বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
জাপান সফরে চার সমঝোতা স্মারক ও দুই অনুদান চুক্তি সই জুলাইয়ের চেতনা বাঁচিয়ে রাখলে চাঁদাবাজি সম্ভব নয়: ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনতেই হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন দেশে ডেঙ্গুতে একদিনে ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ২ হাজার জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে আফগানিস্তান ১৫ নভেম্বর থেকে দ্বিতীয় ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো’ আয়োজন করবে ইপিবি নারায়ণগঞ্জে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে বাবা ও ছেলে নিহত বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমল: প্রভাব ফেলছে জ্বালানি তেলের উত্তাপ ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট: ভোগান্তিতে রোগী ও স্বজন স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন নিহত

যুক্তরাষ্ট্রে চাকরি হারালেই ছাড়তে হবে দেশ, নতুন ভিসানীতির প্রস্তাব

Reporter Name / ৬৩ Time View
Update : শুক্রবার, ১৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত বিদেশি নাগরিকদের জন্য বড় ধরনের বিধিনিষেধের প্রস্তাব করেছে ট্রাম্প প্রশাসন। দেশটির ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি (ডিএইচএস) সম্প্রতি ‘এলিমিনেটিং দ্য ডিসক্রিশনারি সিক্সটি-ডে গ্রেস প্রিয়ড’ শীর্ষক একটি নতুন প্রস্তাব ফেডারেল রেজিস্টারে প্রকাশ করেছে। এই প্রস্তাবটি কার্যকর হলে এইচ-১বি ভিসাধারীসহ বিভিন্ন ওয়ার্ক ভিসায় থাকা বিদেশি পেশাজীবীরা চাকরি হারালে বা ছেড়ে দিলে বর্তমানে প্রচলিত ৬০ দিনের ‘গ্রেস পিরিয়ড’ বা বাড়তি সময় আর পাবেন না। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী, কর্মভিত্তিক নন-ইমিগ্র্যান্ট ভিসাধারীরা চাকরি হারানো বা কাজ শেষ হওয়ার পর নতুন নিয়োগকর্তা খুঁজে নেওয়া কিংবা প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার জন্য সর্বোচ্চ ৬০ দিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করার সুযোগ পেয়ে থাকেন। ২০১৭ সাল থেকে এই সুবিধা চালু রয়েছে, যা হঠাৎ চাকরিচ্যুত পেশাজীবীদের জন্য সহায়ক হিসেবে বিবেচিত হয়। তবে নতুন প্রস্তাবনায় এই সুযোগটি সম্পূর্ণ বিলুপ্ত করার কথা বলা হয়েছে।

প্রস্তাবিত এই নতুন নিয়মটি কার্যকর হলে ই-১, ই-২, ই-৩, এইচ-১বি, এইচ-১বি১, এল-১, ও-১ এবং টিএন ভিসাধারীরা সরাসরি এর আওতায় পড়বেন। এর মধ্যে এইচ-১বি ভিসা প্রযুক্তি, প্রকৌশল, গবেষণা ও অন্যান্য উচ্চতর বিশেষায়িত পেশায় যুক্ত কর্মীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়া এল-১ ভিসা বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও বিশেষ দক্ষতাসম্পন্ন কর্মীদের জন্য এবং ও-১ ভিসা বিজ্ঞান, শিক্ষা, ব্যবসা, ক্রীড়া ও শিল্পকলায় অসাধারণ মেধা প্রদর্শনকারী ব্যক্তিদের জন্য ব্যবহৃত হয়। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র-মেক্সিকো-কানাডা চুক্তির (ইউএসএমসিএ) আওতায় কানাডা ও মেক্সিকোর নাগরিকদের জন্য প্রযোজ্য টিএন ভিসাধারীরাও এই পরিবর্তনের মুখে পড়বেন।

ডিএইচএস তাদের প্রস্তাবে যুক্তি হিসেবে জানিয়েছে, এই পদক্ষেপ নিলে প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার ওপর চাপ অনেকাংশে কমে আসবে। তবে যারা বর্তমানে এই ভিসায় যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন, তাদের জন্য বিষয়টি বেশ চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। বর্তমানে কোনো কর্মী হঠাৎ চাকরিচ্যুত হলে এই ৬০ দিনের মধ্যে নতুন নিয়োগকর্তা খুঁজে নেওয়া কিংবা নিজের ইমিগ্রেশন স্ট্যাটাস পরিবর্তন করার সুযোগ থাকে। নতুন নিয়ম কার্যকর হলে সেই সময়সীমা শেষ হয়ে যাবে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এ বিষয়ে সাধারণ মানুষের মতামত গ্রহণ করা হবে। আগামী ১০ নভেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত এই প্রস্তাবের ওপর জনমত বা মতামত জমা দেওয়ার সুযোগ থাকবে। আপাতত বিদ্যমান ৬০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড ব্যবস্থাটি এখনো কার্যকর রয়েছে, তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপর ভিত্তি করে ভবিষ্যতে ইমিগ্রেশন নীতিতে এই বড় পরিবর্তনটি আসতে যাচ্ছে। বিদেশি পেশাজীবীদের জন্য এটি যুক্তরাষ্ট্রের শ্রমবাজারে থাকার ক্ষেত্রে বড় ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ডিপার্টমেন্ট অব হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বা ডিএইচএস ১১ সেপ্টেম্বর ফেডারেল রেজিস্টারে ‘এলিমিনেটিং দ্য ডিসক্রিশনারি সিক্সটি-ডে গ্রেস প্রিয়ড’ শিরোনামে প্রস্তাবটি প্রকাশ করেছে। চাকরির আরও তথ্য: এ সময়ের মধ্যে তারা নতুন নিয়োগকর্তা খুঁজে প্রয়োজনীয় আবেদন করতে, অন্য বৈধ স্ট্যাটাসে যাওয়ার উদ্যোগ নিতে অথবা দেশ ছাড়ার প্রস্তুতি নিতে পারেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর প্রভাব শুধু মূল ভিসাধারীর মধ্যে সীমাবদ্ধ নাও থাকতে পারে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: সংশ্লিষ্ট কর্মীর ওপর নির্ভরশীল স্ত্রী-স্বামী ও পরিবারের সদস্যদের ইমিগ্রেশন স্ট্যাটাস এবং কাজের অনুমতিও প্রভাবিত হতে পারে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: একই সঙ্গে এতে প্রশাসনিক চাপ কমবে বলেও সংস্থাটির দাবি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা