কিলিয়ান এমবাপের অসাধারণ প্রতিভা ও ফুটবলীয় রেকর্ড নিয়ে কোনো সন্দেহ নেই জঁ-পিয়ের পাপাঁর। তবে ব্যক্তিগত মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার ব্যালন ডি’অর জয়ের বিষয়ে এমবাপের সাম্প্রতিক আত্মকেন্দ্রিক মনোভাব একেবারেই মেনে নিতে পারছেন না ফ্রান্সের সাবেক এই কিংবদন্তি। পাপাঁর মতে, পুরস্কারের আলোচনায় এমবাপের প্রতিটি কথায় যেন কেবল ‘আমি, আমি আর আমি’র প্রতিফলন ঘটছে, যা তার দৃষ্টিতে অত্যন্ত অস্বস্তিকর। চকবাজারের আগুন ১২ ঘণ্টা পর নিয়ন্ত্রণে, হাসপাতালে ৪ ফায়ার ফাইটার। বেড়েছে চালের দাম, কারণ জ্বালানি ও ধানের মূল্যবৃদ্ধি, মৌসুমের শেষ। এর মধ্যেই এমবাপের সাম্প্রতিক মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন অনেকেই। তবে সমালোচনা করলেও এমবাপের সামর্থ্যকে খাটো করেননি একসময় মার্শেইয়ের হয়ে খেলা এই কিংবদন্তি।
ফরাসি সংবাদমাধ্যম ‘ফুট মেরকাতো’-তে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পাপাঁ এমবাপের প্রতি নিজের শ্রদ্ধার কথা জানালেও এই আচরণের তীব্র সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, কিলিয়ানকে আমি অনেক শ্রদ্ধা করি এবং তার অসংখ্য রেকর্ড রয়েছে। কিন্তু একটি পর্যায়ের পর সবকিছু শুধু তাকে ঘিরেই আবর্তিত হতে পারে না। কে ব্যালন ডি’অর জিতবেন, সেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া ভোটারদের কাজ, খেলোয়াড়ের নিজের নয়। মোংলা বন্দর আধুনিকায়নে চীনের সঙ্গে সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকার ঋণচুক্তি সই।
এমবাপে কিছুদিন আগে এক মন্তব্য করেছিলেন যে, তাকে ছাড়া অন্য কেউ ব্যালন ডি’অর পাওয়ার যোগ্য নন। এই প্রসঙ্গের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়ে পাপাঁ বলেন, সে একসময় দাবি করেছিল যে, তাকে ছাড়া ব্যালন ডি’অর পাওয়ার মতো যোগ্য আর কেউ নেই। আমার কাছে এটি মাত্রাতিরিক্ত বাড়াবাড়ি বলে মনে হয়েছে। ঢাকা থেকে সৌদিগামী ৬১ ফ্লাইট স্থগিত, ভোগান্তিতে ৮৩৮১ যাত্রী।
পাপাঁ মনে করিয়ে দিয়েছেন, ব্যালন ডি’অর কেবল খেলোয়াড়ের নিজের মূল্যায়নের বিষয় নয়। এটি জেতার জন্য নির্দিষ্ট অনেকগুলো মানদণ্ড রয়েছে যা ভোটাররা বিবেচনা করেন। এমবাপের সামর্থ্য যে এই পুরস্কার পাওয়ার মতো, তা নিয়েও পাপাঁর সন্দেহ নেই। তবে মাঠের বাইরে এমবাপে নিজের যে ভাবমূর্তি তৈরি করছেন, তা তার মূল্যায়নের ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে বলে ধারণা তার।
নিজে ১৯৯১ সালে ব্যালন ডি’অর জিতলেও এবার নিজের পছন্দের তালিকায় স্বদেশি এমবাপেকে রাখছেন না পাপাঁ। তার মতে, চলতি বছর এই পুরস্কারটি পাওয়া উচিত ইংল্যান্ডের তারকা স্ট্রাইকার হ্যারি কেইনের। এমবাপে এবং কেইন উভয়েই নিজ নিজ অবস্থানে সেরা হলেও, পছন্দের বিচারে তিনি কেইনকেই এগিয়ে রাখছেন। তার মতে, ব্যালন ডি’অর জয়ের জন্য বিবেচিত বিভিন্ন মানদণ্ডের অনেকগুলোই পূরণ করেন এমবাপে।
উল্লেখ্য যে, এমবাপের ক্যারিয়ারের সাম্প্রতিক সময়টা দারুণ কাটলেও মাঠের বাইরের এই বিতর্কিত মন্তব্যগুলো নিয়মিতই আলোচনার জন্ম দিচ্ছে। তার এই অতি-আত্মবিশ্বাসী মনোভাব নিয়ে ফুটবল বিশ্লেষকদের পাশাপাশি পাপাঁর মতো সাবেকরাও বেশ অবাক হয়েছেন।
সব মিলিয়ে ব্যালন ডি’অর ঘোষণার সময় যত ঘনিয়ে আসছে, এমবাপের মন্তব্য ও তার পারফরম্যান্স নিয়ে ফুটবল বিশ্বে আলোচনা ততই তুঙ্গে উঠছে। তবে এসব বিতর্ক এড়িয়ে হ্যারি কেইন ব্যালন ডি’অর নিয়ে একদমই মাথা ঘামাচ্ছেন না বলে জানা গেছে।