বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৪২ অপরাহ্ন
শিরোনাম
১৫ নভেম্বর থেকে দ্বিতীয় ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো’ আয়োজন করবে ইপিবি নারায়ণগঞ্জে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে বাবা ও ছেলে নিহত বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমল: প্রভাব ফেলছে জ্বালানি তেলের উত্তাপ ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট: ভোগান্তিতে রোগী ও স্বজন স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন নিহত ৩৬ দিন পর চুয়েটে সীমিত ক্লাসের সূচনা, সমাধানে ইউজিসির কমিটি রাঙ্গুনিয়ায় কৃষকের রহস্যজনক মৃত্যু: ঘটনার তদন্তে পুলিশ আইইডিসিআর পরিচালকের কার্যালয়ে ঢুকে মারধরের অভিযোগ ড্যাবের বিরুদ্ধে এলপিজির দাম ও চার্জ না বাড়াতে ক্যাবের দাবি উত্তরবঙ্গের বৃহত্তম জলপাই হাট: জমে উঠেছে পঞ্চগড়ের দেবদারুতলা

গ্রিনল্যান্ড নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র-ডেনমার্কের ঐতিহাসিক চুক্তি: ট্রাম্পের বড় দাবি

Reporter Name / ৫৭ Time View
Update : শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আর্কটিক অঞ্চলে ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনার মাঝে গ্রিনল্যান্ডের সুরক্ষায় ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড প্রশাসনের সঙ্গে এক ঐতিহাসিক চুক্তিতে পৌঁছেছে যুক্তরাষ্ট্র। এই নতুন ত্রিপক্ষীয় সমঝোতার মাধ্যমে অঞ্চলটির নিরাপত্তার দায়িত্ব এখন আমেরিকার হাতে চলে এসেছে। স্থানীয় সময় ১৮ সেপ্টেম্বর শুক্রবার ডোনাল্ড ট্রাম্প নিজের মালিকানাধীন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যালে’ দেওয়া এক বার্তায় এই চুক্তির ঘোষণা দেন। ট্রাম্পের দাবি, এই চুক্তির ফলে গ্রিনল্যান্ডের সুরক্ষায় যুক্তরাষ্ট্র এখন থেকে ‘স্থায়ী নিয়ন্ত্রণ’ অর্জন করেছে এবং এটি একটি ‘সীমাহীন মেয়াদের’ চুক্তি।

২০২৫ সালে দ্বিতীয় মেয়াদে মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই ট্রাম্প কৌশলগত কারণে গ্রিনল্যান্ডের ওপর মার্কিন অধিকার প্রতিষ্ঠার বিষয়ে অত্যন্ত জোরালো তাগিদ দিয়ে আসছিলেন। বিষয়টি নিয়ে ন্যাটো মিত্র দেশ ডেনমার্কের সঙ্গে দীর্ঘ সময় ধরে তীব্র মনস্তাত্ত্বিক সংঘাত তৈরি হয়েছিল। শেষ পর্যন্ত আলোচনার মাধ্যমে এই সমঝোতায় পৌঁছানো সম্ভব হলো। তবে চুক্তিটি কার্যকর হলেও ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন আশ্বস্ত করেছেন যে, এর ফলে ডেনমার্কের ভৌগোলিক সার্বভৌমত্ব এবং গ্রিনল্যান্ডের জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার পুরোপুরি অক্ষুণ্ন থাকবে।

ড্যানিশ প্রধানমন্ত্রী মেটে ফ্রেডেরিকসেন এবং গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেনস-ফ্রেডেরিক নিলসেন যৌথভাবে এই চুক্তিকে স্বাগত জানিয়েছেন। ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেছেন যে, ন্যাটোর কৌশলগত নিরাপত্তা এবং ইউরোপের সামগ্রিক সুরক্ষার প্রশ্নে এই চুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে। ১৯৫১ সালের প্রতিরক্ষা চুক্তির কাঠামোকে ভিত্তি করেই বর্তমানের এই ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা গড়ে তোলা হয়েছে বলে জানা গেছে।

মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের প্রত্যাশা অনুযায়ী, এই চুক্তির ফলে আর্কটিক অঞ্চলে চীন ও রাশিয়ার অর্থনৈতিক ও সামরিক প্রভাব বিস্তারের যেকোনো প্রচেষ্টা পুরোপুরি থমকে যাবে। ভূ-রাজনৈতিক নিরাপত্তার স্বার্থে এই অঞ্চলটিকে কঠোর পর্যবেক্ষণে রাখা এবং মার্কিন প্রভাব অক্ষুণ্ন রাখাই এই চুক্তির অন্যতম মূল লক্ষ্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা