চিকিৎসার অভাবে যাতে কোনো মানুষের প্রাণহানি না ঘটে, তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। ২২ সেপ্টেম্বর, মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ৫০ শয্যার হাসপাতাল আকস্মিক পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এই কথা বলেন। সাধারণ রোগীদের উন্নত সেবা নিশ্চিত করতে গজারিয়ার এই হাসপাতালকে দ্রুত ৫০ শয্যা থেকে ১০১ শয্যায় উন্নীত করার প্রতিশ্রুতি দেন মন্ত্রী।
পরিদর্শনকালে সরকারি হাসপাতালে পর্যাপ্ত ল্যাবরেটরি সুবিধা থাকা সত্ত্বেও রোগীদের কেন বাইরের ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পাঠানো হচ্ছে, সেই বিষয়ে তিনি খোঁজখবর নেন। অভিযোগের সত্যতা যাচাই সাপেক্ষে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক ও কর্মচারীদের সতর্ক করার পাশাপাশি তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও আশ্বাস প্রদান করেন তিনি।
হাসপাতালের আশপাশে নতুন কোনো বেসরকারি ক্লিনিকের অনুমোদন দেওয়া হবে না বলে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, বিদ্যমান ক্লিনিকগুলো নিয়ম মেনে না চললে তাদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এছাড়া উপজেলা পর্যায়ে সাপের কামড়ের চিকিৎসার জন্য প্রয়োজনীয় অ্যান্টিভেনমের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এ সময় অন্যদের মধ্যে মুন্সিগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য কামরুজ্জামান রতন, গজারিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফসা নাদিয়া এবং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন। প্রান্তিক মানুষের কাছে মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দিতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ বলে তিনি জানান।