আফগানিস্তানের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টের চতুর্থ দিনে দুর্দান্ত ব্যাটিং প্রদর্শনী দেখিয়েছেন লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজ। তাদের দুজনের ব্যাটে চড়ে নিজেদের দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশ লিড চারশ রানের সীমানা অতিক্রম করেছে। আবুধাবির জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সোমবার চতুর্থ দিনের প্রথম সেশনে ৬ উইকেট হারিয়ে বাংলাদেশ ৩৩৭ রান তুলেছে, যার ফলে শান্তদের মোট লিড দাঁড়িয়েছে ৪৪৩ রান। এর আগে প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের ৩৪৬ রানের বিপরীতে আফগানিস্তান ২৪০ রানে অলআউট হয়েছিল। বিশ্লেষণ / ব্যবসায়িক পরিকল্পনা চূড়ান্ত না করেই কেন একের পর এক উড়োজাহাজ কিনছে বিমান।
তৃতীয় দিন শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ৬ উইকেটে ২২৩ রান। সেখান থেকে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে লিটন ও মিরাজ আফগান বোলারদের ওপর রীতিমতো শাসন শুরু করেন। দিনের শুরুতেই লিটন অবশ্য ভাগ্যের সহায়তা পেয়েছেন। ব্যক্তিগত ১৪ রানে কায়েস আহমেদের বলে স্লিপে শাহিদউল্লাহ কামালের হাতে সহজ ক্যাচ দিয়েও বেঁচে যান তিনি। এর কিছুক্ষণ পর ২৬ রানে থাকার সময় আবারও কায়েসের বলেই ফিরতি ক্যাচ দিয়ে রক্ষা পান এই ব্যাটার। চুয়েট শাটডাউন: ‘তালা ভেঙে’ নিজ দপ্তরে প্রবেশ করলেন নতুন উপাচার্য। দুই প্রান্ত থেকে স্পিন আক্রমণ শুরু করলেও বাংলাদেশের এই উইকেটকিপার ব্যাটারকে আটকে রাখতে পারেননি আফগানরা। অবশ্য দিনের প্রথম ২০ মিনিটেই দুবার জীবন পান লিটন। এবার নিজের বলের ক্যাচ নিজেই নিতে ব্যর্থ হন আফগান স্পিনার।
জীবন পাওয়ার পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি লিটনকে। সেলিমের বলে স্কয়ার লেগ দিয়ে চার হাঁকিয়ে নিজের ক্যারিয়ারের ২২তম টেস্ট ফিফটি তুলে নেন তিনি। একই সঙ্গে পঞ্চম বাংলাদেশি ব্যাটার হিসেবে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ৯ হাজার রানের মাইলফলক অর্জনের কৃতিত্ব দেখান লিটন। প্রথম ইনিংসে ৫৩ রান করা লিটন দ্বিতীয় ইনিংসেও দলকে বড় সংগ্রহের দিকে এগিয়ে নিচ্ছেন। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে তুলে নিয়েছেন দারুণ এক ফিফটি।
লিটনের সঙ্গে দুর্দান্ত সঙ্গ দিচ্ছেন মিরাজ। চতুর্থ দিনের প্রথম ঘণ্টায় কোনো উইকেট না হারিয়েই ১৪ ওভারে ৬২ রান যোগ করেছে বাংলাদেশ। অষ্টম উইকেটের এই অবিচ্ছিন্ন জুটিতে এখন পর্যন্ত ১১৪ রান এসেছে। যেখানে লিটন ৮১ রানে অপরাজিত আছেন এবং মিরাজের সংগ্রহ ৩৮ রান। আগের দিন ৫ রানে অপরাজিত থাকা লিটনের সঙ্গী ছিলেন মিরাজ।
ম্যাচের শুরুর দিকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাটিং করতে নেমে বাংলাদেশ কিছুটা চাপে পড়েছিল। সাদমান ইসলাম ১৩, তানজিদ হাসান তামিম ৩১ এবং মুমিনুল হক মাত্র ৭ রান করে আউট হলে দ্রুত ৩ উইকেট হারায় টাইগাররা। এরপর শান্ত ও মুশফিকুর রহিম মিলে ১৫৯ রানের একটি বড় জুটি গড়ে পরিস্থিতি সামাল দেন। শান্ত ৮২ এবং মুশফিক ৮১ রান করে আউট হন। তাদের বিদায়ের পর হাসান মাহমুদও দ্রুত ফিরে যান। তবে লিটন ও মিরাজ সব চাপ কাটিয়ে দলকে এক বড় লক্ষ্যের দিকে নিয়ে যাচ্ছেন।
উল্লেখ্য, এছাড়া অন্য প্রাসঙ্গিক ঘটনার মধ্যে ২১ জানুয়ারি থেকে প্রথম ধাপের ইউপি নির্বাচন শুরু হতে যাচ্ছে। পাশাপাশি গাজীপুরে এক ব্যক্তি অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যার পর ৯৯৯ নম্বরে ফোন করার মতো মর্মান্তিক ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। তবে খেলার মাঠের এই পরিস্থিতি এখন শান্ত ও মুশফিকের গড়া ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে আরও শক্তিশালী হয়েছে।