রাজশাহীর মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত এক বিশেষ সমাবেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত থেকে সরকারি প্রণোদনার চেক গ্রহণ করেছেন ১৫ জন আখচাষি। এই তালিকায় স্থান পেয়েছেন রাজশাহী-৬ (বাঘা-চারঘাট) আসনের সংসদ সদস্য আবু সাঈদ চাঁদও। কর্মসূচির অংশ হিসেবে তিনি ১২ হাজার ৫০০ টাকার একটি চেক গ্রহণ করেন। ডেঙ্গুতে একদিনে ৭ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ১৩৭৩। তালিকায় ৫৪৫ চাঁদাবাজ, ব্যবস্থা নিতে দ্বিধায় পুলিশ।
এ প্রসঙ্গে বিএনপির রাজশাহী বিভাগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক অ্যাডভোকেট শাহীন শওকত জানান, সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলেও আবু সাঈদ চাঁদ একজন নিবন্ধিত আখচাষি। তাই একজন সাধারণ কৃষক হিসেবেই তিনি এই সরকারি আর্থিক সুবিধা পাওয়ার যোগ্য। এই বিষয়টিকে নেতিবাচকভাবে দেখার কিছু নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন। টস জিতে ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশ, আলিসের অভিষেক।
শাহীন শওকত স্পষ্ট করেন যে নির্দিষ্ট নিয়ম ও যোগ্যতা বিবেচনা করেই সকল ধর্মের নারী ও পুরুষ কৃষককে এই প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে। এখানে কাউকেই কোনো অন্যায্য বা অতিরিক্ত অর্থ দেওয়া হয়নি। ইউনাইটেডে কোচ হওয়ার প্রশ্নের জবাব দিতে অস্বীকৃতি ফ্যাব্রেগাসের। কাউকে অন্যায্য বা বাড়তি টাকা দেওয়া এই উদ্যোগের উদ্দেশ্য নয়।
দেশের বিভিন্ন চিনিকল এলাকায় আখের সারির মাঝের ফাঁকা জায়গায় কৃষকেরা ডাল, বাঁধাকপি, আলু, পেঁয়াজ, আদা ও রসুনের মতো সাথী ফসল চাষ করছেন। দেশজুড়ে আখের জমিতে পড়ে থাকা বিপুল পরিমাণ অব্যবহৃত জায়গা কাজে লাগানোর লক্ষ্যেই সরকার এ সহায়তার ব্যবস্থা করেছে। সারা দেশে আখের সারির মাঝে কয়েক লাখ একর জমি অব্যবহৃত থাকে। ক্যানসার আক্রান্ত সুফিয়া বেগমের চিকিৎসার জন্য সহায়তার আবেদন।
দীর্ঘমেয়াদি ফসল আখের বৃদ্ধিকালীন সময়ে মাঝের খালি জায়গায় ছোলা ও আলুর মতো স্বল্পমেয়াদি ফসল ফলানো সম্ভব। এর ফলে কৃষকেরা বছরে দুই থেকে তিনটি অতিরিক্ত ফসল পাবেন, যা তাঁদের অর্থনৈতিকভাবে লাভবান করার পাশাপাশি বাজারে পণ্যের জোগান বাড়াতে সাহায্য করবে।
গত মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে সমাবেশস্থলে প্রযুক্তির সহায়তায় কম্পিউটারের বোতাম চেপে আখচাষিদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে সহায়তার অর্থ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী।
সরকার দেশের ১৫টি চিনিকল এলাকার মোট ৩৮ হাজার ৯৭০ জন আখচাষির সহায়তায় ১২ কোটি ২৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। নিবন্ধিত কৃষকদের অ্যাকাউন্টে এই অর্থ সরাসরি জমা হচ্ছে। নিষেধাজ্ঞার মধ্যেই যমুনায় চলছে ইলিশ শিকার, বিক্রিও হচ্ছে প্রকাশ্যে।
ডিজিটাল পদ্ধতিতে তহবিল হস্তান্তরের আনুষ্ঠানিকতা শেষে ১৫ জন চাষিকে মঞ্চে আমন্ত্রণ জানানো হয় এবং প্রধানমন্ত্রী তাঁদের হাতে সরাসরি চেক তুলে দেন। রাজশাহী সুগার মিলের প্রতিনিধি হিসেবে প্রথমেই এমপি আবু সাঈদ চাঁদের নাম ঘোষণা করা হয়।
মঞ্চে উপস্থিত থেকে চেক পাওয়া অপর ১৪ জন চাষি হলেন—আবদুল আউয়াল মালেক, আবদুল মান্নান মণ্ডল, ইমাজ উদ্দিন, মো. কাহার, গোলাম রব্বানী, সবিতা রানী, জালাল উদ্দিন মৃধা, জিয়াউল হক, মাহিদুল ইসলাম, আবদুল মাজেদ, নিরন্দ কুমার ঘোষ, শামীমুর রহমান, রিমা খাতুন ও রফিকুল ইসলাম।
এদিকে প্রণোদনা গ্রহণের বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাখ্যা দিয়েছেন আবু সাঈদ চাঁদ। তিনি লিখেছেন, বংশপরম্পরায় তিনি নিজে দীর্ঘ দিন ধরে আখ ও অন্যান্য কৃষিপণ্য উৎপাদনের সাথে যুক্ত এবং নিয়মিত চিনি কলে আখ সরবরাহ করে আসছেন। তিনি লিখেছেন, ‘আমি স্পষ্টভাবে জানাতে চাই, বাপ-দাদা থেকে শুরু করে আমি নিজেও দীর্ঘদিন ধরে আখ চাষ ও সরবরাহের সঙ্গে সম্পৃক্ত। সাংবাদিক আলিফ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার আরও ১। শুধু তা-ই না, আমি সব ধরনের কৃষিপণ্য উৎপাদন করে থাকি।’।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, রাজশাহী সুগার মিলে তাঁর আখ সরবরাহের সব তথ্য ও নথিপত্র যথাযথভাবে সংরক্ষিত রয়েছে। ফলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নথি যাচাই করলেই তাঁর এই কৃষি সম্পৃক্ততার সত্যতা পাওয়া যাবে।