বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতের মাধ্যমে টেকসই অর্থনীতি রূপান্তরের ডাক জাপান সফরে চার সমঝোতা স্মারক ও দুই অনুদান চুক্তি সই জুলাইয়ের চেতনা বাঁচিয়ে রাখলে চাঁদাবাজি সম্ভব নয়: ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনতেই হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন দেশে ডেঙ্গুতে একদিনে ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ২ হাজার জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে আফগানিস্তান ১৫ নভেম্বর থেকে দ্বিতীয় ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো’ আয়োজন করবে ইপিবি নারায়ণগঞ্জে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে বাবা ও ছেলে নিহত বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমল: প্রভাব ফেলছে জ্বালানি তেলের উত্তাপ ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট: ভোগান্তিতে রোগী ও স্বজন

গাজার শিক্ষার্থীদের ভিসা প্রত্যাখ্যান: আয়ারল্যান্ড সরকারের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ

Reporter Name / ৭৪ Time View
Update : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

আয়ারল্যান্ডে উচ্চশিক্ষার সুযোগ পাওয়া ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থীদের ভিসা প্রত্যাখ্যানের ঘটনায় দেশটিতে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে। পূর্ণ বা আংশিক বৃত্তি নিশ্চিত হওয়ার পরও ভিসা না পাওয়ায় গাজার প্রায় ৪০ জন মেধাবী শিক্ষার্থী ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে ভর্তি নিয়ে চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন। এই পরিস্থিতি নিয়ে শিক্ষাবিদ, শিক্ষার্থী এবং মানবাধিকারকর্মীরা সরকারের সিদ্ধান্তের সমালোচনা করছেন।

সরকারি তথ্যের ভিত্তিতে আরটিই-এর প্রতিবেদনে উঠে এসেছে যে, গাজা ও অন্যান্য অঞ্চল থেকে আসা ফিলিস্তিনি শিক্ষার্থীদের ভিসা আবেদনের ক্ষেত্রে প্রত্যাখ্যানের হার উদ্বেগজনক। আগস্টের তথ্য অনুযায়ী, ৫৯ জন শিক্ষার্থী বৃত্তি পাওয়ার পর স্টাডি ভিসার জন্য আবেদন করেছিলেন, যার মধ্যে অন্তত ৩১ জনের আবেদন বাতিল করা হয়েছে। এই ভিসা জটিলতার প্রতিবাদে জুলাইয়ের শেষ দিকে ডাবলিনে দেশটির বিচার মন্ত্রণালয়ের সামনে প্রায় ২৫০ জন বিক্ষোভকারী জড়ো হন। তারা শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার সুযোগ নিশ্চিত করতে ভিসা আবেদনগুলো পুনরায় পর্যালোচনার দাবি জানান।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষাবিদদের একাংশের মতে, যুদ্ধের কারণে গাজার শিক্ষাব্যবস্থা ও অবকাঠামো পুরোপুরি বিধ্বস্ত। এমন পরিস্থিতিতে সাধারণ ভিসা আবেদনের মানদণ্ড দিয়ে গাজার শিক্ষার্থীদের বিচার করা বাস্তবসম্মত নয়। গাজায় ব্যাংকিং ব্যবস্থা, ডাকসেবা এবং প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংগ্রহের সুযোগ না থাকায় শিক্ষার্থীরা স্বাভাবিক সময়ের মতো কাগজপত্র জমা দিতে পারছেন না। সমালোচকদের দাবি, যুদ্ধবিধ্বস্ত শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার প্রমাণ বা নিজ দেশে ফিরে যাওয়ার নিশ্চয়তা চাওয়া অযৌক্তিক।

এদিকে, গাজা থেকে যুদ্ধের সময় উদ্ধার হয়ে আয়ারল্যান্ডে পৌঁছানো তিন ফিলিস্তিনি শিল্পীর কাজ সাম্প্রতিক একটি প্রদর্শনীতে ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। আটলান্টিক টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটির গলওয়ে ক্যাম্পাসে ‘ফ্রম ওয়ান ব্রেথ টু দ্য নেক্সট’ শীর্ষক প্রদর্শনীতে তাদের সৃজনশীল কাজ দর্শকদের বিশেষভাবে নাড়া দেয়। এই সাফল্য প্রমাণ করে যে, সুযোগ পেলে গাজার তরুণরা উচ্চশিক্ষা ও সৃজনশীলতায় বড় অবদান রাখতে সক্ষম।

আয়ারল্যান্ডের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মীরা এখন সরকারের কাছে প্রত্যাখ্যাত আবেদনগুলো দ্রুত পর্যালোচনার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। মিডল ইস্ট মনিটর, ওপেন লেটার ও পিপল বিফোর প্রফিট-এর মতো বিভিন্ন সূত্র ও সংগঠনের পক্ষ থেকেও এই মানবিক সংকটের দিকে নজর দেওয়ার দাবি তোলা হয়েছে। যুদ্ধের ভয়াবহতা পেরিয়ে আসা শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবন যেন আর বাধাগ্রস্ত না হয়, সেই লক্ষ্যেই এখন সোচ্চার দেশটির সচেতন মহল। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: একই সময়ে গাজায় থাকা প্রায় ৪০ জন মেধাবী তরুণ-তরুণীর আয়ারল্যান্ডে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: তারা ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের জন্য বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ এবং পূর্ণ অর্থায়িত বৃত্তি পেয়েছিলেন। চাকরির আরও তথ্য: কিন্তু সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে তাদের অনেকের ভিসা আবেদন প্রত্যাখ্যান করা হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ভিসা প্রত্যাখ্যানের কারণ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা