ব্রিসবেনে টস জিতে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া অস্ট্রেলিয়ার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের সামনে শুরু থেকেই চাপে পড়ে বাংলাদেশ। ইনিংসের প্রথম বলেই অভিজ্ঞ ফারজানা হককে হারিয়ে টাইগ্রেসরা হোঁচট খায়। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট পতনে বাংলাদেশের ইনিংস ধুঁকতে থাকে। দলীয় ১১ রানে শারমিন সুলতানা এবং ৩৩ রানে শারমিন আক্তার সাজঘরে ফেরেন। শারমিন আক্তার ২৬ বলে ৫ চারে ২৪ রান করলেও বড় ইনিংস গড়তে পারেননি। সোবানা মোস্তারি ১৭ বল মোকাবিলা করেও মাত্র ২ রান করতে সক্ষম হন। ফারজানার বিদায়ের পর বাংলাদেশের ১১ রানের মাথায় শারমিন সুলতানা এবং ৩৩ রানের মাথায় শারমিন আক্তারকে সাজঘরে পাঠায় অজিরা। তবে অ্যালানা কিংয়ের দারুণ একটি ক্যাচে সাজঘরে ফিরতে হয় তাকে। ব্যাট হাতে হাল ধরতে পারেননি সোবনানা মোস্তারিও। তবে এই জুটিতে রান এগিয়েছে অনেক ধীরগতিতে।
উইকেট পতনের মিছিলে অধিনায়ক নিগার সুলতানা পঞ্চম উইকেটে রিতু মনির সঙ্গে ৩৫ রানের জুটি গড়েন। তবে মন্থর ব্যাটিংয়ে রানের গতি বাড়াতে ব্যর্থ হন তারা। শেষ পর্যন্ত ৮৬ বলে ২৯ রান করে ম্যাকগ্রার বলে আউট হন নিগার। এরপর অন্যপ্রান্ত আগলে লড়াই চালিয়ে যান রিতু মনি। দলীয় ১৫৯ রানে রান আউট হওয়ার আগে তিনি ৬৩ বলে ৪৫ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন। শেষদিকে স্বর্ণা আক্তার অপরাজিত ২০ এবং নাহিদা আক্তার অপরাজিত ১৯ রান করলে বাংলাদেশ ১৬৬ রানে পৌঁছায়। অন্যপ্রান্তে উইকেট পড়তে থাকলেও এক প্রান্তে রিতু আগলে থাকার চেষ্টা করেন।
অজি বোলারদের মধ্যে অ্যানাবেল সাদারল্যান্ড সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট শিকার করেন। সকালের কন্ডিশনের পূর্ণ সুবিধা নিয়ে অস্ট্রেলিয়া শুরু থেকেই বাংলাদেশি ব্যাটারদের পরীক্ষায় ফেলে এবং শেষ পর্যন্ত নিয়মিত উইকেট তুলে নিয়ে রানের গতি নিয়ন্ত্রণে রাখে।