বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম
জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে আফগানিস্তান ১৫ নভেম্বর থেকে দ্বিতীয় ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো’ আয়োজন করবে ইপিবি নারায়ণগঞ্জে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে বাবা ও ছেলে নিহত বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমল: প্রভাব ফেলছে জ্বালানি তেলের উত্তাপ ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট: ভোগান্তিতে রোগী ও স্বজন স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন নিহত ৩৬ দিন পর চুয়েটে সীমিত ক্লাসের সূচনা, সমাধানে ইউজিসির কমিটি রাঙ্গুনিয়ায় কৃষকের রহস্যজনক মৃত্যু: ঘটনার তদন্তে পুলিশ আইইডিসিআর পরিচালকের কার্যালয়ে ঢুকে মারধরের অভিযোগ ড্যাবের বিরুদ্ধে এলপিজির দাম ও চার্জ না বাড়াতে ক্যাবের দাবি

ইরান সীমান্তে ডজনখানেক ইসরাইলি যুদ্ধবিমানের মহড়া, নেপথ্যে শক্তি প্রদর্শন

Reporter Name / ১৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যের চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতির মধ্যেই ইরানের সীমান্ত ঘেঁষে উড়ে এসেছে ইসরাইল বিমানবাহিনীর অন্তত এক ডজন যুদ্ধবিমান। গত সোমবার পরিচালিত এই বিশেষ অভিযানে যুদ্ধবিমানের পাশাপাশি অংশ নেয় আকাশে জ্বালানি সরবরাহকারী বিমানও। ইসরাইলি ও মার্কিন কর্মকর্তাদের সূত্রে মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওস এই খবর নিশ্চিত করেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, নিজ দেশ থেকে ৮০০ মাইলেরও বেশি পথ পাড়ি দিয়ে এই অভিযান পরিচালনা করে ইসরাইল। মূলত সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শন এবং তেহরানকে সতর্কবার্তা দেওয়াই ছিল এই তৎপরতার প্রধান উদ্দেশ্য। তবে একই দিনে ইসরাইলের ওভদা বিমানঘাঁটিতে দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ বৈঠক করলেও, তার এই সফরের সঙ্গে যুদ্ধবিমানের মহড়ার কোনো সরাসরি সম্পর্ক ছিল না বলে কর্মকর্তারা জানিয়েছেন। অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইসরাইল থেকে ৮০০ মাইলেরও বেশি দূরে পরিচালিত এই অভিযানটি ছিল ইরানকে সামরিক শক্তির বার্তা দেওয়ার একটি প্রচেষ্টা। এমন এক সময়ে এই সামরিক তৎপরতা চালানো হলো, যখন ইরানে নতুন করে হামলার সম্ভাবনা নিয়ে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ে আলোচনা হয়েছে বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। তবে এ ধরনের অভিযান থেকে ভুল বোঝাবুঝি তৈরি হয়ে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

গোয়েন্দা সূত্রগুলোর তথ্যমতে, ইসরাইলি যুদ্ধবিমানগুলো সিরিয়া ও ইরাকের আকাশসীমা ব্যবহার করে ইরানি সীমান্তের খুব কাছে চলে যায়। এই উড্ডয়ন পথটি মূলত ইরানে সম্ভাব্য আক্রমণের জন্য নির্ধারিত রুটের সঙ্গেই হুবহু মিলে যায়। তবে সীমান্তে পৌঁছানোর পর বিমানগুলো কোনো আক্রমণ না চালিয়ে দিক পরিবর্তন করে নিরাপদে ইসরাইলে ফিরে আসে। আগাম সতর্কতা হিসেবে এই পদক্ষেপের কথা যুক্তরাষ্ট্রকে আগেই জানিয়েছিল তেল আবিব।

অভিযানটিকে নিয়মিত সামরিক প্রশিক্ষণের অংশ দাবি করে ইসরাইলি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্বাচনে ইরানের সম্ভাব্য আক্রমণ ঠেকাতেই এই মহড়া দেওয়া হয়েছে। তবে ওয়াশিংটনের অনেক কর্মকর্তার মতে, ইসরাইল পরিকল্পিতভাবেই কাজটি করেছে যাতে ইরানের রাডার তা শনাক্ত করতে পারে। ধারণা করা হচ্ছে, ইরান যদি এটিকে হামলা ভেবে পাল্টা আঘাত হানত, তবে তাদের বিরুদ্ধে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরু করার একটি জোরালো অজুহাত পেয়ে যেত ইসরাইল। ইরান যদি যুদ্ধবিমানগুলোকে আসন্ন হামলার প্রস্তুতি হিসেবে বিবেচনা করে পাল্টা পদক্ষেপ নিত, তাহলে পরিস্থিতি নতুন করে যুদ্ধের দিকে গড়াতে পারত। তাদের ধারণা, ইসরাইল জানত যে ইরানের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা তাদের যুদ্ধবিমানগুলোর গতিবিধি শনাক্ত করতে পারবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা