বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
নবায়নযোগ্য জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতের মাধ্যমে টেকসই অর্থনীতি রূপান্তরের ডাক জাপান সফরে চার সমঝোতা স্মারক ও দুই অনুদান চুক্তি সই জুলাইয়ের চেতনা বাঁচিয়ে রাখলে চাঁদাবাজি সম্ভব নয়: ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনতেই হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন দেশে ডেঙ্গুতে একদিনে ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ২ হাজার জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে আফগানিস্তান ১৫ নভেম্বর থেকে দ্বিতীয় ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো’ আয়োজন করবে ইপিবি নারায়ণগঞ্জে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে বাবা ও ছেলে নিহত বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমল: প্রভাব ফেলছে জ্বালানি তেলের উত্তাপ ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট: ভোগান্তিতে রোগী ও স্বজন

নিরাপত্তাবলয়ে থাকা সিরিয়ার সাবেক জেনারেলকে নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য

Reporter Name / ৬১ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৬

সিরিয়ার বাশার আল-আসাদ সরকারের সাবেক জেনারেল বাসাম আল-হাসানকে বিশেষ সুরক্ষা ও নিয়মিত আর্থিক সুবিধা দিয়ে লেবাননে গোপন আশ্রয়ে রেখেছে মার্কিন ও লেবানন কর্তৃপক্ষ। বাশার সরকারের আমলে মানবতাবিরোধী অপরাধ এবং রাসায়নিক অস্ত্র কর্মসূচির সরাসরি তদারকিকারী হিসেবে অভিযুক্ত ছিলেন তিনি। বিবিসি ও এনপিআরের এক যৌথ অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে যে, ২০২৪ সালের শেষ দিকে আসাদ সরকারের পতনের পরপরই হাসান লেবাননে পালিয়ে যান। বর্তমানে তিনি এফবিআই, সিআইএ এবং লেবাননের নিরাপত্তা বাহিনীর যৌথ সমঝোতায় সেখানে অবস্থান করছেন।

মার্কিন সাংবাদিক অস্টিন টাইস ২০১২ সালে সিরিয়ায় অপহৃত হওয়ার পর তার ভাগ্য নিয়ে গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের আশায় হাসানকে এই বিশেষ নিরাপত্তা দেয়া হচ্ছে। মার্কিন তদন্তকারীদের কাছে হাসান দাবি করেছিলেন যে আসাদের নির্দেশে টাইসকে নিশ্চিহ্ন করা হয়েছে, যদিও তার দেখানো তথাকথিত কবরের স্থানে তল্লাশি চালিয়ে কোনো দেহাবশেষ পাওয়া যায়নি। এর আগে বিবিসির এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছিল যে, টাইস অপহরণের সামরিক পরিকল্পনায় হাসান সরাসরি যুক্ত ছিলেন। তা সত্ত্বেও ওয়াশিংটনের আশ্রয়ে থাকায় তাকে দামেস্কে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি কার্যকর করা সম্ভব হচ্ছে না।

সিরিয়ার বর্তমান সরকার মানবতাবিরোধী অপরাধের বিচারে হাসানকে নিজেদের হেফাজতে পেতে চাইলেও তাতে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে মার্কিন অবস্থান। তাকে সরাসরি অর্থ লেনদেনের প্রমাণ এড়াতে তৃতীয় কোনো পক্ষের মাধ্যমে নিয়মিত তহবিল সরবরাহ করা হচ্ছে। কেবল টাইস সংক্রান্ত তথ্য নয়, বরং ইরানের সঙ্গে আসাদ সরকারের সামরিক সম্পর্ক ও সিরিয়ার গোপন রাসায়নিক অস্ত্র কর্মসূচির বিস্তারিত জানতেই যুক্তরাষ্ট্র এমন পদক্ষেপ নিয়েছে। ওয়াশিংটনের এই সিদ্ধান্তে অপহৃত সাংবাদিক টাইসের পরিবারের পক্ষ থেকে তীব্র ক্ষোভ জানানো হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা