বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতের মাধ্যমে টেকসই অর্থনীতি রূপান্তরের ডাক জাপান সফরে চার সমঝোতা স্মারক ও দুই অনুদান চুক্তি সই জুলাইয়ের চেতনা বাঁচিয়ে রাখলে চাঁদাবাজি সম্ভব নয়: ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনতেই হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন দেশে ডেঙ্গুতে একদিনে ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ২ হাজার জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে আফগানিস্তান ১৫ নভেম্বর থেকে দ্বিতীয় ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো’ আয়োজন করবে ইপিবি নারায়ণগঞ্জে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে বাবা ও ছেলে নিহত বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমল: প্রভাব ফেলছে জ্বালানি তেলের উত্তাপ ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট: ভোগান্তিতে রোগী ও স্বজন

দুই মাস পর ফেরার অপেক্ষায় থাকা সুইটির পরিণতি অজানা

Reporter Name / ১৫ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর, ২০২৬

সৌদি আরবে দুই প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ঘটনা সামনে আসার পর থেকে তোলপাড় শুরু হয়েছে। এর মধ্যে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের মহেরা ইউনিয়নের নগর ছাওয়ালী গ্রামের সুইটি আক্তারের পরিণতি নিয়ে তৈরি হয়েছে ঘোর অনিশ্চয়তা। সুইটির পরিবার দাবি করেছে, ১৫ দিন আগেও মেয়ে তাদের ফোন করে জানিয়েছিল যে দুই মাস পর সে বাড়িতে ফিরবে। এখন তারা মেয়ের ভাগ্য নিয়ে চরম উৎকণ্ঠায় রয়েছেন। পরিবারের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৪ বছর আগে সৌদি আরব যান টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের মহেরা ইউনিয়নের নগর ছাওয়ালী গ্রামের সুইটি আক্তার। প্রথম ৫ মাস বাড়িতে টাকাও পাঠান তিনি। জীবিত হোক, মৃত হোক আমি আমার মেয়েকে চাই।’।

প্রায় চার বছর আগে ধার-দেনা করে দেড় লাখ টাকা খরচ করে সুইটিকে সৌদি আরবে পাঠিয়েছিলেন তার বাবা দিনমজুর ফজল মিয়া। পাঁচ মেয়ের মধ্যে সবার ছোট সুইটি শুরুর দিকে নিয়ম করেই বাড়িতে টাকা পাঠাত। কিন্তু মাস পাঁচেক পর সে বাড়িতে ফোন করে জানায় যে তাকে কারাগারে বন্দি করা হয়েছে। সুইটির ভাষ্যমতে, মক্কায় অন্য নারীকর্মীদের সঙ্গে ঝগড়ার জেরে তাকে ফাঁসিয়ে জেলে দেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘ এক বছর তার কোনো খোঁজ না পাওয়ার পর সম্প্রতি সে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করে জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার আশার কথা শুনিয়েছিল। কিন্তু এখন প্রতিবেশীদের কাছ থেকে তারা মেয়েটির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের গুঞ্জন শুনতে পাচ্ছেন। বিভিন্ন জন বিভিন্নভাবে মতামত ও প্রতিবাদ করছেন। জানিয়েছিলেন জেল থেকে মুক্তি পাবেন কয়েক মাসের মধ্যেই। মঙ্গলবার সকালে সুইটির বাড়িতে বাড়িতে গিয়ে কয়েকজন প্রতিবেশীদের ভিড় দেখা যায়। ফজল মিয়া বলেন, ‘দালালের মাধ্যমে সৌদিতে চাকরির জন্য পাঠিয়েছিলাম মেয়েকে। কিন্তু কোর্টে তার বিচারের কথা বলেনি।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে সুইটির মা জহুরা বেগম বলেন, প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে মেয়ের সঙ্গে তাদের কোনো যোগাযোগ নেই। তিনি জানান, সরকার বা কোনো দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষ থেকে সুইটির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে তাদের আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানানো হয়নি। সুইটির বাবা ফজল মিয়া বলেন, মেয়ের ভাগ্যে ঠিক কী ঘটেছে এবং সে বেঁচে আছে কি না, তা নিয়ে তারা অন্ধকারেই আছেন। তারা এখন সরকারের কাছে বিষয়টি পরিষ্কার হওয়ার অপেক্ষায় রয়েছেন। এভাবেই কান্নাজড়িত কণ্ঠে কথাগুলো বলেন সম্প্রতি সৌদি আরবের মসজিদে অনৈতিক কাজের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ায় সুইটির মা জহুরা বেগম। যদিও এ ব্যাপারে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে পরিবারটিকে কিছু জানানো হয়নি। সে বেঁচে আছে, না মারা গেছে তাও আমরা জানি না। আমরা শুধু মানুষের কাছে উড়ো খবর শুনেছি।’।

ঘটনার সত্যতা সম্পর্কে জানতে চাইলে মহেরা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বিভাস সরকার নুপুর ও মির্জাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, সুইটির বিষয়ে সরকারের কোনো পর্যায় থেকে তাদের কাছে এখন পর্যন্ত কোনো তথ্য বা নির্দেশনা আসেনি। ফলে সুইটির পরিবারের মতো স্থানীয় প্রশাসনও নিশ্চিতভাবে কিছু বলতে পারছে না।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা