বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনতেই হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন দেশে ডেঙ্গুতে একদিনে ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ২ হাজার জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে আফগানিস্তান ১৫ নভেম্বর থেকে দ্বিতীয় ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো’ আয়োজন করবে ইপিবি নারায়ণগঞ্জে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে বাবা ও ছেলে নিহত বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমল: প্রভাব ফেলছে জ্বালানি তেলের উত্তাপ ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট: ভোগান্তিতে রোগী ও স্বজন স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন নিহত ৩৬ দিন পর চুয়েটে সীমিত ক্লাসের সূচনা, সমাধানে ইউজিসির কমিটি রাঙ্গুনিয়ায় কৃষকের রহস্যজনক মৃত্যু: ঘটনার তদন্তে পুলিশ

আমার আইকিউ সবচেয়ে বেশি: ট্রাম্প

Reporter Name / ৫৪ Time View
Update : শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের আইকিউ বা বুদ্ধিমত্তার মাত্রা সম্পর্কে এক অদ্ভূত দাবি করে আলোচনায় এসেছেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ওপেনএআইয়ের প্রধান নির্বাহী স্যাম অল্টম্যানকে বিশ্বাস করার প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, তার আইকিউ সবচেয়ে বেশি। নিজের এই উচ্চতর বুদ্ধিমত্তার কারণ হিসেবে তিনি তার প্রয়াত চাচা জন ট্রাম্পের জিন ও বুদ্ধিমত্তার উত্তরাধিকারী হওয়াকে দায়ী করেছেন। ট্রাম্পের দাবি, জেনেটিকস বা বংশগতি বিদ্যায় তিনি বিশ্বাস করেন এবং বিষয়টি বোঝেন। সম্প্রতি ‘টাইম’ সাময়িকীকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ইরানের যুদ্ধ এবং মূলধারার গণমাধ্যমের সঙ্গে বিরোধের পাশাপাশি এই প্রসঙ্গটিও তোলেন ট্রাম্প।

চাচা জন ট্রাম্প ও এমআইটি প্রসঙ্গ

ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, তার চাচা জন ট্রাম্প দীর্ঘ ৪১ বছর ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজিতে (এমআইটি) অধ্যাপক হিসেবে কাজ করেছেন। জন ট্রাম্প এমআইটির প্রকৌশল বিভাগের একজন খ্যাতিমান পদার্থবিদ ছিলেন। চিকিৎসায় রেডিয়েশনের প্রয়োগের ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ ১৯৮৫ সালে তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সম্মানজনক ‘ন্যাশনাল মেডেল অব সায়েন্স’ পদক অর্জন করেছিলেন। ট্রাম্পের ভাষ্যমতে, এমন একজন মেধাবী মানুষের জিন পেয়েছেন বলেই তিনি বর্তমানে উচ্চ বুদ্ধিমত্তার অধিকারী।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ট্রলের ঝড়

ট্রাম্পের এই দাবির পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তীব্র সমালোচনার ঝড় ওঠে। নেটিজেনরা জিন বা বংশগতি কীভাবে কাজ করে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। সমালোচকদের মতে, কারো চাচা বুদ্ধিমান হলেই যে তার ভাতিজাও একই মাত্রায় বুদ্ধিমান হবে, তা একেবারে অবৈজ্ঞানিক। বিভিন্ন মন্তব্যে নেটিজেনরা লিখেছেন, চাচা বাবা না হওয়ায় এমন দাবি কোনোভাবেই যৌক্তিক নয়। একজন ব্যবহারকারী ট্রাম্পের এই মন্তব্যকে উপহাস করে লিখেছেন, “কারও চাচা বুদ্ধিমান হলেই কেউ তার মতো বুদ্ধিমান হয়ে যায়—এটা একেবারে অবৈজ্ঞানিক।” আরেকজন ব্যবহারকারীর মন্তব্য ছিল, “চাচার বুদ্ধিমত্তা থাকলে ভাতিজার আইকিউ বেশি হয়ে যাবে, এমন অদ্ভুত দাবি কেবল ট্রাম্পেরই মানায়।” ট্রাম্পের এই জিনতত্ত্ব সংক্রান্ত ব্যাখ্যা বিজ্ঞান মহলে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে বেশ হাস্যরসের সৃষ্টি করেছে। তার চাচা যদি তার বাবা না হন, তবে তার বুদ্ধিমত্তা আসার কথা বাবা-মা বা দাদা-দাদির কাছ থেকে, চাচার কাছ থেকে নয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা