বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতের মাধ্যমে টেকসই অর্থনীতি রূপান্তরের ডাক জাপান সফরে চার সমঝোতা স্মারক ও দুই অনুদান চুক্তি সই জুলাইয়ের চেতনা বাঁচিয়ে রাখলে চাঁদাবাজি সম্ভব নয়: ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনতেই হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন দেশে ডেঙ্গুতে একদিনে ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ২ হাজার জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে আফগানিস্তান ১৫ নভেম্বর থেকে দ্বিতীয় ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো’ আয়োজন করবে ইপিবি নারায়ণগঞ্জে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে বাবা ও ছেলে নিহত বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমল: প্রভাব ফেলছে জ্বালানি তেলের উত্তাপ ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট: ভোগান্তিতে রোগী ও স্বজন

সীমান্ত নিরাপত্তায় আরও ১৩ কোটি ইউরো দিচ্ছে ইউরোপীয় কমিশন

Reporter Name / ৪৪ Time View
Update : সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬

ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্য দেশগুলোর ড্রোন ব্যবহার ও ড্রোন প্রতিরোধী সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নতুন করে ১৩ কোটি ইউরো অর্থ সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে ইউরোপীয় কমিশন। বাংলাদেশি মুদ্রায় এই অর্থের পরিমাণ প্রায় ১৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার। বর্ডার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভিসা ইনস্ট্রুমেন্টের (বিএমভিআই) আওতায় এই তহবিল বরাদ্দ করা হয়েছে, যা মূলত জোটের বহির্সীমায় নজরদারি বাড়াতে এবং উদ্ভূত নতুন নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবেলায় ব্যবহৃত হবে।

ইইউ জানিয়েছে, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা আরও শক্তিশালী ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সুসংহত করার লক্ষ্যে সদস্য দেশগুলোর জাতীয় কর্তৃপক্ষকে সহায়তা করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। নতুন এই বরাদ্দের ফলে নজরদারি ও ড্রোন প্রতিরোধী প্রযুক্তির জন্য ইইউর স্বরাষ্ট্রবিষয়ক তহবিল থেকে মোট অর্থায়নের পরিমাণ এখন ৫০ কোটি ইউরো ছাড়িয়েছে।

এর আগে সংস্থাটি পর্যায়ক্রমে এই খাতে বড় অঙ্কের অর্থ বরাদ্দ দিয়েছে। যার মধ্যে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ২৫ কোটি ইউরো এবং চলতি বছরের শুরুতে আরও ১৬ কোটি ৯০ লাখ ইউরো সহায়তা দেওয়া হয়েছিল। সেই অর্থ মূলত নজরদারি ড্রোন ও আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম সংগ্রহের জন্য সদস্য দেশ এবং ইউরোপীয় বর্ডার অ্যান্ড কোস্ট গার্ড এজেন্সি বা ফ্রন্টেক্সকে প্রদান করা হয়েছিল।

ইউরোপীয় কমিশনের ভাষ্যমতে, এই অতিরিক্ত অর্থায়নের মাধ্যমে সদস্য রাষ্ট্রগুলো সীমান্তে পরিস্থিতি সম্পর্কে তাৎক্ষণিক ও কার্যকর ধারণা নিতে সক্ষম হবে। সেই সঙ্গে ইউরোপের বহির্সীমা সুরক্ষিত রাখা এবং অননুমোদিত বা শত্রুতাপূর্ণ ড্রোন কার্যক্রমের ঝুঁকি মোকাবেলা করা অনেক সহজতর হবে বলে মনে করছে ইইউ কর্তৃপক্ষ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা