পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও পিটিআই নেতা ইমরান খানকে আদালতে সশরীরে হাজির করার নির্দেশ দিয়েছেন ইসলামাবাদের বিচারক তাহির আব্বাস সিপ্রা। সোমবার ইসলামাবাদে জুডিশিয়াল কমপ্লেক্সে হামলার একটি মামলার শুনানিকালে বিচারক এই নির্দেশনা দেন। ২০২৩ সালের আগস্ট থেকে বিভিন্ন মামলায় কারাবন্দি রয়েছেন ইমরান খান। বিচারক স্পষ্ট করে বলেছেন, মামলার পরবর্তী শুনানিতে তাঁকে ব্যক্তিগতভাবে অথবা ভিডিও লিংকের মাধ্যমে যুক্ত করতে হবে। মামলাটির পরবর্তী কার্যক্রম আগামী ৫ নভেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে।
ঘটনার প্রেক্ষাপট অনুযায়ী, ২০২৩ সালে একটি মামলার জামিন আবেদনের শুনানির জন্য জুডিশিয়াল কমপ্লেক্সে গিয়েছিলেন ইমরান খান। সে সময় তাঁর সঙ্গে থাকা সমর্থকদের একাংশ নিরাপত্তাবেষ্টনী ভেঙে কমপ্লেক্সের ভেতরে প্রবেশ করে ভাঙচুর চালায়। এই ঘটনার জের ধরে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে ইমরান খানসহ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে পুলিশ। সে সময় তাঁর সঙ্গে বিপুলসংখ্যক সমর্থক সেখানে উপস্থিত হন।
সোমবারের শুনানিতে আদালত পিটিআইয়ের শীর্ষস্থানীয় নেতা ফারুক হাবিব, হাম্মাদ আজহার, মুরাদ সাঈদ এবং শিবলি ফারাজকে পলাতক ঘোষণা করেছে। একই সঙ্গে তাঁদের যাবতীয় স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তির তথ্য আদালতে জমা দেওয়ার আদেশ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, পাঞ্জাব বিধানসভার সাবেক স্পিকার ওয়াসিক কাইয়ুম আব্বাসী এবং পিটিআই নেতা হাসান নিয়াজির বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। ইমরান খানের রাজনৈতিক মিত্র ও সমর্থকগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে আইনি এ পদক্ষেপগুলো পাকিস্তানজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।