শান্তিপূর্ণ কাজে পারমাণবিক শক্তির ব্যবহার ও এ সংক্রান্ত পারস্পরিক সহযোগিতা বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) সই করেছে বাংলাদেশ। স্থানীয় সময় গত ২৫ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে এই চুক্তি স্বাক্ষর হয়। বাংলাদেশের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে সই করেন প্রধানমন্ত্রীর টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসাদ। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে স্বাক্ষর করেন অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, জ্বালানি ও পরিবেশবিষয়ক আন্ডার সেক্রেটারি জ্যাকব হেলবার্গ। উপদেষ্টা রেহান আসাদ এই চুক্তির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা ফেরাতে পুলিশের ৩ ধাপের পরিকল্পনা। ৩ মাসেই শেষ চলতি অর্থবছরে বিদ্যুৎ-এলএনজি ভর্তুকির ৪৫ শতাংশ। চড়া মূল্যে নামমাত্র শুল্ক ছাড়: যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি নিয়ে প্রশ্ন।
সমঝোতা স্মারক অনুযায়ী, দুই দেশ তাদের জ্বালানি চাহিদা পূরণে পারমাণবিক শক্তির সম্ভাব্য ভূমিকার ওপর গুরুত্ব দিয়েছে। এতে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যকার কূটনৈতিক সম্পর্কের কৌশলগত তাৎপর্য এবং আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার ক্ষেত্রে এর ইতিবাচক প্রভাবের কথা তুলে ধরা হয়েছে। চুক্তি অনুযায়ী, বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ মানের সুরক্ষা, নিরাপত্তা, সেফগার্ডস এবং পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার রোধের নীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করা হবে। এবার ক্ষমতার গরমের আঁচ পড়ল স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের ওপর: জামায়াত আমির।
উভয় পক্ষই আন্তর্জাতিক পরমাণু শক্তি সংস্থার (আইএইএ) সেফগার্ডস চুক্তি ও অতিরিক্ত প্রটোকলের প্রতি দায়বদ্ধ এবং এনপিটি বা পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধসংক্রান্ত চুক্তির পক্ষভুক্ত। উল্লেখ্য, এই এনপিটি চুক্তিটি ১৯৬৮ সালের ১ জুলাই সই হয়েছিল। জ্বালানি উৎসের বৈচিত্র্য আনার দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার অংশ হিসেবেই যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই নতুন সমঝোতা হয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
এর আগে চলতি বছরের মে মাসে জ্বালানি খাতের বৃহত্তর সহযোগিতার লক্ষ্যে দেশ দুটি একটি সমঝোতা স্মারকে সই করেছিল, যা মূলত বিভিন্ন উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহ ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপর কেন্দ্র করে ছিল। তবে বর্তমান এই নতুন বেসামরিক পারমাণবিক সহযোগিতা চুক্তিটি আগের তুলনায় আলাদা। এটি সাধারণ বাণিজ্যিক জ্বালানি চুক্তির চেয়ে মূলত পারমাণবিক শক্তির শান্তিপূর্ণ ব্যবহার ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার ওপর বেশি গুরুত্ব দেয়। ইউরোপের বিপজ্জনক পথ / দালালের খপ্পরে পড়ে নিঃস্ব পরিবার, ঝুলে আছে ৫ হাজারের বেশি মামলা।
বাংলাদেশ বর্তমানে রাশিয়ার কারিগরি সহায়তায় রূপপুরে দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করছে। সরকারের লক্ষ্য হলো এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের পাশাপাশি পারমাণবিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিভিন্ন ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সহযোগিতার পরিধি আরও বাড়ানো। এই প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতায় যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে এই নতুন সমঝোতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।