ইয়েমেনের হুথি বিদ্রোহীদের সাম্প্রতিক দফায় দফায় হামলার মুখে সৌদি আরবের সুরক্ষায় পাশে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে তুরস্ক। তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান জানিয়েছেন, পাকিস্তানসহ ত্রিপক্ষীয় ‘মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তি’র আওতায় সৌদি আরবকে প্রয়োজনীয় সামরিক সহায়তা প্রদানে আঙ্কারা প্রস্তুত। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত ডনের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।
তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, সৌদি আরবের ভূখণ্ড এবং সার্বভৌমত্বের ওপর যে কোনো গুরুতর আক্রমণ আঙ্কারা গুরুত্বের সাথে দেখছে। এই ত্রিপক্ষীয় জোট চুক্তির কারণে সৌদি রিয়াদের সঙ্গে তুরস্ক এখন পূর্ণ সংহতি বজায় রেখে কাজ করছে। তিনি আরও বলেন, সৌদি আরবকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার সংঘাতের অংশ করার চেষ্টা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়, কারণ দেশটি বরাবরই এ ধরণের সংঘাত থেকে দূরে থাকতে চেয়েছে।
এর আগে শনিবার ভোরে সৌদি রাজধানী রিয়াদের প্রধান বিমানবন্দরের নিকটবর্তী এলাকায় ধোঁয়া ও আগুনের কুণ্ডলী দেখা যায়। এর কয়েক ঘণ্টা পরেই হুথি বিদ্রোহীরা রিয়াদের বিভিন্ন ‘সংবেদনশীল’ স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দায় স্বীকার করে। তুরস্ক এসব হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে শত্রুতা বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে সংঘাতের ক্ষতি সীমা অতিক্রম করায়, সব পক্ষকে শান্তির পথে আসার অনুরোধ জানিয়েছে আঙ্কারা। এই সংকট নিরসনে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের কাছে তুরস্ক নতুন একটি প্রস্তাবও পাঠিয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) এক সাক্ষাৎকারে বরাতে এই খবর জানিয়েছে ডন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: পাকিস্তানসহ ত্রিপক্ষীয় মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় এই সহায়তা দেওয়া হতে পারে বলে তিনি জানান। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: গত মাসে সই হওয়া চুক্তি অনুযায়ী তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর হামলাকে সব দেশের ওপর হামলা হিসেবে গণ্য করা হয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: ইয়েমেনের জনবহুল এলাকা নিয়ন্ত্রণকারী হুথিরা জুলাই মাসে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে নৌ অবরোধ ঘোষণার পর থেকে দেশটির বিভিন্ন শহর, জ্বালানি অবকাঠামো ও নৌপথে আক্রমণ চালিয়ে আসছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এর ফলে বিশ্বজুড়ে তেল সরবরাহ এবং হরমুজ প্রণালির স্থবিরতার মুখে বিকল্প লোহিত সাগরীয় রুট হুমকির মুখে পড়েছে।