বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতের মাধ্যমে টেকসই অর্থনীতি রূপান্তরের ডাক জাপান সফরে চার সমঝোতা স্মারক ও দুই অনুদান চুক্তি সই জুলাইয়ের চেতনা বাঁচিয়ে রাখলে চাঁদাবাজি সম্ভব নয়: ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনতেই হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন দেশে ডেঙ্গুতে একদিনে ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ২ হাজার জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে আফগানিস্তান ১৫ নভেম্বর থেকে দ্বিতীয় ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো’ আয়োজন করবে ইপিবি নারায়ণগঞ্জে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে বাবা ও ছেলে নিহত বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমল: প্রভাব ফেলছে জ্বালানি তেলের উত্তাপ ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট: ভোগান্তিতে রোগী ও স্বজন

সমঝোতার মাধ্যমেই অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা সম্ভব: অর্থমন্ত্রী

Reporter Name / ৩৭ Time View
Update : সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬

ব্যাংককে অনুষ্ঠিত বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের বার্ষিক সভা শেষে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, সংস্কার কর্মসূচি নিয়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে সরকারের আলোচনা ফলপ্রসূ হচ্ছে। সংস্কারের শর্তগুলো নিয়ে কিছু বিষয়ে মতপার্থক্য থাকলেও পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে তা দ্রুত সমাধান সম্ভব বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। সোমবার ১২ অক্টোবর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, একসঙ্গে সব সংস্কার চাপিয়ে না দিয়ে দেশের বাস্তব পরিস্থিতি অনুযায়ী পর্যায়ক্রমে তা বাস্তবায়নে আগ্রহী সরকার। এ জন্য সরকার প্রয়োজনীয় তহবিল বরাদ্দের ব্যবস্থা করেছে।

বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ‘কান্ট্রি পার্টনারশিপ ফ্রেমওয়ার্ক’ চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে, যা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সহযোগিতার একটি মজবুত ভিত্তি গড়ে দেবে। বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি খাতে সৃষ্ট বাড়তি ব্যয়ের চাপ মোকাবিলায় বিশ্বব্যাংকের বাড়তি ঋণ সহায়তা পাওয়ার বিষয়েও আশাবাদী সরকার। এছাড়া আগামী দুই থেকে তিন বছরের জন্য একটি আর্থিক সুরক্ষাবলয় তৈরিতেও সংস্থাটির সহযোগিতা পাওয়া যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

দেশের ব্যাংকিং খাতের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, আমানতকারীদের আগের উদ্বেগ অনেকটাই কেটে গেছে। বর্তমানে ব্যাংকে আমানত ফিরতে শুরু করেছে এবং নিট আমানতের পরিমাণ বাড়ছে। পাশাপাশি পুঁজিবাজারেও ইতিবাচক প্রবণতা দেখা যাচ্ছে এবং বিদেশি বিনিয়োগকারীরা পুনরায় বিনিয়োগে আগ্রহ প্রকাশ করছেন।

তবে ব্যাংকিং খাতের পূর্ণাঙ্গ পুনর্গঠন ও মূলধন জোগানের জন্য আগামী পাঁচ থেকে আট বছর প্রতিবছর প্রায় ১৬ হাজার কোটি টাকা প্রয়োজন হতে পারে। সরকারের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক অর্থ করপোরেশন (আইএফসি) এই মূলধন পুনর্গঠনে সহায়তা দেওয়ার আগ্রহ দেখিয়েছে। এছাড়াও বেসরকারি ইকুইটি বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে ভালো সাড়া পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী। তবে শুধু সরকারি অর্থায়নে এ চাহিদা পূরণ করা কঠিন।

জ্বালানি খাতের ভর্তুকি প্রসঙ্গে তিনি জানান, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তেল ও গ্যাসের দাম নিয়মিত সমন্বয় করা হলে ভর্তুকির প্রয়োজনীয়তা কিছুটা কমতে পারে। তবে এই সমন্বয় প্রক্রিয়ায় বিশ্বব্যাংকের সহযোগিতা নেওয়া হবে।

রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে অর্থমন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, ঘাটতি মোকাবিলায় গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপের সুফল মিলছে। ইতোমধ্যে আয়কর আদায়ে প্রায় ১৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অর্জিত হয়েছে, যা আগামীতে কর-জিডিপি অনুপাত বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা