বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০১:০৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
ইরানের হুমকি দূর করতে শক্তিশালী ডানপন্থি সরকারের আহ্বান নেতানিয়াহুর বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ইউনিক্লোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান শ্রীপুরে বাবাকে আঘাতের অভিযোগে আটক পলাতক ছেলে আনোয়ার অন্ধ্র উপকূলে প্রবল ঘূর্ণিঝড় অর্ণব: নিরাপদ আশ্রয়ে দুই লাখ মানুষ হুতিদের শান্ত করতে ১০০ কোটি ডলারের প্রস্তাব সৌদি আরবের ডান হাতের আঙুলের চোটে মিরপুর টেস্টে নেই মুশফিক জাপানের জেবিআইসি গভর্নরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেকের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক বাংলাদেশে এক ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগ ও ২ লাখ কর্মসংস্থানের যৌথ ঘোষণা সুন্দরবনে দাদা ভাই বাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলি, জিম্মি ৫ জেলে উদ্ধার বাংলাদেশের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারত্ব বাড়াতে অঙ্গীকার জাপানের প্রধানমন্ত্রীর

ডিমের দাম কিছুটা কমলেও অস্বস্তিতে ক্রেতারা

Reporter Name / ৫৫ Time View
Update : শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে নিত্যপণ্যের দামে বড় কোনো পরিবর্তনের দেখা মেলেনি। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে ডিমের দামে কিছুটা স্বস্তি ফিরেছে। গত সপ্তাহে যে ডিম ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকায় বিক্রি হয়েছিল, বর্তমানে তা ১০ টাকা কমে ১৪০ থেকে ১৪৫ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে। বিক্রেতারা জানিয়েছেন, বর্তমানে ব্রয়লার মুরগির সাদা ডিম ১৪০ টাকা এবং ব্রাউন ডিম ১৪৫ থেকে ১৫০ টাকা ডজন দরে বিক্রি হচ্ছে।

মাছ ও মাংসের বাজারে আগের মতোই চড়া দাম বজায় রয়েছে। গরুর মাংস এখনো ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ব্রয়লার মুরগির দাম গত সপ্তাহের মতোই কেজিপ্রতি ১৯০ টাকায় স্থিতিশীল আছে। তবে সোনালি, হাইব্রিড ও লেয়ার মুরগির দাম কেজিতে ১০ টাকা কমেছে। বর্তমানে সোনালি মুরগি ৩১০ থেকে ৩২০ টাকা, হাইব্রিড ২৯০ থেকে ৩০০ টাকা এবং লেয়ার মুরগি ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

নিম্নবিত্ত ও মধ্যবিত্তের ভরসা হিসেবে পরিচিত মাছগুলোর দাম বেড়ে যাওয়ায় সাধারণ ক্রেতারা পড়েছেন সংকটে। চাষের পাঙাশ ২৩০ টাকা এবং তেলাপিয়া ২৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে মানভেদে পাঙাশ ও তেলাপিয়া কিনতে অন্তত ২৫০ টাকা পর্যন্ত গুনতে হচ্ছে ক্রেতাদের। মাছের বাজারে দামের মিশ্র পরিস্থিতি দেখা গেছে; কিছু মাছের দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে, আবার কিছু মাছের দাম ১০ থেকে ২০ টাকা কমেছে।

বাজার ঘুরে দেখা যায়, আকারভেদে চাষের শিং মাছ ৩০০ থেকে ৪৫০ টাকা, পাবদা ৩৫০ থেকে ৪৫০ টাকা এবং মাঝারি রুই ২৭০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। বড় আকারের রুইয়ের কেজি ৪০০ থেকে ৫০০ টাকা। এছাড়া চিংড়ি ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা, ট্যাংরা ৭০০ টাকা, ভেটকি ৪০০ থেকে ৫৫০ টাকা, মৃগেল ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা এবং বাইম ও শোল মাছ ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। দেশি কই ৬০০ থেকে ৮০০ টাকা এবং চাষের কই ও পোয়া মাছ ২৬০ টাকা কেজিতে পাওয়া যাচ্ছে। রূপচাঁদা, শোল ও নদীর বেলে মাছ কিনতে ক্রেতাদের কেজিপ্রতি হাজার টাকার বেশি খরচ করতে হচ্ছে। বিক্রেতারা বলছেন, গত সপ্তাহে ১৯০ টাকায় ব্রয়লার মুরগি বিক্রির পাশাপাশি সোনালি মুরগি ২১০ টাকায় বিক্রি হয়েছে, যা এই সপ্তাহেও অপরিবর্তিত আছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা