বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
সুন্দরবনে দাদা ভাই বাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলি, জিম্মি ৫ জেলে উদ্ধার বাংলাদেশের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারত্ব বাড়াতে অঙ্গীকার জাপানের প্রধানমন্ত্রীর রিজভীর: আইজিপি সরকারের অংশ হয়ে ক্রসফায়ারের কথা সাগর-রুনি হত্যায় জিয়াউল ও রোকেয়া প্রাচীর সম্পৃক্ততার আভাস, মিলল বাড়তি সময় বকেয়া বেতনের দাবিতে উত্তাল চালডালের যশোর অফিস মাদুশাঙ্কার দুর্দান্ত বোলিংয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে শ্রীলঙ্কা আইজিপির বক্তব্য সরকারকে বিব্রত করবে: রুহুল কবির রিজভী নিয়মিত বাগান করলে কমে মৃত্যুঝুঁকি, বলছে নতুন গবেষণা দেশে ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ ১১ জনের মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৪০০ আইজিপির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: জাহেদ উর রহমান

শীতে পানিশূন্যতা রোধে যেসব লক্ষণে সতর্ক হওয়া জরুরি

Reporter Name / ১০ Time View
Update : সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২৬

শীতকালে আবহাওয়া শীতল থাকায় স্বাভাবিকভাবেই আমাদের শরীরে তৃষ্ণার অনুভূতি কমে আসে। ফলে অনেকেই দীর্ঘসময় পানি পান করার কথা ভুলে যান বা পানির চাহিদাকে উপেক্ষা করেন। চিকিৎসকদের মতে, আবহাওয়ার এই পরিবর্তনের কারণে অজান্তেই শরীরে পানিশূন্যতা বা ডিহাইড্রেশনের সমস্যা তৈরি হতে পারে। শরীর স্বাভাবিক কাজ করার জন্য যে পরিমাণ পানি প্রয়োজন, তা না পেলে বিভিন্ন স্বাস্থ্যগত জটিলতা দেখা দেওয়া অস্বাভাবিক নয়।

পানিশূন্যতার লক্ষণগুলো আগেভাগে বুঝে নেওয়া সুস্থ থাকার প্রথম ধাপ। যখন শরীর পর্যাপ্ত পানি পায় না, তখন প্রস্রাবের রঙের পরিবর্তন লক্ষ্য করা যায়। সাধারণত প্রস্রাব গাঢ় হলুদ রঙের হলে বুঝতে হবে শরীরে পানির অভাব রয়েছে। এছাড়া মুখ শুকিয়ে যাওয়া বা জিহ্বা ও গলা শুষ্ক মনে হওয়া ডিহাইড্রেশনের অন্যতম প্রাথমিক উপসর্গ। ক্লান্তি ও অবসাদও এর বড় লক্ষণ। শরীরে পর্যাপ্ত পানির অভাবে রক্ত সঞ্চালন ও অভ্যন্তরীণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গের স্বাভাবিক গতিপ্রকৃতি বাধাগ্রস্ত হয়, যার ফলে খুব দ্রুত ক্লান্তি অনুভূত হয়।

ত্বকের ওপরও এর প্রভাব দৃশ্যমান হয়। পানিশূন্যতায় ত্বক নিষ্প্রভ, খসখসে বা টানটান হয়ে যেতে পারে। এছাড়া অনেকের ক্ষেত্রে মাথাব্যথা বা মাথা ঘোরানোর মতো সমস্যাও দেখা দেয়। পানি কম পানের কারণে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কিছুটা হ্রাস পেতে পারে, যা মনোযোগের অভাব বা ঝিমুনি ভাব সৃষ্টি করে। এমনকি কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যাও অনেক সময় পানির ঘাটতির কারণে দীর্ঘস্থায়ী আকার ধারণ করে।

বিশেষজ্ঞরা পরামর্শ দেন, শীতকাল হলেও তৃষ্ণার অপেক্ষায় না থেকে নিয়মিত বিরতিতে পানি পান করা উচিত। পানির পাশাপাশি তরল জাতীয় খাবার, ডাবের পানি, তাজা ফলের রস বা স্যুপ ডায়েটে রাখা যেতে পারে। শারীরিক সচেতনতা ও পর্যাপ্ত পানি পানের অভ্যাস গড়ে তোলার মাধ্যমে শীতেও শরীরকে আর্দ্র রাখা ও বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা থেকে মুক্ত থাকা সম্ভব। তাই পানিশূন্যতার যেকোনো উপসর্গ দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত পানির পরিমাণ বাড়িয়ে দেওয়া এবং প্রয়োজনে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা