বুধবার চ্যাম্পিয়নশিপের ম্যাচে পোর্টসমাউথের কাছে ৩-২ গোলে পরাজিত হয়েছে শেফিল্ড ইউনাইটেড। দুই গোলে পিছিয়ে পড়ার পর ম্যাচে দারুণভাবে ফেরার চেষ্টা করেছিল শেফিল্ড, কিন্তু শেষ পর্যন্ত হারের তিক্ততা সঙ্গী হয়েছে তাদের। এই হারের হতাশার পাশাপাশি দলটির প্রধান কোচ ক্রিস ওয়াইল্ডার চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের মিডফিল্ডার হামজা চৌধুরীর পাওয়া বিতর্কিত লাল কার্ডটি নিয়ে। হামজা প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়কে আটকাতে গিয়ে কার্যত আর কোথাও যাওয়ার সুযোগ পাননি বলেই মনে করেন শেফিল্ড কোচ। কাভুমা-ম্যাককুইন হামজার পায়ের ফাঁক দিয়ে বল নিয়ে যাওয়ার পর পড়ে যান। তার মতে, ওই পরিস্থিতিতে হামজার পক্ষে সংস্পর্শ এড়ানোর সুযোগ খুব বেশি ছিল না। রেফারির সিদ্ধান্তে ধারাবাহিকতার অভাব নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিনি।
ম্যাচ শেষে ওয়াইল্ডার রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে সরাসরি প্রশ্ন তুলেছেন। তার দাবি, রেফারি প্রথমে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন যে হামজাকে মাঠ থেকে বহিষ্কার করা হবে না। অথচ পরবর্তীতে সেই সিদ্ধান্তই পরিবর্তন করা হয়। নিজের ক্ষোভ চেপে না রেখে ওয়াইল্ডার বলেন, হামজা আসলে কোথায় যাবে? তিনি নিজের প্রতিক্রিয়া সম্পর্কে সতর্ক থাকার কথা উল্লেখ করে জানান, সাম্প্রতিক সময়ে অনেকগুলো সিদ্ধান্তই তাকে অবিশ্বাস্যভাবে হতাশ করেছে। রায়ান কাভুমা-ম্যাককুইনের সঙ্গে ফাউলের ঘটনায় দ্বিতীয় হলুদ কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয় হামজাকে।
ওয়াইল্ডার পুরনো একটি ঘটনার উদাহরণ টেনে বলেন, অতীতে ওয়েস্ট হ্যামের বিপক্ষে ম্যাচে জার্সিতে টান দেওয়ার ঘটনায় পেনাল্টি দেওয়া হয়েছিল। এমনকি সেই ম্যাচে চতুর্থ রেফারিও জার্সি টানার বিষয়টি স্বীকার করেছিলেন। অথচ বর্তমান ম্যাচে রেফারির সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াটি ছিল একেবারেই ভিন্ন এবং বিভ্রান্তিকর। তিনি ইঙ্গিত দেন যে, মাঠের এসব বিতর্কিত ও অসংলগ্ন সিদ্ধান্তগুলো দলের পারফরম্যান্স এবং ফলাফলের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। সেই ম্যাচের ৯৩ মিনিটে জার্সি ধরে টানার ঘটনায় ওয়েস্ট হ্যাম পেনাল্টি পেয়েছিল বলে উল্লেখ করেন ওয়াইল্ডার। ওয়াইল্ডারের মতে, সিদ্ধান্তটি ছিল কঠোর।