সৌদি আরবের বিভিন্ন স্থাপনায় হুতিদের চলমান হামলা ও মধ্যপ্রাচ্যের অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হচ্ছিল। তবে সম্প্রতি রাশিয়া থেকে অতিরিক্ত ডিজেল সরবরাহের আশ্বাসের পর বাজারে কিছুটা স্থিতিশীলতা দেখা দিয়েছে। বার্তাসংস্থা রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় এক সপ্তাহের ব্যবধানে এই প্রথমবারের মতো জ্বালানি তেলের দাম নিম্নমুখী হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় সকাল সাড়ে ৯টা নাগাদ বিশ্ববাজারে ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ১ দশমিক ২ শতাংশ কমে ব্যারেলপ্রতি ১০৫ ডলার ৩৫ সেন্টে নেমেছে। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) ক্রুডের দাম ১ দশমিক ৩ শতাংশ হ্রাস পেয়ে ৯২ ডলার ৪৯ সেন্টে দাঁড়িয়েছে। মূলত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প রাশিয়ার কাছ থেকে জ্বালানি পাওয়ার নিশ্চয়তা পাওয়ার পাশাপাশি দেশটির তেলের ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা সাময়িকভাবে শিথিল করায় এই ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রাশিয়া থেকে অতিরিক্ত জ্বালানি পাওয়ার প্রতিশ্রুতি বিশ্ববাজারে বিদ্যমান সরবরাহ সংকট কাটাতে সাহায্য করতে পারে। তবে কেসিএম ট্রেডের প্রধান বাজার বিশ্লেষক টিম ওয়াটারার সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, সাময়িক স্বস্তি এলেও মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতির পরিবর্তন না হলে তেলের দাম পুনরায় বাড়ার আশঙ্কা প্রবল। রিয়াদ বিমানবন্দরসহ হরমুজ প্রণালিতে তেলবাহী জাহাজে হুতিদের ধারাবাহিক হামলা জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের ঝুঁকি তৈরি করে রেখেছে। বিশ্লেষণ / যুদ্ধের ধাক্কায় উধাও ১১৫ কোটি ব্যারেল তেল, হরমুজ খুললে সংকট কাটবে নাকি বাড়বে দাম। বিশ্লেষণ / বিশ্ববাজারে কমল তেলের দাম, যেভাবে বাজারে আসছে ১৬ কোটি ব্যারেল তেল। প্রতিবেদনে বলা হয়, সাম্প্রতিক সময়ে অপরিশোধিত তেলের দাম বৃদ্ধির পেছনে অন্যতম কারণ হলো সরবরাহ সংকট। আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শক্তিকে বাংলাদেশে আর রাজনীতি করতে দেওয়া হবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ইরান যুদ্ধের কারণে তেলের দাম বাড়ছে, লাভবান হচ্ছে যে দেশ।