আবুধাবি টেস্টে উইকেটরক্ষক ও ব্যাটার হিসেবে অসাধারণ নৈপুণ্য প্রদর্শন করেছেন লিটন দাস। ম্যাচে প্রতিপক্ষের ব্যাটার ইকরাম আলিখিলের ক্যাচটি গ্লাভসবন্দি করার মধ্য দিয়ে দেড় শ বছরের টেস্ট ইতিহাসে এক বিরল বিশ্ব রেকর্ডে নাম লিখিয়েছেন তিনি। ইবাদত হোসেনের করা লেগ স্টাম্পের বাইরের বলটি বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে পড়ে দুর্দান্তভাবে তালুবন্দি করেন এই বাংলাদেশি তারকা। দীর্ঘ লড়াইয়ে মোদি-শাহ, আরএসএস-বিজেপি, বিরোধী-জেন জি।
এই ক্যাচটি নেওয়ার সাথে সাথে আবুধাবি টেস্টের দুই ইনিংস মিলিয়ে লিটনের মোট ডিসমিসালের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৯টিতে। বল হাতে ইবাদত ও স্পিনারদের পাশাপাশি লিটনের এই পারফরম্যান্স বাংলাদেশকে গুরুত্বপূর্ণ স্বস্তি দিয়েছে। উল্লেখ্য যে, এই টেস্টের প্রথম ইনিংসে ফিফটি এবং দ্বিতীয় ইনিংসে সেঞ্চুরির ঝলক দেখিয়েছেন তিনি।
একই ম্যাচে কিপিংয়ের সুবাদে ৯টি ডিসমিসালের পাশাপাশি সেঞ্চুরি ও ফিফটি করার ঘটনা বিশ্ব ক্রিকেটে এটিই প্রথম। এর আগে ১৯৬৬ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার ডেনিস লিন্ডসি অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে ম্যাচে ৬৯ ও ১৮২ রান করার পাশাপাশি ৮টি ডিসমিসাল করেছিলেন। লিন্ডসির সেই পুরোনো রেকর্ডকে এবার টপকে গেলেন লিটন। একই টেস্টে কিপিংয়ে ৯ ডিসমিসালের সঙ্গে সেঞ্চুরি ও ফিফটি করা প্রথম ক্রিকেটার তিনি।
তবে লিটনের অর্জনের তালিকা এখানেই শেষ নয়, সামনে আরও বড় রেকর্ডের হাতছানি রয়েছে তাঁর। কোনো একটি টেস্ট ম্যাচে সর্বোচ্চ ১১টি ডিসমিসালের রেকর্ড বর্তমানে যৌথভাবে ইংল্যান্ডের জ্যাক রাসেল, দক্ষিণ আফ্রিকার এবি ডি ভিলিয়ার্স ও ভারতের রিশভ পন্তের দখলে রয়েছে। বেড়েছে চালের দাম, কারণ জ্বালানি ও ধানের মূল্যবৃদ্ধি, মৌসুমের শেষ।
লিটন দাস যদি আগামীতে আর মাত্র দুটি ডিসমিসাল করতে পারেন, তবে তিনি বর্তমানের তিন কিপারের রেকর্ডের পাশে নিজের নাম লেখাবেন। আর যদি তিনি আরও তিনটি ডিসমিসাল নিশ্চিত করতে পারেন, তবে এককভাবে বিশ্ব রেকর্ডের মালিক বনে যাবেন এই বাংলাদেশি উইকেটরক্ষক।
টেস্টের শেষ দিনে জয় তুলে নেওয়ার ক্ষেত্রে স্পিনারদের ওপর বড় ভরসা রাখছেন লিটন। মূলত তাঁর ব্যাটের তেজ এবং উইকেটের পেছনে ক্ষিপ্রতা আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশকে বড় লক্ষ্য দেওয়ার পথে বড় ভূমিকা রেখেছে।