বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১০ অপরাহ্ন
শিরোনাম
টাঙ্গাইলে নীলসাগর এক্সপ্রেসের বগি লাইনচ্যুত, বন্ধ উত্তরবঙ্গের ট্রেন চলাচল টাইব্রেকারে রুলির বীরত্বে ইএফএল কাপের শেষ আটে ম্যান সিটি মাহবুবউল আলম হানিফের মৃত্যুদণ্ড: জুলাইয়ে হত্যাযজ্ঞ তুরাগ নদে মিলল বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তার মৃত অবস্থায় পাওয়া ব্যক্তি টাঙ্গাইলে লাইনচ্যুত নীলসাগর এক্সপ্রেস, উত্তরবঙ্গগামী ট্রেন চলাচল ব্যাহত তুরাগ নদে মিলল সাবেক বিমানসেনা তাহসিফ সৌরির রহস্যময় অবশেষ চোটের কারণে নিউজিল্যান্ডের টি-টোয়েন্টি দল থেকে ছিটকে গেলেন ফার্গুসন ইসরায়েলি নির্বাচনে ৯০ শতাংশ ভোট গণনা, সরকার গঠনে জটিলতা ঢাকাকে টোকিওর মতো পরিচ্ছন্ন করতে চাই: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইসরায়েলের নির্বাচনে নেতানিয়াহুর জোটের ক্ষমতা হারানো প্রায় নিশ্চিত

সর্বজনীন আবাসন নিশ্চিতে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রধানমন্ত্রী

Reporter Name / ৪৭ Time View
Update : সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬

নাগরিকদের জন্য নিরাপদ ও সর্বজনীন আবাসন অধিকার নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। সোমবার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত ‘বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬’ উপলক্ষে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে তিনি সম্মেলন কেন্দ্র চত্বরে একটি ‘স্বর্ণচাঁপা’ গাছের চারা রোপণ করেন। অস্বীকার করার উপায় নেই, বর্তমানে রাজধানী ঢাকা ওভার পপুলেটেড।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান নগরায়ণের চিত্র তুলে ধরে বলেন, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহর ও নগরে মানুষের বসতি ও বসবাস ক্রমাগত বাড়ছে। শহরাঞ্চলে জনসংখ্যার এই আধিক্যের বাস্তবতায় ‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ণ’ ধারণাটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। শুধু একটি ঘর নির্মাণই বসতি দিবসের মূল উদ্দেশ্য নয়, বরং টেকসই আবাসন বলতে নিরাপদ পানি, নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, পয়ঃনিষ্কাশন ব্যবস্থা, উন্নত সড়ক ব্যবস্থাপনা, গণপরিবহন, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা ও কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্বলিত একটি মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশকে বোঝায়। নাগরিকদের জন্য শুধু একটি বাসস্থানই নয় বরং সেটিকে নিরাপদ এবং টেকসই করাও এখন সময়ের দাবি। দেশের অন্যান্য শহরগুলোতেও প্রায় একই অবস্থা। শহরাঞ্চলে স্বাভাবিকের চেয়েও কয়েকগুন বেশি মানুষের বসবাস। তিনি বলেন, বিশ্ব বসতি দিবসের অর্থ শুধু একটি ঘর নয়, আরো অনেকগুলো বিষয় এর সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত।

তারেক রহমান স্বীকার করেন যে, বাংলাদেশের মতো জনবহুল দেশে সবার জন্য টেকসই আবাসন নিশ্চিত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। তবে এই প্রতিকূলতা সত্ত্বেও সরকার সম্ভাব্য সব ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করছে। তিনি আরও বলেন, পরিকল্পিত, পরিবেশবান্ধব ও অন্তর্ভুক্তিমূলক নগর গড়ে তোলা বর্তমান সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। বিশেষ করে নিম্ন ও নিম্ন-মধ্যম আয়ের মানুষের জন্য বাসযোগ্য ও নিরাপদ আবাসন ব্যবস্থা নিশ্চিত করা সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি ও পরিকল্পনার গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় এই লক্ষ্য বাস্তবায়নে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। এরই ধারাবাহিকতায় দেশের পরিকল্পিত নগরায়ণের লক্ষ্যে প্রতিটি সিটি কর্পোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী সিলেট, ময়মনসিংহ, বরিশাল, কুমিল্লা, রংপুর ও নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠন করা হয়েছে। এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে অন্তর্ভুক্তিমূলক, নিরাপদ ও টেকসই নগর গড়ে তোলার পাশাপাশি জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) ১১ নম্বর অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জন সহজ হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তিনি আরও বলেন, এই বিষয়গুলো বলা যতটা সহজ, দেশের বিদ্যমান বাস্তবতায় এর বাস্তবায়ন ততটাই কঠিন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা