রংপুর নগরীর দাসপাড়ায় অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী ও তার পরিবারের তিন সদস্যের মৃত্যুর ঘটনায় গ্রেপ্তার দুই আসামি সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে ঢাকায় নেওয়া হচ্ছে। মামলার তদন্তের স্বার্থে তাদের ডিএনএ পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহের জন্য সিআইডি কার্যালয়ে পাঠানো হচ্ছে। রোববার রাতে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন রংপুর মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী।
তদন্তকারী কর্মকর্তাদের ভাষ্যমতে, হত্যাকাণ্ডের ঘটনাস্থল থেকে সংগৃহীত বিভিন্ন আলামত ও নিহতদের নমুনার সাথে গ্রেপ্তারকৃতদের ডিএনএ মিলিয়ে দেখা হবে। এই পরীক্ষার মাধ্যমে ঘটনাস্থলে আসামিদের উপস্থিতি ও কোনো জৈবিক সম্পর্কের প্রমাণ পাওয়া সম্ভব কি না, তা যাচাই করা হবে। সিআইডি কার্যালয়ে নমুনা প্রদানের প্রক্রিয়া শেষ করে তাদের দ্রুত রংপুরে ফিরিয়ে আনা হবে বলেও জানানো হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, গত ২২ আগস্ট রাতে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় নিজ বাড়ি থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী ও ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়। এই মর্মান্তিক ঘটনার পরপরই পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং প্রতিবেশী সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাসকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে পরবর্তীতে তাদের গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
বর্তমানে পুলিশের গোয়েন্দা শাখা এই মামলাটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে দেখছে। সিআইডিতে নমুনা সংগ্রহের কাজ সম্পন্ন হতে খুব বেশি সময় লাগবে না বলে ধারণা করা হচ্ছে। ডিএনএ প্রোফাইলিংয়ের মতো বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি অবলম্বনের মাধ্যমে এই মামলার রহস্য উন্মোচনে পুলিশ তৎপর রয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এজন্য সোমবার তাদের ঢাকায় সিআইডি কার্যালয়ে নেওয়া হবে।