আবুধাবির জায়েদ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে সিরিজের একমাত্র টেস্টের তৃতীয় দিনে আফগানিস্তানের বিপক্ষে দৃঢ়তার পরিচয় দিচ্ছেন বাংলাদেশের ব্যাটাররা। দ্বিতীয় ইনিংসে চা-বিরতি পর্যন্ত ৩ উইকেট হারিয়ে ১২৪ রান সংগ্রহ করেছে বাংলাদেশ। এর ফলে আফগানদের বিপক্ষে বাংলাদেশের লিড দাঁড়িয়েছে ২৩০ রানে। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশ বোলাররা আফগানিস্তানের ইনিংস ২৪০ রানে গুটিয়ে দিয়ে বড় সংগ্রহের পথ তৈরি করে দিয়েছিলেন। রাষ্ট্র নাগরিকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে নেমেছে, লড়াই চলবে: সংবাদ সম্মেলনে ককরোচরা। ডেঙ্গুতে একদিনে হাসপাতালে ভর্তির রেকর্ড, মৃত্যু ৪। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সোবহানার রেকর্ডময় সেঞ্চুরি। লিচফিল্ড-জর্জিয়ার ঝড়ে ম্লান সোবহানার রেকর্ডময় সেঞ্চুরি। প্রথম ইনিংসে অল্পের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া করা এই ওপেনার দ্বিতীয় ইনিংসেও শুরু করেছিলেন সাবলীলভাবে।
দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের শুরুটা বেশ ছন্দময় হলেও দলীয় ৫৩ রানের মধ্যে তিন ব্যাটারকে হারিয়ে বিপদে পড়েছিল সফরকারীরা। তবে সেই কঠিন পরিস্থিতি থেকে দলকে টেনে তুলেছেন মুশফিকুর রহিম ও অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। চা-বিরতি পর্যন্ত এই অবিচ্ছিন্ন চতুর্থ উইকেট জুটিতে তারা দুজন মিলে যোগ করেছেন ৭১ রান। ব্যাটিংয়ের সময় বেশ সতর্ক ছিলেন এই জুটি। একটি পর্যায়ে জিয়াউর রহমানের বলে এলবিডব্লিউর শিকার হয়ে সাজঘরে ফেরার উপক্রম হয়েছিল শান্তর, তবে রিভিউ নিয়ে সফলভাবে রক্ষা পান তিনি। তবে এই জুটি ভাঙার সুযোগ পেয়েছিল আফগানিস্তান। এলবিডব্লিউর আবেদনে আঙুল তোলেন আম্পায়ার।
এর আগে দ্বিতীয় সেশনে ব্যাটিংয়ে নেমে তানজিদ হাসান সাবলীলভাবে এগোলেও ইনিংস লম্বা করতে পারেননি। ব্যক্তিগত ৩১ রানে ইয়ামিন আহমদজাইয়ের শিকার হয়ে তিনি সাজঘরে ফেরেন। এর আগে দলীয় উদ্বোধনী জুটিতে সাদমান ইসলামের সঙ্গে ৩১ রান যোগ করেন তানজিদ। তবে সাদমান ইসলাম মোহাম্মদ সেলিমের বাউন্সারে ১৩ রানে ক্যাচ দিয়ে আউট হন। এছাড়া মুমিনুল হক দ্রুত বিদায় নেন মাত্র ৭ রান করে, দলীয় ৪৪ রানে তিনিও ইয়ামিন আহমদজাইয়ের বলে প্রথম স্লিপে ক্যাচ দেন।
প্রথম ইনিংসে রানের খাতা খুলতে ব্যর্থ হওয়া মুশফিকুর রহিম দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট হাতে বেশ পরিণত ভূমিকা রাখছেন। তার সঙ্গে দলের হাল ধরেছেন অধিনায়ক শান্ত। দলীয় ৫৩ রানে তিন উইকেট পতনের পর তাদের ব্যাটে ভর করে লিড এখন আড়াইশর দিকে এগোচ্ছে। এর আগে আফগানিস্তানের বিপক্ষে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ৫ রানে ৩ উইকেট হারানোর পর লিটন ও মিরাজের প্রতিরোধ এবং দুবাইয়ের ৪৫ ডিগ্রি উত্তাপে ইবাদত হোসেনের টিকে থাকার পরামর্শের বিষয়টি ম্যাচের গুরুত্ব বাড়িয়েছে। এছাড়া ডেঙ্গু সংক্রান্ত অন্য সংবাদের মাঝে এই টেস্টের অগ্রগতি এখন ক্রীড়াপ্রেমীদের নজরে রয়েছে।