বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৪৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম
বাংলাদেশে বিনিয়োগ বাড়াতে ইউনিক্লোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান শ্রীপুরে বাবাকে আঘাতের অভিযোগে আটক পলাতক ছেলে আনোয়ার অন্ধ্র উপকূলে প্রবল ঘূর্ণিঝড় অর্ণব: নিরাপদ আশ্রয়ে দুই লাখ মানুষ হুতিদের শান্ত করতে ১০০ কোটি ডলারের প্রস্তাব সৌদি আরবের ডান হাতের আঙুলের চোটে মিরপুর টেস্টে নেই মুশফিক জাপানের জেবিআইসি গভর্নরের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী তারেকের গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক বাংলাদেশে এক ট্রিলিয়ন ইয়েন বিনিয়োগ ও ২ লাখ কর্মসংস্থানের যৌথ ঘোষণা সুন্দরবনে দাদা ভাই বাহিনীর সঙ্গে গোলাগুলি, জিম্মি ৫ জেলে উদ্ধার বাংলাদেশের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারত্ব বাড়াতে অঙ্গীকার জাপানের প্রধানমন্ত্রীর রিজভীর: আইজিপি সরকারের অংশ হয়ে ক্রসফায়ারের কথা

বিনিয়োগ বাড়াতে চীনের প্রতি প্রেসিডেন্টের আহ্বান

Reporter Name / ৪৪ Time View
Update : বুধবার, ৩০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন প্রেসিডেন্ট মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সঙ্গে। বুধবার বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বাংলাদেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের পরিবেশ তৈরিতে চীনের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রেসিডেন্ট। তিনি রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে চীনের গঠনমূলক ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং দেশটির বর্তমান উদ্যোগ সংকট সমাধানে সহায়ক হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বিনিয়োগের প্রসারে প্রেসিডেন্ট তৈরি পোশাক, বৈদ্যুতিক যানবাহন, লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং, উচ্চপ্রযুক্তির ইলেকট্রনিকস, সেমিকন্ডাক্টর ও সৌরশক্তির মতো খাতে চীনের অংশীদারিত্ব বাড়ানোর আহ্বান জানান। এছাড়া কুনমিং-চট্টগ্রাম করিডর এবং চীন-মিয়ানমার-বাংলাদেশ অর্থনৈতিক করিডরসহ আঞ্চলিক যোগাযোগের বহুপাক্ষিক উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে তিনি চীনকে বাংলাদেশের বিশ্বস্ত কৌশলগত বন্ধু হিসেবে অভিহিত করেন। মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন, চায়না ইকোনমিক অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন প্রতিষ্ঠা এবং তিস্তা নদীর সমন্বিত ব্যবস্থাপনা প্রকল্পে চীনের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট টেনে প্রেসিডেন্ট উল্লেখ করেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ১৯৭৭ ও ১৯৮০ সালের চীন সফর এবং ২০২৬ সালের এপ্রিলে নিজেরসহ তরুণ ও জ্যেষ্ঠ নেতৃত্বের চীন সফর পারস্পরিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করেছে। তিনি ভবিষ্যতে এই সম্পর্ক আরও উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। এছাড়া এক হাজার শয্যার বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী জেনারেল হাসপাতাল নির্মাণের জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে জটিল ব্লাড ক্যান্সারের চিকিৎসায় চীনের প্রযুক্তিগত সহায়তা কামনা করেন তিনি। এ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, এসব সফর ও বৈঠক দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও গভীর ও সুদৃঢ় করেছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, এই সম্পর্ক সামনের দিনগুলোতে আরও শক্তিশালী ও সুসংহত হবে।

বিদায়ী রাষ্ট্রদূতের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে প্রেসিডেন্ট বলেন, বাংলাদেশ-চীন সম্পর্কের উন্নয়নে ইয়াও ওয়েনের অবদান কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ রাখা হবে। রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ডেপুটি চিফ অব মিশন ড. লিই ইউইন। অন্যদিকে, প্রেসিডেন্টের সঙ্গে ছিলেন তার সামরিক সচিব, সচিব, প্রেস সচিব ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবসহ উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা