গাজীপুরের শ্রীপুরে মাওনা চৌরাস্তায় উড়ালসড়কের নিচে দুই সন্তানের জননী এক নারীকে নির্যাতনের শিকার হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। শুক্রবার শ্রীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ শাহীনুর আলম মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। মাহফুজ আনামের কলাম / গণমাধ্যমকে সীমাবদ্ধ করবে খসড়া সাইবার আইন।
ভুক্তভোগী নারী পুলিশকে জানিয়েছেন, স্বামী পরিত্যক্ত হওয়ার পর তিনি দুই সন্তানকে নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন। ঘরভাড়ার টাকা পরিশোধ করতে না পারায় গত ২২ সেপ্টেম্বর বাড়ির মালিক তাকে বাসা থেকে বের করে দেন। নিরুপায় হয়ে ওই রাতে তিনি মাওনা চৌরাস্তায় উড়ালসড়কের নিচে আশ্রয় নেন।
নারীর অভিযোগ, সেখানে সোহরাব নামের এক পান দোকানদার তার দুর্দশার কথা জানতে পেরে সাহায্যের আশ্বাস দেন। এরপর আশ্রয় ও আর্থিক সহায়তার প্রলোভন দেখিয়ে সোহরাব তাকে নির্যাতন করেন। এ ঘটনার পর স্থানীয়রা দুজনকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেয়।
তদন্ত ও আইনি প্রক্রিয়া
- আসামি: সোহরাব নামের এক পান দোকানদার
- পুলিশি পদক্ষেপ: ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পান আড়তের দুইজন কর্মীকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় নেওয়া হয়েছে।
- বর্তমান অবস্থা: আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের পর আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং মূল অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।
- স্বাস্থ্য পরীক্ষা: ভুক্তভোগী নারীর স্বাস্থ্য পরীক্ষার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
সম্পর্কিত অন্যান্য তথ্য
- সাভার: মাদ্রাসাশিক্ষার্থী নির্যাতনের মামলার প্রধান আসামি গ্রেপ্তার।
- চট্টগ্রাম: ধর্ষণ মামলায় জাতীয় যুবশক্তির নেতা গ্রেপ্তার।
- জামালপুর: গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ নির্যাতনের ঘটনায় সাতজনের মৃত্যুদণ্ড।
- আদালত: শিশু আছিয়া নির্যাতন ও প্রাণহানি মামলার রায় পিছিয়ে ৩১ আগস্ট নির্ধারণ করা হয়েছে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে অবশ্যই জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত: ককটেল বিস্ফোরণ প্রসঙ্গে ডিএমপি কর্মকর্তা।
- এক্সপ্লেইনার / ৯ লাখ টাকার আপসনামা কি গাড়িচাপায় শ্রমিক নিহতের মামলা শেষ করে দিতে পারে।
- রংপুর অঞ্চলে অ্যানথ্রাক্সের হটস্পট গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ।
- জামালপুরে গৃহবধূকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ: ৭ জনের মৃত্যুদণ্ড।