টাঙ্গাইল সদর উপজেলার দাইন্যা ইউনিয়ন পরিষদের তিনবারের নির্বাচিত চেয়ারম্যান এবং উপজেলা বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি রফিকুল ইসলাম ফারুককে হত্যার ঘটনায় তিনজনকে মৃত্যুদণ্ড ও চারজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। সোমবার টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ-১ আদালতের বিচারক মো. ফয়সাল আল মামুন এ রায় ঘোষণা করেন। রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেককে এক লাখ টাকা এবং যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তদের ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে যাবজ্জীবন প্রাপ্তদের আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে। তবে মামলার একজন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় তাকে খালাস দেওয়া হয়েছে।
মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন সানিয়াত খান বাপ্পা, আজাদ ও শাজাহান মিয়া। তাদের মধ্যে সানিয়াত খান বাপ্পা সাবেক সংসদ সদস্য আতাউর রহমান খানের ছেলে এবং আমানুর রহমান খান রানার ছোট ভাই। অন্যদিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন সুজন, সানোয়ার হোসেন, রুজভেল্ট ওরফে ইমন এবং শফিকুল ইসলাম শফিক। আদালত সূত্র জানিয়েছে, রায়ের সময় এই মামলার পলাতক আসামিরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৩ সালের ২০ ডিসেম্বর ভোরে হাঁটতে বের হওয়ার সময় টাঙ্গাইল শহরের আকুরটাকুর এলাকায় রফিকুল ইসলাম ফারুককে গুলি করে ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার পরদিন তার ছোট ভাই লাভলু মিয়া বাদী হয়ে টাঙ্গাইল সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ ২০১৫ সালের ১৩ আগস্ট আটজনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দেয়। পরে বাদীর নারাজি আবেদনের প্রেক্ষিতে আদালত সিআইডিকে অধিকতর তদন্তের দায়িত্ব দেন। ২০১৮ সালের ২৯ এপ্রিল সিআইডি আগের আটজনকেই অভিযুক্ত করে নতুন অভিযোগপত্র দাখিল করে। ২১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ ও দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে আজ এই রায় প্রদান করা হলো।
সংবাদপত্রের তালিকায় থাকা অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ তথ্যাবলি প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন— নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি এবং টাঙ্গাইল শহরের কলেজপাড়ার বাসিন্দা সানিয়াত খান বাপ্পা (৩০), শহরের কাগমারা এলাকার বাসিন্দা আজাদ (২৫) এবং সদর উপজেলার শ্রীফলিয়াটা গ্রামের। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন— সদর উপজেলার কাঠোয়া যোগিনী গ্রামের সুজন (৩২), শ্রীফলিয়াটা গ্রামের সানোয়ার হোসেন (৩৪), ছিটকিবাড়ী গ্রামের রুজভেল্ট ওরফে ইমন (২৬) ও শহরের কাগমারা এলাকার শফিকুল ইসলাম শফিক (২৫)। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন— নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি এবং টাঙ্গাইল শহরের কলেজপাড়ার বাসিন্দা সানিয়াত খান বাপ্পা (৩০), শহরের কাগমারা এলাকার বাসিন্দা আজাদ (২৫) এবং সদর উপজেলার শ্রীফলিয়াটা গ্রামের শাজাহান মিয়া (৩১)।