বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
দেশে ডেঙ্গুতে একদিনে ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ২ হাজার জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে আফগানিস্তান ১৫ নভেম্বর থেকে দ্বিতীয় ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো’ আয়োজন করবে ইপিবি নারায়ণগঞ্জে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে বাবা ও ছেলে নিহত বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমল: প্রভাব ফেলছে জ্বালানি তেলের উত্তাপ ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট: ভোগান্তিতে রোগী ও স্বজন স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন নিহত ৩৬ দিন পর চুয়েটে সীমিত ক্লাসের সূচনা, সমাধানে ইউজিসির কমিটি রাঙ্গুনিয়ায় কৃষকের রহস্যজনক মৃত্যু: ঘটনার তদন্তে পুলিশ আইইডিসিআর পরিচালকের কার্যালয়ে ঢুকে মারধরের অভিযোগ ড্যাবের বিরুদ্ধে

টরন্টো ফোবানা সম্মেলনে অনুপস্থিত শীর্ষ নেতারা, সংগঠনের ঐক্য নিয়ে বাড়ছে প্রশ্ন

Reporter Name / ৮৫ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ১০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

কানাডার টরন্টোয় তিন দিনব্যাপী ৪০তম ফোবানা সম্মেলন শেষ হয়েছে। ৪ থেকে ৬ সেপ্টেম্বর ডন ভ্যালি হোটেল অ্যান্ড সুইটসে আয়োজিত এই সম্মেলনে হাজারো প্রবাসী বাংলাদেশি, দেশি-বিদেশি শিল্পী ও অতিথিরা অংশ নেন। বাংলাদেশি সংস্কৃতির নানা আয়োজনে মুখর থাকলেও, এই সম্মেলন ঘিরে সংগঠনের ঐক্য ও ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন করে বিতর্ক দানা বেঁধেছে।

সম্মেলনটির আয়োজক কমিটির দায়িত্ব পালন করেছেন কনভেনর দেওয়ান আজিম ও খোকন রহমান এবং মেম্বার সেক্রেটারি জহুরুল ইসলাম ও জাহিদ চৌধুরী। তবে এই আয়োজনে সংগঠনের কেন্দ্রীয় পর্যায়ের শীর্ষ নেতাদের অনুপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো। ২০২৫ সালের জন্য ঘোষিত নির্বাহী কমিটির চেয়ারম্যান গিয়াস আহমেদ, এক্সিকিউটিভ মেম্বার সেক্রেটারি ফিরোজ আহমেদ এবং সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান কাজী সাখাওয়াত হোসেন আজম—এই তিন নেতার কেউই টরন্টোয় উপস্থিত ছিলেন না।

৪০তম বর্ষের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ ও প্রতীকী সম্মেলনে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের এমন অনুপস্থিতি কমিউনিটির একাংশের মধ্যে গভীর বিস্ময় ও প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। অনেকে প্রশ্ন তুলছেন, যে সম্মেলনকে ‘ইতিহাসের বৃহত্তম’ বা ‘সেরা ফোবানা’ হিসেবে দাবি করা হচ্ছে, সেখানে কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান ও নির্বাহী সচিবের অনুপস্থিতি হোস্ট কমিটির সাথে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সমন্বয়ের অভাবকেই স্পষ্ট করে কি না।

ফোবানার এই সংকট কেবল টরন্টো সম্মেলনেই সীমাবদ্ধ নয়। এবার লেবার ডে উইকেন্ডে একই সময়ে টরন্টো, নিউইয়র্ক, লস অ্যাঞ্জেলেস ও অরল্যান্ডো—এই চার শহরে চারটি পৃথক পক্ষ ‘৪০তম ফোবানা’ আয়োজন করেছে। ১৯৮০-এর দশকে উত্তর আমেরিকার প্রবাসীদের এক প্ল্যাটফর্মে আনা, নতুন প্রজন্মের কাছে নিজস্ব সংস্কৃতি তুলে ধরা এবং পারস্পরিক যোগাযোগ বৃদ্ধির যে লক্ষ্য নিয়ে ফোবানার যাত্রা শুরু হয়েছিল, তা এখন প্রশ্নের মুখে।

প্রবাসী কমিউনিটির একাংশের অভিযোগ, উত্তর আমেরিকার বাংলাদেশিদের ঐক্যের প্রতীক হিসেবে পরিচিত ফোবানা এখন ব্যক্তিকেন্দ্রিক নেতৃত্ব, প্রভাব বিস্তার এবং ‘কে আসল ফোবানা’—এই বিতর্কের গোলকধাঁধায় আটকে পড়েছে। ৪০তম বর্ষে এসে ফোবানার সামনে এখন বড় চ্যালেঞ্জ কেবল দর্শক সমাগম বা তারকা শিল্পীদের উপস্থিতি নয়, বরং সংগঠনের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখা। একই সপ্তাহান্তে চার শহরে চারটি পৃথক সম্মেলনের আয়োজন আগামী প্রজন্মের কাছে ফোবানার পরিচয় ও গ্রহণযোগ্যতাকে সংকটের মুখে ঠেলে দিচ্ছে বলে মনে করছেন সচেতন প্রবাসীরা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিন ফোবানা এবং ‘টেস্ট অব বাংলাদেশ’-এর যৌথ উদ্যোগে ড্যানফোর্থ রোড ও বার্চমাউন্ট রোড এলাকায় বড় আকারের উন্মুক্ত বাংলাদেশি মেলার আয়োজন করা হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সেখানে খাবার, পোশাক, গয়না ও দেশীয় পণ্যের স্টলের পাশাপাশি সংগীত ও নৃত্যানুষ্ঠান ছিল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আবু জুবায়ের দারা, এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি ফিরোজ আহমেদ, জয়েন্ট এক্সিকিউটিভ সেক্রেটারি শাহাব উদ্দিন সাগর এবং স্থানীয় আয়োজকদের নাম সামনে আসে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সম্মেলনের প্রথম দিন বাংলাদেশের সংস্কৃতি, বিনোদন ও ক্রীড়াঙ্গনের কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তিকে আজীবন সম্মাননা দেওয়া হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তাঁদের মধ্যে ছিলেন কিংবদন্তি অভিনেত্রী ফরিদা আখতার ববিতা, জাদুশিল্পী জুয়েল আইচ, সাবেক ফুটবলার এনায়েতুর রহমান এবং অভিনেত্রী শান্তা ইসলাম। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: উদ্বোধনী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে গান পরিবেশন করেন সেলিম চৌধুরী ও আঁখি আলমগীরসহ বাংলাদেশ ও টরন্টোর স্থানীয় শিল্পীরা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সমাপনী দিনে মঞ্চ মাতান ডলি সায়ন্তনী, ফকির সাহাবুদ্দিন ও শাহনাজ বেলী, রানো নেওয়াজ, অনিক রাজ প্রমুখ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা