বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতের মাধ্যমে টেকসই অর্থনীতি রূপান্তরের ডাক জাপান সফরে চার সমঝোতা স্মারক ও দুই অনুদান চুক্তি সই জুলাইয়ের চেতনা বাঁচিয়ে রাখলে চাঁদাবাজি সম্ভব নয়: ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনতেই হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন দেশে ডেঙ্গুতে একদিনে ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ২ হাজার জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে আফগানিস্তান ১৫ নভেম্বর থেকে দ্বিতীয় ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো’ আয়োজন করবে ইপিবি নারায়ণগঞ্জে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে বাবা ও ছেলে নিহত বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমল: প্রভাব ফেলছে জ্বালানি তেলের উত্তাপ ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট: ভোগান্তিতে রোগী ও স্বজন

পুতিন ও হাসিনার ফোনালাপ নিয়ে কূটনৈতিক মহলে তোলপাড়

Reporter Name / ৭০ Time View
Update : মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

নয়াদিল্লিতে আয়োজিত ব্রিকস সম্মেলনের আবহে ভারতের আশ্রয়ে থাকা বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ফোনালাপ নিয়ে কূটনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক গুঞ্জন শুরু হয়েছে। অনলাইনে প্রকাশিত বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, সম্মেলনের সময় পুতিন ও হাসিনার মধ্যে প্রায় ২০ মিনিট কথা হয়েছে। এই কথোপকথনের সময় সেখানে ভারতের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভাল উপস্থিত ছিলেন বলেও উল্লেখ করা হয়েছে। যদিও এই খবরের সত্যতা নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষ থেকেই আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো মন্তব্য বা বিবৃতি পাওয়া যায়নি।

শেখ হাসিনার দীর্ঘ শাসনামলে বিভিন্ন বিশ্বনেতার সঙ্গে তার ব্যক্তিগত সুসম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। ব্রাজিলের প্রেসিডেন্ট লুলার সঙ্গে তার ঘনিষ্ঠতা সর্বজনবিদিত। এই প্রেক্ষাপটে পুতিনের সঙ্গে ফোনালাপের বিষয়টি অসম্ভব নয় বলে দিল্লির একটি সাংবাদিক সূত্র মন্তব্য করেছে। মূলত বাংলাদেশের সঙ্গে রাশিয়ার বিদ্যমান বিশেষ সম্পর্কের জের ধরেই এই আলোচনার সূত্রপাত। বিশেষ করে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র প্রকল্প দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের এক অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে পরিচিত। প্রায় ১২ বিলিয়ন ডলারের এই মেগা প্রকল্পে রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় পরমাণু শক্তি সংস্থা রোসাটম কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দিচ্ছে। এটি কেবল বাংলাদেশের জন্য নয়, দক্ষিণ এশিয়ায় রাশিয়ার দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক কৌশলগত উপস্থিতির ক্ষেত্রেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি মাইলফলক।

এদিকে ভারতের আরএসএস সমর্থিত সংবাদপত্র ‘অর্গানাইজার’ এই ফোনালাপের বিষয়টি ভিন্নভাবে বিশ্লেষণ করেছে। তাদের মতে, পুতিন ও হাসিনার মধ্যকার এই যোগাযোগ রাশিয়ার কৌশলগত স্বার্থের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত। বাংলাদেশে রাশিয়ার বিপুল বিনিয়োগ সুরক্ষা এবং দীর্ঘদিনের অর্থনৈতিক সম্পর্ক অটুট রাখার ক্ষেত্রে এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। অর্গানাইজারের প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে পুতিনের সঙ্গে এই কথিত ফোনালাপ অঞ্চলটির পরিবর্তনশীল কূটনৈতিক সমীকরণের দিকে ইঙ্গিত দেয়। বিশেষ করে ব্রিকস সম্মেলনে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যানের পরপরই বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক পুনর্বিন্যাসের যে পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে, তা নিয়ে আন্তর্জাতিক বিশ্লেষক মহলে ব্যাপক কৌতূহল রয়েছে। সব মিলিয়ে সোশ্যাল মিডিয়া এবং কূটনৈতিক বলয়ে ছড়িয়ে পড়া এই খবরটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে একটি নতুন মাত্রা যোগ করেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা