ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সদস্য দেশগুলোর ড্রোন ব্যবহার ও ড্রোন প্রতিরোধী সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নতুন করে ১৩ কোটি ইউরো অর্থ সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে ইউরোপীয় কমিশন। বাংলাদেশি মুদ্রায় এই অর্থের পরিমাণ প্রায় ১৪ কোটি ৫০ লাখ ডলার। বর্ডার ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড ভিসা ইনস্ট্রুমেন্টের (বিএমভিআই) আওতায় এই তহবিল বরাদ্দ করা হয়েছে, যা মূলত জোটের বহির্সীমায় নজরদারি বাড়াতে এবং উদ্ভূত নতুন নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবেলায় ব্যবহৃত হবে।
ইইউ জানিয়েছে, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা আরও শক্তিশালী ও অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সুসংহত করার লক্ষ্যে সদস্য দেশগুলোর জাতীয় কর্তৃপক্ষকে সহায়তা করাই এই উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য। নতুন এই বরাদ্দের ফলে নজরদারি ও ড্রোন প্রতিরোধী প্রযুক্তির জন্য ইইউর স্বরাষ্ট্রবিষয়ক তহবিল থেকে মোট অর্থায়নের পরিমাণ এখন ৫০ কোটি ইউরো ছাড়িয়েছে।
এর আগে সংস্থাটি পর্যায়ক্রমে এই খাতে বড় অঙ্কের অর্থ বরাদ্দ দিয়েছে। যার মধ্যে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে ২৫ কোটি ইউরো এবং চলতি বছরের শুরুতে আরও ১৬ কোটি ৯০ লাখ ইউরো সহায়তা দেওয়া হয়েছিল। সেই অর্থ মূলত নজরদারি ড্রোন ও আনুষঙ্গিক সরঞ্জাম সংগ্রহের জন্য সদস্য দেশ এবং ইউরোপীয় বর্ডার অ্যান্ড কোস্ট গার্ড এজেন্সি বা ফ্রন্টেক্সকে প্রদান করা হয়েছিল।
ইউরোপীয় কমিশনের ভাষ্যমতে, এই অতিরিক্ত অর্থায়নের মাধ্যমে সদস্য রাষ্ট্রগুলো সীমান্তে পরিস্থিতি সম্পর্কে তাৎক্ষণিক ও কার্যকর ধারণা নিতে সক্ষম হবে। সেই সঙ্গে ইউরোপের বহির্সীমা সুরক্ষিত রাখা এবং অননুমোদিত বা শত্রুতাপূর্ণ ড্রোন কার্যক্রমের ঝুঁকি মোকাবেলা করা অনেক সহজতর হবে বলে মনে করছে ইইউ কর্তৃপক্ষ।