ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে জিম্বাবুয়েকে একপেশে ম্যাচে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আফগানিস্তান। ১৭০ রানের জয়ের লক্ষ্যে খেলতে নেমে আফগান ব্যাটারদের খুব একটা বেগ পেতে হয়নি। অধিনায়ক রহমত শাহ ৪৩ রান করেন এবং জাদরান ৭০ রানে অপরাজিত থেকে দলের জয় নিশ্চিত করেন। ৩৫তম ওভারের মধ্যেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় আফগানিস্তান। এর আগে, সিরিজে তারা বাংলাদেশকে ৯৯ রানে হারিয়েছিল, যেখানে ক্রেইগ আরভিনের ৯৩ এবং ব্রেন্ডন টেলরের ৮১ রানের বড় ভূমিকা ছিল। এছাড়া জিম্বাবুয়েকে ১৫৮ রানে হারানোর ইতিহাসও রয়েছে তাদের। ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকে বাংলাদেশ আগেই বাদ। সে ম্যাচেও দুর্দান্ত এক জয় পেয়েছে আফগানরা। কিন্তু ব্যাটিংয়ে তারা শুরু থেকেই মুখ থুবড়ে পড়ে। মাঝের সারিতে প্রতিরোধ গড়েন শুধু রাজা ও রায়ান বার্ল। মোহাম্মদ নবীর বলে বার্ল ক্যাচ দেন বিলালের হাতে। এরপর জিম্বাবুয়ের লেজ গুটিয়ে যেতে সময় লাগেনি। নবী ও রশিদ খান মিলে গুঁড়িয়ে দেন জিম্বাবুয়ের টেইল এন্ড। জয়ের লক্ষ্য ছিল ১৭০ রান। তখন আফগানদের রান ৬৮। এই ১০ ওভারে রান ওঠে মাত্র ৩০।
- আফগানিস্তানের পেসার ফজলহক ফারুকি ও আজমতউল্লাহ ওমরজাই শুরু থেকেই জিম্বাবুয়ের ব্যাটিং লাইনে ধস নামান। পাওয়ারপ্লে শেষ হওয়ার আগেই জিম্বাবুয়ে ৩ উইকেট হারিয়ে ব্যাকফুটে চলে যায়। পাওয়ারপ্লের পরপরই বিলাল সামি অভিজ্ঞ ব্রেন্ডন টেলরকে সাজঘরে ফেরান। ৫৬ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ধুঁকতে থাকা জিম্বাবুয়ের হাল ধরেন সিকান্দার রাজা ও বার্ল। তারা দুজনে মিলে ৬০ রানের জুটি গড়েন। তবে ২৭তম ওভারে এই জুটি ভেঙে পড়লে জিম্বাবুয়ের রানের চাকা থমকে যায়।
- মাঝের ওভারে অর্থাৎ ১১ থেকে ২০ ওভারে জিম্বাবুয়ের ব্যাটিংয়ে বাড়তি শৃঙ্খলা বজায় রাখে আফগান বোলাররা। এই সময়ে তারা সেদিকউল্লাহ আতালকে মাত্র ৬ রানে আউট করে। এই ১০ ওভারের ব্যবধানে জিম্বাবুয়ে মাত্র কয়েকটি রান যোগ করতে পারে।
- ম্যাচে আফগান বোলারদের পারফরম্যান্স ছিল এক কথায় অনবদ্য। আজমতউল্লাহ ওমরজাই ৪১ রানে ৩ উইকেট লাভ করেন এবং বিলাল সামি ২৭ রানে ২ উইকেট নেন। এছাড়া ফজলহক ফারুকি ৪১ রানে ও মোহাম্মদ নবী ২৫ রানে ২টি করে উইকেট শিকার করেন। জিম্বাবুয়ের হয়ে সিকান্দার রাজা ৬৮ ও বার্ল ৩১ রান করলেও শেষ পর্যন্ত তারা হার এড়াতে পারেনি।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- ফজলহক ফারুকি ও আজমতউল্লাহ ওমরজাই আগুন ঝরান। তাতে আফগানরা এগিয়ে যায়। পাওয়ারপ্লে শেষের আগেই ৩ উইকেট খুইয়ে বসে জিম্বাবুয়ে। পাওয়ারপ্লে শেষে বিলাল সামি অভিজ্ঞ ব্রেন্ডন টেলরকে আউট করেন। ৫৬ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে জিম্বাবুয়ে আরও।
- ১১ থেকে ২০ ওভারে জিম্বাবুয়ের বোলিং ছিল অনেক শৃঙ্খলাবদ্ধ। এই সময়ে তারা সেদিকউল্লাহ আতালকে তুলে নেয়। আতাল ৬ রান করেন। এই ১০ ওভারে রান ওঠে মাত্র।
- তবে প্রয়োজনীয় রানের হার ছিল প্রায় দুইয়ের কাছাকাছি। তাই আফগান ব্যাটারদের তাড়া ছিল না। তারা সাবধানে খেলে লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যান। অধিনায়ক রহমত শাহ জাদরানকে সঙ্গ দেন। ২৭তম ওভারে সিকান্দার রাজাকে দুটি বাউন্ডারি মেরে ত।