ক্রিস্তিয়ানো রোনালদোকে ঘিরে পর্তুগাল দলে চলমান আলোচনার মাঝে তার সতীর্থ ব্রুনো ফার্নান্দেজ রোনালদোর পক্ষ নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছেন। ডেনমার্কের বিপক্ষে নেশন্স লিগের ম্যাচে কোচ জর্জ জেসুস রোনালদোকে শুরুর একাদশে না রাখায় ৪১ বছর বয়সী এই তারকা বুধবার ক্যাম্প ছেড়ে চলে যান। রোনালদোকে ছাড়াই পর্তুগাল ম্যাচটি ৪-২ গোলে জিতে নেয়। এ ঘটনায় জাতীয় দলে তার ভবিষ্যৎ নিয়ে তৈরি হয়েছে নতুন অনিশ্চয়তা। গভীর রাতে ৪.৮ মাত্রার ভূমিকম্প, উৎপত্তিস্থল মিয়ানমারে। খরচ ও জটিলতা এড়াতে সমন্বিত লাইসেন্সিং ব্যবস্থা চান রেস্তোরাঁ মালিকেরা। রোনালদোকে ঘিরে দেশের মানুষ যেন পক্ষ-বিপক্ষে ভাগ হয়ে না যায়, সেই অনুরোধও করেছেন ফার্নান্দেজ, ‘আমরা এই বিতর্কের বাইরে আছি।
শনিবার সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে ফার্নান্দেজ বলেন, আমি ক্রিস্তিয়ানোর সাথে কথা বলেছি। তাকে যা বলেছি, তা হলো—যাই ঘটুক না কেন, ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো সবসময়ই আমাদের জাতীয় দল ও ফুটবলের সবচেয়ে বড় প্রতীক হয়ে থাকবেন। পর্তুগাল এবং বিশ্ব ফুটবলে তার অসামান্য অবদানের কারণেই তিনি এই সম্মানের দাবিদার। একই সঙ্গে ক্রিস আমাদের জাতীয় দলের সবচেয়ে বড় আইকন এবং সে সবার সম্মান পাওয়ার যোগ্য, কে তাকে বেশি পছন্দ করে বা কম পছন্দ করে, সেটি এখানে গুরুত্বপূর্ণ নয়।
রোনালদোর দল ছাড়ার সিদ্ধান্তের পর থেকেই পর্তুগালের ফুটবলপ্রেমীরা দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছেন। অনেকে তার সমালোচনা করছেন, আবার অনেকে সমর্থন দিচ্ছেন। ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের এই মিডফিল্ডার সমর্থকদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, রোনালদো সর্বকালের সেরাদের একজন এবং প্রতিটি পর্তুগিজ মানুষের হৃদয়ে তার বিশেষ স্থান রয়েছে। আমাদের এখনই বিভাজন তৈরি করা বন্ধ করতে হবে। পর্তুগালের জন্য সে যা করেছে, শুধু দেশে নয়, সারা বিশ্বে যা করেছে, তার জন্যই সে এই জায়গার দাবিদার।
জাতীয় দলের ভেতরের পরিবেশ নিয়ে ফার্নান্দেজ আরও পরিষ্কার করেন যে, দলের ভেতরে কোনো ধরনের বিভাজন নেই। তিনি জানান, তারা একটি দল হিসেবেই মাঠে থাকছেন এবং বাইরের যেকোনো গুজব বা বিতর্কের ঊর্ধ্বে তারা ঐক্যবদ্ধ। দেশকে দ্বিধাবিভক্ত না করে সবাইকে একে অপরের প্রতি সম্মান প্রদর্শনের অনুরোধও জানান তিনি।
এদিকে, পর্তুগাল রোনালদোকে ছাড়াই শেষ দুই ম্যাচে জয় পেয়েছে। ডেনমার্কের আগে নরওয়ের বিপক্ষেও তারা জয় তুলে নিয়েছে। আগামী রোববার নরওয়ের বিপক্ষে আবারও মাঠে নামবে পর্তুগাল। অন্যদিকে, রোনালদোর বিদায়ের পর তার আইকনিক ‘৭’ নম্বর জার্সিটি রাফায়েল লিয়াও পরবেন বলে জানা গেছে। কোচের সঙ্গে বিরোধের গুঞ্জনের মধ্যেই জরুরি বৈঠক শেষে রোনালদো ক্যাম্প ত্যাগ করেন, যার নেপথ্যের বিস্তারিত কারণ এখনো আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে।