বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:০৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম
জুলাইয়ের চেতনা বাঁচিয়ে রাখলে চাঁদাবাজি সম্ভব নয়: ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক তত্ত্বাবধায়ক সরকার ফিরিয়ে আনতেই হবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন দেশে ডেঙ্গুতে একদিনে ৯ মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি প্রায় ২ হাজার জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি সিরিজে এগিয়ে আফগানিস্তান ১৫ নভেম্বর থেকে দ্বিতীয় ‘গ্লোবাল সোর্সিং এক্সপো’ আয়োজন করবে ইপিবি নারায়ণগঞ্জে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে বাবা ও ছেলে নিহত বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমল: প্রভাব ফেলছে জ্বালানি তেলের উত্তাপ ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স মালিকদের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট: ভোগান্তিতে রোগী ও স্বজন স্পেনে দুই ট্রেনের সংঘর্ষে অন্তত ১০ জন নিহত ৩৬ দিন পর চুয়েটে সীমিত ক্লাসের সূচনা, সমাধানে ইউজিসির কমিটি

নিউইয়র্কে জিউকে প্রতিষ্ঠাতা এম আব্দুস সালামের সাথে প্রবাসীদের আড্ডা

Reporter Name / ৩৯ Time View
Update : শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬

নিউইয়র্কে এক ঘরোয়া আড্ডায় মিলিত হয়েছেন গাইবান্ধাভিত্তিক বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ‘গণউন্নয়ন কেন্দ্র’ বা জিউকে-এর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী প্রধান এম আব্দুস সালাম। গত ৫ অক্টোবর সোমবার সপরিবারে যুক্তরাষ্ট্র সফরে এসে তিনি নিউইয়র্কে পৌঁছান। প্রবাসে অবস্থানরত পরিচিতজনদের সান্নিধ্যে এসে তিনি নিজের মুগ্ধতার কথা প্রকাশ করেন। এ সময় আব্দুস সালাম বলেন, নিউইয়র্কে বেড়াতে এসে পরিচিত সবার সঙ্গে দেখা হলে খুব ভালো লাগে। সন্ধ্যায় তাঁকে ঘিরে একসাথে হন স্বজন ও শুভানুধ্যায়ীরা। আব্দুস সালামের সহধর্মিণী, জিউকের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ও বিশিষ্ট সমাজসেবিকা শামীমা মাহমুদা ইয়াসমিন এবং তাদের ছেলে জিউকের অন্যতম পরিচালক আবু সায়েম মো. জান্নাতুল নূর রিশাত। আড্ডায় জমিয়ে রেখেছিলেন আড্ডার আয়োজক এবং অনলাইন সংবাদ পোর্টাল ‘সন্ধান’-এর সম্পাদক সনজীবন কুমার সরকার ও তাঁর সহধর্মিণী প্রতিমা সরকার, ঠিকানার বার্তা সম্পাদক শহীদুল ইসলাম, এটিএন বাংলা ও এটিএন নিউজের যুক্তরাষ্ট্রের বার্তা সম্পাদক কানু দত্ত, প্রজ্ঞা সম্পাদক উত্তম।

আড্ডার সময় তিনি প্রবাসীদের নিজ এলাকায় কাজ করার আহ্বান জানান এবং গাইবান্ধায় জিউকে পরিদর্শন ও তাদের আতিথেয়তা গ্রহণের আমন্ত্রণ জানান। তিনি আরও বলেন, প্রবাস থেকে কেউ জিউকে ভ্রমণে গেলে আমি আনন্দিত হই। উপস্থিত অতিথিদের সঙ্গে আলাপচারিতার এক পর্যায়ে উঠে আসে সংস্থাটির দীর্ঘ যাত্রার নানা কথা। ১৯৮৫ সালে গাইবান্ধায় প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের জীবনমান উন্নয়নের প্রত্যয় নিয়ে এই সংস্থাটি যাত্রা শুরু করে। ১৯৮৭ সালের ভয়াবহ বন্যায় ত্রাণ ও মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা জিউকের অগ্রযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে বিবেচিত হয়। একজনের স্মৃতিচারণ শেষ হতে না হতেই আরেকজন ফিরে যাচ্ছিলেন গাইবান্ধায়, গণউন্নয়ন কেন্দ্রে (জিউকে) কাটানো সময় আর সেখানকার আন্তরিক আতিথেয়তার স্মৃতিতে। নিউইয়র্কের জ্যাকসন হাইটসের সানাই রেস্টুরেন্টে বসেও কথায় কথায় ফিরে আসছিল বাংলাদেশের উত্তরের জনপদটি। যাঁরা আগে জিউকে ঘুরে এসেছেন, তাঁদের স্মৃতিতে প্রতিষ্ঠানটির কাজের পাশাপাশি বারবার উঠে আসে সেখানকার মানুষের আন্তরিকতা।

জিউকের বর্তমান কার্যক্রমের পরিধি ১৭টি জেলায় বিস্তৃত। সংস্থাটির প্রকাশিত তথ্যমতে, অতিদরিদ্র পরিবারের ৩২ হাজারেরও বেশি নারী-পুরুষকে দক্ষতা ও মানবসম্পদ উন্নয়নের প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়েছে। দীর্ঘ চার দশকের পথচলায় এটি এখন দেশের অন্যতম পরিচিত উন্নয়ন সংগঠনে পরিণত হয়েছে।

সংস্থাটির নতুন উদ্যোগের অংশ হিসেবে গাইবান্ধা শহরসংলগ্ন নশরৎপুরে গড়ে তোলা হয়েছে একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। প্রায় ২০ বিঘা জমির ওপর নির্মিত এই প্রতিষ্ঠানটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন সম্পন্ন হয় ২০২৪ সালের ৯ নভেম্বর। শিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্য নিয়ে ২০২৫ সালে সেখানে নিয়মিত শিক্ষাকার্যক্রম শুরু হয়েছে। পুরো আড্ডাজুড়ে ছিল গাইবান্ধার উন্নয়ন ভাবনা, সামাজিক কর্মকাণ্ড এবং প্রবাসীদের সঙ্গে একাত্মতার দারুণ মেলবন্ধন। রাত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আড্ডার পরিবেশ আরও প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে এবং স্মৃতিচারণের মধ্য দিয়ে সময়টি কাটছিল অত্যন্ত আন্তরিকতায়। দূরদেশের এই মিলনসন্ধ্যায় সেই পুরোনো পরিচয়গুলো যেন নতুন করে উষ্ণ হয়ে ওঠে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা