ন্যায়ভিত্তিক ও কল্যাণমূলক সমাজ বিনির্মাণে প্রবীণদের প্রতি যত্নশীল ও দায়িত্বশীল দৃষ্টিভঙ্গি থাকা একান্ত প্রয়োজন। তিনি পরিবার, সমাজ ও রাষ্ট্র—এই তিন স্তরেই প্রবীণদের প্রতি শ্রদ্ধা ও সহানুভূতি চর্চার আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, প্রবীণদের সামাজিক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় রাখা এবং তাদের সুস্বাস্থ্য বজায় রাখার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। জীবনচক্রভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে যাতে প্রবীণরা সমাজে নিজেদের সক্রিয় অংশগ্রহণের সুযোগ পায়। তবে তিনি জোর দিয়ে বলেন, রাষ্ট্রীয় উদ্যোগের পাশাপাশি আমাদের আবহমানকালের ধর্মীয়, সামাজিক ও পারিবারিক মূল্যবোধ সমুন্নত রাখা জরুরি। এই মূল্যবোধগুলো যত বেশি অটুট থাকবে, প্রবীণদের মর্যাদা ও যত্ন ততই সুরক্ষিত হবে। সবশেষে, তিনি ৩৬তম আন্তর্জাতিক প্রবীণ দিবস-২০২৬-এর সর্বাঙ্গীন সফলতা কামনা করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা